হেযবুত তওহীদ

মানবতার কল্যাণে নিবেদিত

হেযবুত তওহীদের একটি নিবন্ধ বা বই

পাল্টে দিতে পারে
আপনার জীবন!

Be Parents Cover Output

বি প্যারেন্টস

বিষয়বস্তু

একটি শিশু একটি স্বপ্ন। একটি সুস্থ শিশু সকল বাবা-মায়ের প্রত্যাশা। সময়ের সাথে সাথে একটি শিশু শারীরিক মানসিক পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে বেড়ে সে হয়ে ওঠে একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষ। কিন্তু অনেক সময় এর ব্যতিক্রমও ঘটতে দেখা যায়। অনেক শিশু নানা ধরনের প্রতিকূলতা নিয়ে জন্মায়। এইসব সমস্যা অনেক ক্ষেত্রেই প্রতিকার ও প্রতিরোধযোগ্য। একটু সচেতনতা দিতে পারে শিশুকে সুস্থ সুন্দর অনাবিল প্রশান্তিময় জীবন। আজ যে শিশু পৃথিবীর আলোয় এসেছে আমরা তার জন্য একটি সুন্দর সাজানো বাগান চাই। মা-বাবার ঘরটা হয়তো শিশুর জন্য সাজানো বাগান। কিন্তু এই পৃথিবীকে আমরা কি তার জন্য সুন্দর সাজানো বাগানের মতো করতে পেরেছি? অথবা সুকান্তের সেই বাসযোগ্য পৃথিবী? হয়তো পেরে উঠি না আমরা; কিন্তু একটি শিশুকে আমরা যদি বড় করে তুলি আপন মমতায়, সঠিক ও পূর্ণ বিকাশে তাহলে সে হয়তো তার পৃথিবীটাকে তার মনের মতো করেই বাসযোগ্য করে তুলবে। মনের মতো সাজাবে তার আপন পৃথিবী নামের বাগানটাকে

Arekti Bisswojuddho Cover Final

আরেকটি বিশ্বযুদ্ধ

বিষয়বস্তু

পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ঙ্করতম শব্দটির নাম ‘যুদ্ধ’। তবে ইতিহাস বলে যুদ্ধ যেমন মহাপ্রলয় নিয়ে আসে তেমনি যুদ্ধ সবকিছুকে ভেঙে চুরমার করে নতুন সভ্যতার বার্তাও নিয়ে আসে। তবুও যুদ্ধ কেউ চায় না। কিন্তু যুদ্ধ বেঁধে যায়। কখনো কখনো যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠে। যুদ্ধের মাধ্যমে পরাশক্তিগুলো বিশাল জনগোষ্ঠীর অধিকার হরণ করে, যুদ্ধের পথ ধরে মুক্তিকামী জনতা মুক্তির পথ খুঁজে পায়। যুদ্ধের ধর্ম এটাই। বিগত শতাব্দি ধরে সমাজতান্ত্রিক ব্লক আর গণতান্ত্রিক ব্লক অস্ত্র হাতে একে অপরের দিকে তাক করে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে। তাদের এ স্নায়ু যুদ্ধ যেনো আটশত কোটি বনি আদমকে বারুদের পাহাড়ের চূড়ায় বসিয়ে রেখেছে। বারুদের এ উত্তপ্ত পাহাড়ে বিস্ফোরণ ঘটা সময়ের ব্যাপার মাত্র। যুদ্ধের একটা চূড়ান্ত ধ্বংসাত্মক রূপ আছে। তারই প্রথম ধাপ বোধ হয় দেখতে যাচ্ছি আমরা ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধের মধ্য দিয়ে।

BS 25th Magazine Cover

সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ফল কী হলো?

বিষয়বস্তু

৯/১১ এর মর্মান্তিক হামলার ঘটনাকে সাম্রাজ্যবাদীরা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ হাসিলে ব্যবহার করেছে। তা করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা জোট বিশ্বব্যাপী বহু যুদ্ধ-সংঘাতের জন্ম দিয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে প্রতিবেদনে। প্রবন্ধ সংকলনে বাংলাদেশের সমাজের একটি ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে একটি প্রবন্ধে। যেখানে লেখক তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন আমাদের পারিবারিক বন্ধনের অবক্ষয়ের চরমতম রূপ!

Screenshot 2022-12-14 212813

ধর্মব্যবসায়ীদের ভয়াবহ জালিয়াতি!

বিষয়বস্তু

হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে ধর্ম ব্যবসায়ী গোষ্ঠী আদর্শিকভাবে দাঁড়াতে না পেরে জালিয়াতির পথ বেছে নিচ্ছে। হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে তাদের শত শত জালিয়াতি থেকে কয়েকটি নমুনা এই পুস্তিকাটিতে তুলে ধরা হলো।

Noakhali_Book_Cover-min

সোনাইমুড়ীতে বারবার হামলার নেপথ্যে

বিষয়বস্তু

নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে মাননীয় এমাম জনাব হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম-এর পৈতৃক নিবাস। আন্দোলনে যোগদান করেই তিনি সেখানে আল্লাহর সত্যদীনের বাণী প্রচার করতে শুরু করেন। এ সত্যপ্রচারে প্রবল বাধা হয়ে দাঁড়ায় স্থানীয় স্বার্থান্বেষী একটি মহল এবং ধর্মব্যবসায়ী গোষ্ঠী। তারা জনগণের মধ্যে অপপ্রচার চালায় যে হেযবুত তওহীদ খ্রিষ্টানদের থেকে টাকা পায়, কালো কাপড় দিয়ে দাফন করে, উরুতে সিল দিয়ে খ্রিষ্টান হয় ইত্যাদি। গ্রামের গুজবপ্রবণ কুসংস্কারাচ্ছন্ন ধর্মান্ধ মানুষ তাদের এসব মিথ্যা কথায় প্রভাবিত হয়। সেখানে বারবার ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করে হেযবুত তওহীদের এমামের বাড়িতে হামলা, লুটতরাজ, অগ্নিসংযোগ করা হয়। ২০১৬ সালের ১৪ মার্চ বাড়ির প্রাঙ্গনে নির্মীয়মান মসজিদকে গির্জা বলে গুজব রটিয়ে হামলা চালানো হয়। দুইজন সদস্যকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাই করা হয়। পুড়িয়ে দেওয়া হয় বাড়িঘর। ১১৪ জন সদস্যকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করে। কেন বারবার এই হামলা? কোন সত্যকে গোপন করার জন্য তারা এত মরিয়া?

BS-23rd-Magazine

সওম (রোজা) কি? সওম কার জন্য?

বিষয়বস্তু

সওম বা রোজা হচ্ছে ইসলামের বুনিয়াদি পাঁচটি বিষয়ের মধ্যে পঞ্চম বুনিয়াদ। এটি পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো মো’মেনের চরিত্রে কিছু গুণাবলী সংযোজন করা। পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করার জন্য একজন মো’মেনকে অবশ্যই চারিত্রিক পরিশুদ্ধি, সংযম, দৃঢ়তা, ক্ষুধার্তের প্রতি সহানুভতি, নিজের ক্ষুধা-তৃষ্ণার বিষয়ে সহিষ্ণুতা অর্জন করা অপরিহার্য। এমন আরো বহুবিধ গুণাবলী মো’মেনের চরিত্রে এনে দেয় সওম। এই চরিত্র লাভ করলে আমরা স্রষ্টা কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব সুচারুভাবে পালন করতে সমর্থ হবো। মানুষ সৃষ্টিলগ্নেই আল্লাহর খেলাফত অর্থাৎ প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্ব পেয়েছে। এই দায়িত্ব পালনের জন্য সে সত্য, সুন্দর পথে চলবে, ভ্রাতৃত্ব শিখবে, সত্য ও ন্যায়ের আনুগত্য করবে, সুশৃঙ্খল হবে, আত্মনিয়ন্ত্রণ করতে শিখবে।

