হেযবুত তওহীদের একটি নিবন্ধ বা বই

পাল্টে দিতে পারে
আপনার জীবন!

Cover Image Noakhali Handbill-2

Reasons for repeated attacks, arson and brutal killings on Hezbut Tawheed in Sonaimuri

বিষয়বস্তু

The ancestral home of Hossain Mohammad Salim, honorable leader of Hezbut Tawheed movement placed at Sonaimuri, Noakhali. He started preaching the true ideology of Islam, the Deen of Allah in that place after joining the movement. However, a self-interested and religion mongers group stood up as the main barrier in the way of that preaching. They started spreading propaganda among the mass that Hezbut Tawheed gets money from Christians, buries with black cloth, becomes a Christian with a seal on the thigh, and so on. The superstitious fanatics of the village got influenced by these lies. There, the house of honorable Emam of Hezbut Tawheed was repeatedly attacked, looted, and set on fire by creating religious insanity.

On March 14, 2016, a mosque, was under construction on the premises of the house of honorable Emam was attacked by spreading rumors that it was a church. Two members were slaughtered with sharp weapons. Houses were set on fire. 114 members were attempted to burn. Why this attack again and again? Which truth they are so desperate to hide?

Education System

ঔপনিবেশিক ষড়যন্ত্রমূলক শিক্ষাব্যবস্থা

বিষয়বস্তু

আমরা যে শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে আমাদের নিজেদেরকে শিক্ষিত করছি সেই শিক্ষাব্যবস্থাটি আমাদের নিজেদের তৈরি করা নয়। এটা ব্রিটিশ আমলে তাদের নীতিনির্ধারকরা তৈরি করে দিয়ে গেছেন। আমরা ভৌগোলিক স্বাধীনতা পাওয়ার পর তাদের নির্মিত সেই ইমারতে দু একটা কামরা, দরজা জানালার রদবদল করেছি বলা যায়, কিন্তু মৌলিক কোনো পরিবর্তন আনি নি। যে শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছিল অন্য একটি জাতিকে উৎকৃষ্ট দাস বানানোর জন্য সেই শিক্ষা আমরা স্বাধীন হয়েও নিজেদের ও নিজেদের সন্তানদের জন্য বহাল রেখেছি। এর পরিণাম যা হওয়ার তা-ই হয়েছে, আজও আমরা মনে-মগজে এবং জীবনকাঠামোতে সেই পশ্চিমা প্রভুদের দাসত্বই করে যাচ্ছি। পার্থক্য এই যে, আগে তারা আমাদের জনগণকে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করত, আর এখন আমাদের সরকাগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে।

Noakhali_Book_Cover-min

সোনাইমুড়ীতে বারবার হামলার নেপথ্যে

বিষয়বস্তু

নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে মাননীয় এমাম জনাব হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম-এর পৈতৃক নিবাস। আন্দোলনে যোগদান করেই তিনি সেখানে আল্লাহর সত্যদীনের বাণী প্রচার করতে শুরু করেন। এ সত্যপ্রচারে প্রবল বাধা হয়ে দাঁড়ায় স্থানীয় স্বার্থান্বেষী একটি মহল এবং ধর্মব্যবসায়ী গোষ্ঠী। তারা জনগণের মধ্যে অপপ্রচার চালায় যে হেযবুত তওহীদ খ্রিষ্টানদের থেকে টাকা পায়, কালো কাপড় দিয়ে দাফন করে, উরুতে সিল দিয়ে খ্রিষ্টান হয় ইত্যাদি। গ্রামের গুজবপ্রবণ কুসংস্কারাচ্ছন্ন ধর্মান্ধ মানুষ তাদের এসব মিথ্যা কথায় প্রভাবিত হয়। সেখানে বারবার ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করে হেযবুত তওহীদের এমামের বাড়িতে হামলা, লুটতরাজ, অগ্নিসংযোগ করা হয়। ২০১৬ সালের ১৪ মার্চ বাড়ির প্রাঙ্গনে নির্মীয়মান মসজিদকে গির্জা বলে গুজব রটিয়ে হামলা চালানো হয়। দুইজন সদস্যকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাই করা হয়। পুড়িয়ে দেওয়া হয় বাড়িঘর। ১১৪ জন সদস্যকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করে। কেন বারবার এই হামলা? কোন সত্যকে গোপন করার জন্য তারা এত মরিয়া?

dhormobebsar-faade

ধর্মব্যবসার ফাঁদে

বিষয়বস্তু

আজকের বৈশ্বিক ভয়াবহ সঙ্কটে মুসলিম দাবিদার জনগোষ্ঠীটি নিপতিত। এমন কি তাদেরকে ধরাপৃষ্ঠ থেকে নিশ্চিহ্ন করে ফেলার জন্য পরাশক্তিধর রাষ্ট্রগুলো টার্গেট করেছে। এমতাস্থায় জাতির সামনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ঐক ̈বদ্ধ হওয়া। এই ঐক ̈গঠনের পথে সবচেয়ে বড় অন্তরায় হচ্ছে ̄ স্বর্থকেন্দ্রিক ধর্মব্যবসা। এ মহাসংকট থেকে উদ্ধার পেতে হলে ধর্মব্যবসার বিষবৃক্ষকেই উপড়ে ফেলতে হবে। তা না হলে ধর্মের অনাবিল রূপ, প্রকৃত রূপ মানুষ কোনোদিন দেখতে পাবে না, ঐক ̈বদ্ধও হতে পারবে না। তাই ধর্মব্যবসার বিষয়ে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা তুলে ধরে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা প্রত্যেক মানবকল্যণকামী, সত্যনিষ্ঠ মো’মেন, মুসলিমের কর্তব্য। সে লক্ষ্যেই আমাদের এ ক্ষুদ্র প্রয়াস।

Islam_keno_abedon_haracche

ইসলাম কেন আবেদন হারাচ্ছে?

বিষয়বস্তু

আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া, আরব, ইন্দোনেশিয়া-মালয়েশিয়া ও ভারত উপমহাদেশের অনেক আলেম, তাত্ত্বিক, ইসলামী চিন্তাবিদ গত শতাব্দীর বিভিনড়ব সময়ে নিজেদের পছন্দনীয় ইসলামের উত্থান ঘটানোর জন্য বিভিনড়ব সংগঠন ও আন্দোলন প্রতিষ্ঠা করেছেন কিন্তু সফল হন নি। এর মধ্যে কোনোটি গণতান্ত্রিক ধারার রাজনৈতিক আন্দোলন, কোনোটি চরমপন্থী। রাজনৈতিক ধারার আন্দোলনগুলো শুরুতে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করলেও বর্তমান সময়ে এসে সেগুলো একে একে মুখ থুবড়ে পড়ছে, জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে। ইসলাম প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তাদের এই যে ব্যর্থতা এর প্রকৃত কারণ কী?

jongidab_songkot_somadhan

জঙ্গিবাদ সঙ্কট: উত্তরণের একমাত্র পথ

বিষয়বস্তু

জঙ্গিবাদ বর্তমানে মানবজাতির সর্বপ্রধান সমস্যা। এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে পৃথিবীর পরাশক্তিধর রাষ্ট্রগুলো। সশস্ত্র বাহিনীর পাশাপাশি পশ্চিমা ভাবধারার গণমাধ্যমগুলো জঙ্গিদের বিরুদ্ধে জনসমর্থন সৃষ্টিতে কাজ করে যাচ্ছে। তারা যেভাবে এ প্রচারণা চালাচ্ছে, তাতে কেবল জঙ্গিদের বিরুদ্ধে নয় খোদ ইসলামের বিরুদ্ধে মানুষের মনে ঘৃণার বোধ জন্ম নিচ্ছে। এ লড়াই যতটা না সামরিক তারচেয়ে বহুগুণ বেশি সভ্যতার সংঘাত (Clash of civilizations), ইসলাম বনাম পশ্চিমা বস্তুবাদী সভ্যতা।

jehad-ketal-sontras-book-cover

জেহাদ কেতাল ও সন্ত্রাস

বিষয়বস্তু

বর্ত্তমানে দুনিয়াময় জেহাদ কেতাল ও সন্ত্রাস এই তিনটি বিষয়কে একই অর্থে ব্যবহার করা হোচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, ভৌগোলিক স্বাধীনতার জন্য, কোথাও কোথাও প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য অর্থাৎ বিভিন্নভাবে পরিচালিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে দুনিয়াময় জেহাদ বা কেতাল হিসাবে প্রচার করা হোচ্ছে। কিন্তু প্রকৃত প্রস্তাবে এই তিনটি বিষয় সম্পূর্ণ আলাদা। ইসলামে সন্ত্রাসের তো কোন স্থানই নেই, জেহাদ ও কেতালের অর্থ প্রেক্ষাপটও সম্পূর্ণ আলাদা। এ সংক্রান্ত অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য এই পুস্তিকাটি পড়া প্রত্যেক সচেতন পাঠকের জন্য অতি জরুরী। হেযবুত তওহীদ সম্পর্কে যে ভুল ধারণা সাধারণ মানুষের মনে বদ্ধমূল কোরে দেওয়া হোয়েছে এবং হোচ্ছে তার বিরাট এবং গভীর কারণ আছে। সেই কারণ উদ্ঘাটিত হোয়েছে এ পুস্তিকাটিতে।

holy-artijan-book

হলি আর্টিজানের পর…

বিষয়বস্তু

গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে জঙ্গি হামলার এক বছর পেরিয়ে গেল। ঘটনাটি এখনও নানা কারণেই তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে আছে। কারণ ঐদিন বাংলাদেশের মানুষ প্রমবারের মত এই ধরনের নৃশংস হামলার কবলে পড়ে, খবরের শিরোনাম হয় বিশ্বব্যাপী। হলি আর্টিজানের মর্মান্তিক ঐ ঘটনার পর বেশ কিছুদিন দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় অনেকে ভেবেছিলেন জঙ্গিবাদের হুমকি বোধহয় মোকাবেলা করাই গেল। কিন্তু বলা বাহুল্য, কিছুদিন স্তিমিত থাকার পর পুনরায় জঙ্গিবাদের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অতীতের সমস্ত রেকর্ড ভেঙ্গে জঙ্গিরা ‘আত্মঘাতী’ হামলার পথ বেছে নিয়েছে, যেমনটা সিরিয়া, ইরাক, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, লিবিয়া, ইয়েমেন ইত্যাদি দেশের প্রাত্যহিক ঘটনা। একের পর এক জঙ্গি হামলা, জঙ্গি আস্তানায় পুলিশের অভিযান এবং হতাহতের ঘটনায় সারা দেশের মানুষ আজ বিস্মিত, হতবাক।

gonomaddhomer_koronio

পাশ্চাত্যের মানসিক দাসত্ব দূরীকরণে গণমাধ্যমের করণীয়

বিষয়বস্তু

গণমাধ্যমকে বলা হয় সমাজের দর্পণ। জনমত গঠণের অন্যতম মাধ্যম। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন, চাওয়া-পাওয়া, দাবি, চাহিদার প্রকাশ ঘটে এই গণমাধ্যমের মাধ্যমে। যুগে যুগে বহু আন্দোলন, সংগ্রাম, সংস্কার ইত্যাদির সূত্রপাত ও পরিচালনার অগ্রপথিক ছিল এই গণমাধ্যম। সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে গণমাধ্যম রাখতে পারে অগ্রণী ভূমিকা। বর্তমানে সীমাহীন অন্যায়, অশান্তিতে পরিপূর্ণ এই সমাজের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন অত্যাবশকীয়। সমস্ত অন্যায়, অবিচার, বৈষম্য বিদূরিত হয়ে একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে গণমাধ্যমকর্মীরা হতে পারেন সেই রেনেসাঁ সৃষ্টিকারী ব্যক্তিবর্গ। এজন্য আগে তাদের নিজেদেরকে হতে হবে সেই সত্য-নির্মল আদর্শের ধারক। সেজন্য প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনার লিখিত সংযোজন এই বইটি।

divide-and-rule-book-cover

DIVIDE & RULE -শোষণের হাতিয়ার

বিষয়বস্তু

একতাই বল- কথাটা আমরা সকলেই জানি। একটি জাতির প্রধান শক্তিই হলো সেই জাতির সদস্যদের মধ্যে ঐক্য। কিন্তু যুগে যুগে শাসক শ্রেণি এই ঐক্যটাই নষ্ট করতে চেয়েছে। তারা চেয়েছে, একটি জাতিকে যতটা পারা যায় বিভক্ত করে দিতে হবে। জাতির মধ্যে যত বিভক্তি থাকবে ততই জাতিটি তাদের অনুগত থাকবে। তাদের শাসনযন্ত্র ততই সুদৃঢ় হবে, জাতিটিকে শোষণ করা তাদের জন্য ততই সহজ হয়ে পড়বে। তাই তো শাসকদের একটি সাধারণ নীতি হলো DIVIDE & RULE – যা তাদের শোষণের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার।