অনুবাদ
বল, “চাই আশ্রয় ঊষার রবের,
অনিষ্ট থেকে সব সৃষ্ট জীবের,
যখন ঘনায় রাত সেই লগনের,
যত অপকার থেকে ঘোর আঁধারের।
আর যারা গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দেয়,
যাদুকরী নারী পাপাচারী অতিশয়।
পানাহ চাই হিংসুটের আত্মা থেকে,
যখন সে হিংসায় মত্ত থাকে।”

সুরা অবলম্বনে প্রার্থনা
বলো তুমি হে রসুল, হাবীব আমার,
শ্রেষ্ঠ মানব তুমি সারা দুনিয়ার,
বল, “তোমার আশ্রয় চাহি হে দয়াময়,
যখন পূর্বাচল আলোকিত হয়,
প্রভু তুমি ঊষাকাল, প্রভাত বেলার,
মার্জনা করো প্রভু, আমি গোনাহগার,
দূর কোরে দাও মোর চারিপাশ হোতে,
অনিষ্ট, ক্ষতি যত আছে জগতে।

নিশার তিমিরে ঢাকে দিনের বেলা,
ছুটে আসে আঁধারের তীক্ষè ফলা,
কদর্য কুৎসিত পাপের ছায়া,
আলোহীন আত্মারা মিলায় কায়া,
তখন একটি শিখা অকূল পাথারে,
জ্বেলে রেখো দয়াময়, তুমি দয়া কোরে।
তোমার নিজের নূরে আলোকিত কোরে,
দেখাও সুপথ প্রভু এই অভাগারে।

তোমার পথের পরে কাঁটা ফেলে যারা,
ফুঁ দিয়ে নেভাতে চায় নূরের ফোয়ারা।
দিবানিশি কোরে যায় শুধু মন্ত্রণা,
সুপথের যাত্রীরে দেয় যন্ত্রণা,
সেই সব পাপীদের হোক অবসান,
তাদের ফেৎনা হোতে করো পরিত্রাণ।
ব্যর্থ কোরতে চায় তোমার অভিপ্রায়,
তাদের দৃষ্টি হোতে দিও আশ্রয়।

আরো যত আছে বদ কলুষিত প্রাণ,
হিংসার দাবানলে জ্বলে দিনমান,
জিভের ডগায় বাস করে এবলিস,
অকলুষ মনে ঢালে মিথ্যার বিষ,
তোমার হুকুমে তারা হোক বরবাদ,
ভেঙে যাক সব জালেমের বিষদাঁত।
হিংসার সুরাপানে তারা উন্মাদ,
শাররে হাসেদীন ইযা হাসাদ।

অনুবাদ ও দোয়া: মোহাম্মদ রিয়াদুল হাসান