অপপ্রচারের জবাব ও আইনি লড়াই

হেযবুত তওহীদ সম্পর্কে অপপ্রচারের জবাব

29 Sep, 2026 Admin User 7 ভিউ
হেযবুত তওহীদ সম্পর্কে অপপ্রচারের জবাব
হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত পর্দা, নবী দাবি, কুফরি সংগঠন, মহিলা ইমাম ও আলেম-বিরোধিতা সংক্রান্ত অপপ্রচারের জবাব ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা।
হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে ছড়ানো কিছু প্রচলিত অপপ্রচার ও তার জবাব নিচে তুলে ধরা হলো।
‘পর্দার বিধান’ সংক্রান্ত অপপ্রচার

হেযবুত তওহীদের ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি অপপ্রচার হয়েছে নারীদের পর্দা সংক্রান্ত। কেননা হেযবুত তওহীদের মেয়েরা মুখ ঢেকে পর্দা করে না। তাই ধর্মব্যবসায়ী স্বার্থান্বেষী মহল হেযবুত তওহীদের নারী পর্দা নিয়ে ডাহা ডাহা মিথ্যা অপপ্রচার করেছে সবচেয়ে বেশি। যেমন তারা বলে, ‘হেযবুত তওহীদ নাকি পর্দার বিধান স্বীকার করে না এবং মনে করে নারী-পুরুষের পর্দার প্রয়োজন নেই।’ এধরনের নানা মিথ্যা কথা বলে তারা হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের কাছে অপপ্রচার করেছে।

তাদের এসব অপপ্রচারের জবাবে আমরা বলতে চাই, হেযবুত তওহীদ নারীদের পর্দার বিধান অস্বীকার করে না। এটি হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ বানোয়াট-ভিত্তিহীন একটি প্রোপাগান্ডা। পর্দা প্রত্যেকটা নর-নারীর জন্য ফরজ বা বাধ্যতামূলক। পর্দা ছাড়া কোন নারী-পুরুষ চলতে পারে না। আমরা বলেছি, পর্দার বিধান আল্লাহ ফরজ করেছেন নারী এবং পুরুষ উভয়ের জন্যই। তবে বাড়াবাড়ি নিষিদ্ধ। যেটা আল্লাহ বলেন নি, যেটা রসুল করেন নি সেটার উপর অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করতে আল্লাহই নিষেধ করেছেন। অতীতের উম্মাহ বাড়াবাড়ি করে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। তাই আমরা চাই, প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহর সহজ সরল বিধান অনুসরণ করতে।

কিন্তু আমরা দেখেছি নারীদের এই পর্দার বিধান নিয়ে ধর্মব্যবসায়ী একটি শ্রেণি অতিব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করে এটাকে জটিল-কঠিন, ভারসাম্যহীন করে তুলেছে। পর্দার নামে বাড়াবাড়ি করে নারীদের স্বাভাবিক বিচরণকে অবরুদ্ধ করা হয়েছে। আমাদের কথা হচ্ছে, কোরআনে আল্লাহ নারীদের পর্দার ব্যাপারে সুস্পষ্ট বিধান দিয়েছেন। সেখানে আল্লাহ এমনভাবে হিজাব করতে বলেছেন যাতে তাদের চেনা সহজ হয়। কোন নির্দিষ্ট পোশাক বা আপাদমস্তক কালো কাপড়ে আবৃত করে পর্দা করতে আল্লাহ নির্দেশ দেন নি। কিন্তু পরবর্তীতে অতি ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ ও বাড়াবাড়ি করে এই জিনিসগুলো যুক্ত করা হয়েছে। যদিও এব্যাপারে ইমামগণের মধ্যেও মতভেদ আছে। তাদের কেউ কেউ মনে করেন মুখ খোলা রেখে নারীরা পর্দা করা জায়েজ আছে, আবার কেউ মনে করেন মুখ খোলা রাখলে পর্দা লঙ্ঘন হবে। কাজেই আমাদের বক্তব্য হচ্ছে, আল্লাহ কোরআনে নারীদের পর্দার ব্যাপারে যতটুকু নির্দেশ দিয়েছেন ততটুকু অনুসরণ করাই আমাদের জন্য যথেষ্ট।

এ ব্যাপারে হেযবুত তওহীদের বক্তব্য জানতে-
১. এই বইটি পড়ুন
২. এই ভিডিওটি দেখুন

‘নবী দাবি’ সংক্রান্ত অপপ্রচার

কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে ক্ষেপিয়ে তোলার জন্য যে সমস্ত অপপ্রচার সবচেয়ে বেশি কার্যকর, তার মধ্যে অন্যতম হলো কারো বিরুদ্ধে নবী দাবির অপবাদ আরোপ করা। কারণ এটা সরাসরি মানুষের ধর্মীয় সেন্টিমেন্টে আঘাত করে। এই কাজটিই করেছে ধর্মব্যবসায়ী স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীটি। তারা হেযবুত তওহীদের ব্যাপারে এমন সব কথা ব্যবহার করেছে যা শুনলে সাধারণ মানুষকে উত্তেজিত করা সহজ হবে। তাই তারা হেযবুত তওহীদের প্রতিষ্ঠাতা এমাম জনাব মোহাম্মদ বায়জীদ খান পন্নীর ব্যাপারে বলেছেন, তিনি নাকি নিজেকে নবী দাবি করেছেন। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন কথা।

হেযবুত তওহীদের উপর একটি মিথ্যা অপবাদ। এই কথার কোন দলিল তারা দেখাতে পারবে না। হেযবুত তওহীদের কোন বই, বক্তব্য, পুস্তিকা কোথাও কেউ এটা বলতে পারবে না যে হেযবুত তওহীদের প্রতিষ্ঠাতা এমাম নিজেকে নবী দাবি করেছেন বা হেযবুত তওহীদের সদস্যরা তাঁর নবুয়তের দাবি করেছেন। বরং আমরা এটা দেখাতে পারবো যে, তিনি তার বক্তব্য, লেখায় বহু জায়গায় এটা বলেছেন যে, তিনি নবী নন, রসুল নন, অ্যাস্ট্রোলজার নন এমনকি পীর-ফকিরও নন। তিনি একজন সাধারণ মানুষ। তাহলে তারা কিভাবে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে এমন ডাহা মিথ্যাচার করতে পারেন! কাজেই আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, অপপ্রচারকারীদের কথায় বিভ্রান্ত হবেন না। হেযবুত তওহীদের বক্তব্য জানুন। আমাদের ব্যাপারে আমাদের কাছ থেকেই শুনুন। তাহলে সত্যনিষ্ঠ মানুষেরা মিথ্যাবাদীদের দ্বারা প্রতারিত হবেন না ইনশাল্লাহ।

এ ব্যাপারে হেযবুত তওহীদের বক্তব্য জানতে-
১. এই ভিডিওটি দেখুন
২. এই লেখাটি পড়ুন

‘কুফরি সংগঠন’ সংক্রান্ত অপপ্রচার

সাধারণ জনগণকে হেযবুত তওহীদ বিমুখ করার জন্য ধর্মব্যবসায়ী শ্রেণীটির বহুল ব্যবহৃত একটি মিথ্যা অপবাদ হলো, ‘হেযবুত তওহীদ ঈমানবিধ্বংসী কুফরি সংগঠন’। এই অপবাদ দিয়েই তারা সাধারণ মানুষকে হেযবুত তওহীদ সম্পর্কে বিভ্রান্ত করে। সাধারণ মানুষ যেন হেযবুত তওহীদের বক্তব্য না শোনে, তাই তারা বলে, আমাদের কথা শোনা যাবে না, তাতে ঈমান চলে যাবে। ধর্মব্যবসায়ীদের এসব মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আমাদের স্পষ্ট কথা হচ্ছে, ‘হেযবুত তওহীদ যদি কুফরি সংগঠনই হয় তাহলে আমাদের বক্তব্যকে টুইস্ট করে আপনাদের আলাদা হ্যান্ডবিল রচনা করার দরকার পড়ছে কেন? এত কষ্ট করে খণ্ড খণ্ড লাইন তুলে তুলে এনে হ্যান্ডবিল প্রচার করছেন কেন? আমাদের বই জনগণকে পড়তে দিন। পাড়ায়-পাড়ায়, মহল্লায়-মহল্লায়, স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়-মাদ্রাসায় সব জায়গায় মানুষকে পড়তে দিন। জনগণ পড়ুক, তারপর বইয়ে আন্ডারলাইন করুক। আমাদের ৫/১০ টাকা দামের ছোট ছোট পুস্তিকা থেকে শুরু করে ২০০ টাকা দামের বইও আছে। বাংলায় আছে, ইংরেজিতেও আছে। এই বইগুলো জনগণকে দিয়ে দিন।

বই জনগণের হাতে হাতে পৌঁছে দেওয়ার মত সামর্থ্য আপনাদের না থাকলে আমাদের বলেন, আমরা জমি বিক্রি করে হলেও সবার হাতে হাতে বই পৌঁছে দিব। আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট, জজ, পুলিশের এসপি, ডিসি, থানার দারোগা, ওসি, মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল, মুহতামিম হুজুর, মসজিদের খতিব, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট, মাদ্রাসার স্টুডেন্ট, পাঠক, ব্যবসায়ী সকলের সামনে আমাদের বই উন্মুক্ত করে দিন। এরপর আমাদের বইয়ে একটা শব্দ বা একটা লাইন যদি আল্লাহর বিরুদ্ধে, রসুলের বিরুদ্ধে, কোরআনের বিরুদ্ধে থাকে (নাউজুবিল্লাহি মিন জালিক) বা কোনো ঈমান বিধ্বংসী কথা থাকে, কেউ দেখাতে পারেন, আমরা ওপেন চ্যালেঞ্জ করছি, সেটার জন্য তওবা করবো।

আমাদের একেকটা বই শত শত পৃষ্ঠার। সেই পূর্ণাঙ্গ বই না পড়ে, ভিতর থেকে একটা লাইনের অর্ধেক টুকরা তুলে এনে আমাদের বিরুদ্ধে বলে যে, ‘এই দেখো, এই লোক ঈমান বিধ্বংসী কথা বলেছে!’ কতটা জঘন্য মিথ্যাচার! একটা লাইনের থেকে দুইটি মধ্যখানের শব্দ তুলে দিলে সে লাইনের বিপরীত অর্থ হয়ে যেতে পারে। অথচ সেই কাজটিই করছে ধর্মব্যবসায়ী গোষ্ঠীটি। আমরা বুঝতে পারছি তারা আমাদের কথাকে ভয় পাচ্ছেন, আমাদের বক্তব্যকে ভয় পাচ্ছেন, আতঙ্কিত হচ্ছেন। কিন্তু লাভ হবে না। জনগণকে বোকা ভাববেন না। জনগণ পড়তে জানে। তাদেরকে বেশিদিন বিভ্রান্ত করতে পারবেন না। কারণ আল্লাহ দেখছেন যে, হেযবুত তওহীদ জমিনের আল্লাহ দ্বীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করতে দাঁড়িয়েছে। হেযবুত তওহীদ জনগণের ঈমান নষ্ট নয়, রক্ষা করতে দাঁড়িয়েছে।

এ ব্যাপারে হেযবুত তওহীদের বক্তব্য জানতে-
১. এই ভিডিওটি দেখুন
২. এই বইটি পড়ুন

‘মহিলা ইমামের পিছনে নামাজ নিয়ে’ অপপ্রচারের জবাব

আদর্শিকভাবে হেযবুত তওহীদের কাছে পরাজিত হয়ে ধর্মব্যবসায়ী গোষ্ঠীটি কতটা আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছে তার নমুনা পাবেন এই অপপ্রচারে। ঘটনার সূত্রপাত ভারতের কেরালা রাজ্যের একজন মহিলা ইমামের নামাজের ইমামতি নিয়ে। ঘটনাটি যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত সংবাদপত্র ‘দ্য গার্ডিয়ানে’ প্রকাশিত হয়। এই ঘটনা প্রকাশের পর মুহূর্তেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই নারী ইমামের নামাজের ইমামতির ছবি ভাইরাল হয়ে যায়। ঘটনাটি ২০১৮ সালের হলেও বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। এতেই যেন হাতে পানি পায় আমাদের দেশি হুজুররা। তারা ভারতের সেই মহিলার ইমামের ছবি সুপার এডিট করে একজন মুসল্লির মাথা কেটে সেখানে হেযবুত তওহীদের এমামের মাথা বসিয়ে দেন। এরপর সেটা হেযবুত তওহীদের বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করতে শুরু করেন। স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষ তো আর ঘটনাটি যাচাই-বাছাই করতে যাবে না। তারা হুজুরের কথাকেই অন্ধভাবে বিশ্বাস করে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে এই অপপ্রচার দ্বারা প্রভাবিত হয়। এবং মনে করে হেযবুত তওহীদের এমাম মহিলা ইমামের পিছনে নামাজ পড়েছেন। যা একেবারেই নির্জলা মিথ্যাচার ও প্রোপাগান্ডা। এ ব্যাপারে Newschecker ফ্যাক্ট চেক করে রিপোর্টও করেছে যে ঘটনাটি বাংলাদেশেরই না।

এ ব্যাপারে হেযবুত তওহীদের বক্তব্য জানতে-
১. এই ভিডিওটি দেখুন
২. এই লেখাটি পড়ুন

‘হেযবুত তওহীদ আলেমদের বিরোধিতা করে’ অপপ্রচারের জবাব

সাধারণ মানুষকে বোকা বানাতে ধর্মব্যবসায়ী গোষ্ঠীটি হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে আরেকটি যে অপপ্রচার করে তা হলো, ‘হেযবুত তওহীদ নাকি আলেমদের বিরোধিতা করে’! যেহেতু সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষ আলেম-ওলামাদের ইসলামের ধারক-বাহক মনে করেন, তাই ‘আলেম-ওলামাদের বিরোধিতা করলে সেটা প্রকারান্তরে ইসলামেরই বিরোধিতা হয়’ এটা সাধারণ জনগণকে বোঝানো সহজ। তাই ধর্মব্যবসায়ী গোষ্ঠীটি হেযবুত তওহীদকে দমাতে না পেরে প্রোপাগান্ডা চালায় যে, হেযবুত তওহীদ নাকি আলেমদের বিরোধিতা করে।

এ ব্যাপারে আমাদের পরিষ্কার কথা হচ্ছে, হেযবুত তওহীদ কখনোই আলেমদের বিরোধিতা করে না। আমাদের বক্তব্যকে টুইস্ট করা হয়েছে। আমরা বলেছি আলেম দুই প্রকার: এক. হক্কানি আলেম, দুই. ধর্মব্যবসায়ী আলেম। যারা নিঃস্বার্থভাবে নিজেদের জীবন-সম্পদ দিয়ে এলেমকে কাজে লাগিয়ে দ্বীনের খেদমত করেন, তারা হলেন হক্কানি আলেম। তারা জ্ঞান অর্জন করেছেন মানুষের শান্তির জন্য, মানুষের মুক্তির জন্য। কোন স্বার্থ উদ্ধারের জন্য নয়। মানুষের ক্ষতি করার জন্য নয়। তারা হলেন সত্যনিষ্ঠ আলেম, ওরাসাতুল আম্বিয়া। সেই সত্যনিষ্ঠ আলেমদের আমরা সালাম জানাই, শ্রদ্ধা করি। আর যারা নিজেদের জ্ঞানকে স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার বানায়, ধর্মকে ব্যক্তিস্বার্থ-গোষ্ঠীস্বার্থে ব্যবহার করে, ধর্মের কাজের বিনিময়ে তুচ্ছমূল্য গ্রহণ করে, তারা হলেন ধর্মব্যবসায়ী আলেম। তাদের কাছে ধর্ম কেবলই ব্যবসার হাতিয়ার। আমরা সেসকল ধর্মব্যবসায়ী আলেমদের বিরুদ্ধে কথা বলেছি। ধর্মব্যবসার বিরুদ্ধে কথা বলেছি। কিন্তু আমাদের কথাকে টুইস্ট করে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালানো হয়েছে। কাজেই আমরা বলতে চাই, আমাদের ব্যাপারে করা এই অপপ্রচার সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। হেযবুত তওহীদ হক্কানি আলেমদের বিরোধিতা তো করেই না, বরং স্যালুট জানায় এবং দ্বীন প্রতিষ্ঠার এই সংগ্রামে আমাদের সাথে একাত্ম হতে আহ্বান জানায়।

এ ব্যাপারে হেযবুত তওহীদের বক্তব্য জানতে-
১. এই ভিডিওটি দেখুন
২. এই লেখাটি পড়ুন

মন্তব্য সমূহ (0)

বর্তমানে কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!

আপনার মতামত দিন

ক্যাটাগরি সমূহ
আকিদা ও আদর্শ 1 হামলা 0 আদর্শিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি 1628 লাইভ আপডেট 5 সেবামূলক ও সচেতনতা কার্যক্রম 8 অনুষ্ঠান ও কর্মসূচি 189 অপপ্রচারের জবাব ও আইনি লড়াই 103 নির্যাতনের ইতিহাস ও মানবাধিকার 19 কার্যক্রমের অনুমোদন ও বৈধতা 29 নিবন্ধ ও সম্পাদকীয় 122 English Articles 1 সাধারণ আলোচনা 89 প্রেস রিলিজ ও বিবৃতি 9 সাংস্কৃতিক নীতিমালা 25 সাংস্কৃতিক চর্চা 18 আমাদের নারী নীতি 31 নারী বিষয়ক কার্যক্রম 24 মসজিদভিত্তিক কার্যক্রম 15 ঈদের জামাত 13 উন্নয়ন কর্মকাণ্ড 20 সভা সমাবেশ 60 সর্বধর্মীয় অনুষ্ঠান 16 সংবাদ সম্মেলন ও স্মারকলিপি 45 জেলা ও কার্যালয় উদ্বোধন 32 ইফতার মাহফিল 26 প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও জাতীয় দিবস উদযাপন 6 ছাত্র ও যুব সম্মেলন 4