covid-19

করোনা আতঙ্কে বিশ্ব, বেড়ে চলেছে মৃত্যুর সংখ্যা

বিষয়বস্তু

প্রাণঘাতী মহামারী করোনা ভাইরাস আতঙ্কে থমকে গেছে পুরো বিশ্ব। করোনা আক্রান্ত সব দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত, বিপণিবিতান, গণপরিবহন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এখন বিশ্বজুড়েই চলছে লকডাউন। বিশ্বের সার্বিক পরিস্থিতি এখন টালমাটাল। সেই সঙ্গে করোনার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। দেশের প্রশাসন উদ্ভুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং জনগণকে রক্ষা করতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করছে। তাই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো ইতোমধ্যে লকডাউন করা হয়েছে। এতে আবাসিক, অনাবাসিক, শিল্পাঞ্চল বা পর্যটন এলাকাও রয়েছে। করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সারা দেশে ১০ দিনের কোয়ারেন্টিন ঘোষণা করেছে সরকার।

kingdom-of-heaven

কিংডম অব হ্যাভেন

বিষয়বস্তু

সমাজে শুভবোধের উদয় হচ্ছে না, সুদিন আসছে না, গ্লানি মুছে যাচ্ছে না, জ্বরাও কাটছে না। প্রতিদিনের পত্রিকার পাতাগুলো দুঃসংবাদে ভারি হয়ে থাকছে। মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে মানুষের নৃশংসতা, জঘন্যতা। চারিদিকে মানুষের পশুত্বের জয়ডঙ্কা বাজছে। এই পাশবিক হুঙ্কারের বিরুদ্ধে ভার্চুয়াল বা মৌখিক নববর্ষের শুভেচ্ছা কেবলই পরিহাস ছড়াচ্ছে। সুদিন আনতে হলে প্রয়োজন পড়ে একটি উনড়বত আদর্শের, প্রয়োজন পড়ে কিছু মানুষের প্রাণান্তকর সংগ্রামের এবং সীমাহীন ত্যাগের।

ekattor-sonkot

একাত্তরের সঙ্কট বনাম আজকের সঙ্কট

বিষয়বস্তু

আরও একটি ঘটনাবহুল বছর অতিক্রম করতে যাচ্ছি আমরা। পেরিয়ে যাচ্ছে আরও একটি বিজয়ের মাস। ১৯৭১ সালের এই মাসেই আমাদের পূর্বপুরুষরা পশ্চিম পাকিস্তানের দানবীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে বাংলাদেশকে মুক্ত করেন। অতিক্রান্ত হয় ইতিহাসের রক্তক্ষয়ী একটি মাইলফলক। সেই থেকে গত ৪৬টি বছর পেরিয়ে গেছে, বদলে গেছে অনেক কিছুই। বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট, আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি ও দেশের অভ্যন্তরের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। এই পরিবর্তন ইতিবাচক ও নেতিবাচক দু’দিক থেকেই। আজকের এই ক্রান্তিলগ্নে দাঁড়িয়ে আমাদের অর্জনগুলোকে যেমন মূল্যায়ন করতে হবে, তেমনি আমাদের ব্যর্থতাগুলোকেও বিবেচনায় নিতে হবে।

tobe-ki-jatir-shongso

তবে কি জাতির ধ্বংসই অনিবার্য?

বিষয়বস্তু

বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের ইতিহাসে হলি আর্টিজানে হামলা একটি মোড় ঘুরানো বিষয়। এতো বড় মাপের জঙ্গি হামলা এর আগে বাংলাদেশে কখনো হয়নি। ১লা জুলাই হলি আর্টিজানের ভয়ানক সেই জঙ্গি হামলার এক বছর পূর্ণ হলো। এ উপলক্ষে বহু মানুষ সেদিন নিহত ব্যক্তিদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে, জঙ্গিদের প্রতি তীব্র ঘৃণা প্রকাশ করেছে, শান্তি সমাবেশ করেছে। বহু দল, সংস্থা, সংগঠন এ উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো এসব করে কি জঙ্গিবাদ নির্মূল হচ্ছে বা হবে? জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপগুলো কি যথেষ্ট?