রাজধানীর মগবাজার এলাকায় হেযবুত তওহীদের সদস্যদের ওপর সম্পূর্ণ বিনা উস্কানিতে ও পরিকল্পিতভাবে অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যায় পেয়ারাবাগ রেললাইনের পাশের এলাকায় সংঘটিত এ হামলায় সংগঠনের অন্তত ৮–১০ জন সদস্য আহত হন। এর মধ্যে পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে হেযবুত তওহীদ মতিঝিল শাখার সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম এবং সদস্য সজিব খান ও ইয়াসিন বর্তমানে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া গুরুতর আহতদের মধ্যে রয়েছেন খান রাশেদ, মোয়াজ্জেম হোসেন, মাহবুব হোসেন ও মাহবুবুর রহমান।এসময় সন্ত্রাসীরা একটি প্রজেক্টর, সাউন্ড সিস্টেম,মোবাইল ও নগদ ৫০ হাজার টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সন্ধ্যার দিকে হেযবুত তওহীদের কয়েকজন সদস্য পেয়ারাবাগ এলাকায় হেযবুত তওহীদের ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম–এর বক্তব্য প্রদর্শন করছিলেন। সে সময় সেখানে ১০–১২ জন সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। হঠাৎ আল হিকমা ইসলামী মাদরাসার শিক্ষক নোমান,মাদরাসা ছাত্র চয়ন সহ কতিপয় ধর্মব্যবসায়ী মৌলভী উস্কানি দিয়ে একটি মব সৃষ্টি করে। এরপর ধর্মান্ধ একদল ব্যক্তি লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়।
হেযবুত তওহীদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সংগঠনটি একটি শান্তিপ্রিয় ও আইনানুগ কার্যক্রম পরিচালনাকারী সংগঠন। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ প্রচার কার্যক্রমে এ ধরনের বর্বর হামলা চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন। এ হামলার মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে ভয়ভীতি সৃষ্টি ও সংগঠনের প্রচার কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে।
এমতাবস্থায়, হেযবুত তওহীদ রাজধানীর সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, হামলাকারী ও উস্কানিদাতাদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছে।