হারাম সুদই আজ অর্থনীতির ভিত্তি

রিয়াদুল হাসান:

সুদ শব্দটি অপবিত্র একটি শব্দ হিসাবে সতর্কতার সাথে কথাবার্তার ক্ষেত্রে এড়িয়ে যাওয়া হয়। আগে বলা হত সুদকষার অংক, এখন বলা হয় লাভ-ক্ষতির অংক। আগে বলা হত সুদ, এখন বলা হয় ইন্টারেস্ট, মুনাফা ইত্যাদি। নতুন বোতলে পুরোনো মদ।

আল্লাহ কেন সুদ হারাম করলেন এর বিরুদ্ধেও নানারকম যুক্তি দেখানো হয়। এই যুগে সুদের লেনদেন এড়ানোর উপায় নেই, তাই কোনোভাবে একে হালাল বানিয়ে নিলে মনে একটা সান্তনা পাওয়া যায়, আর সুদি মহাজন বা ইসলামী মার্কাওয়ালা ব্যাংকের গ্রাহক বৃদ্ধি পায়। তবে সুদকে আল্লাহ অনর্থক হারাম করেননি। সুদ ধনীকে আরো ধনী করে, গরিবকে আরো গরিব করে। সুদভিত্তিক অর্থব্যবস্থার ভয়ঙ্কর কুফল এই যে, এটা জাতির সমুদয় সম্পদকে জড়ো করে এক জায়গায় স্তূপীকৃত করে রাখে, আর বিশাল এলাকায় শূন্যতা সৃষ্টি করে, অর্থাৎ বিভিন্ন কায়দায় সুদের মাধ্যমে অর্থ গুটিকয় লোকের হাতে পুঞ্জিভূত হয় আর অধিকাংশ জনতা বঞ্চিত হয়। আজকের এই ধনতান্ত্রিক পুঁজিবাদী ব্যবস্থাটি সুদি মহাজনদের একটা পূর্ণাঙ্গরূপে বিকশিত ব্যবস্থা। এই অর্থব্যবস্থায় গুটিকয় পুঁজিপতি রাষ্ট্রের সিংহভাগ অর্থ-সম্পত্তি দখল করে রাখার ফলে তারা আজ জঘন্য বিলাসিতায় ডুবে আছে অথচ সাধারণ জনগণের বিরাট অংশ আজ তাদের মৌলিক চাহিদাটুকুও পূরণ করতে না পেরে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এই ব্যবস্থা যদি ১০ জন ব্যক্তির মধ্যে প্রতিষ্ঠা করা হয়, তাহলে এই অর্থনৈতিক অবিচার সৃষ্টি হবে, যদি একটি দেশে প্রতিষ্ঠা হয় সেই দেশেও কিছু লোক ধনকুবেরে পরিণত হবে, আর অধিকাংশ লোক শোষিত হবে। এই ব্যবস্থা যদি আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিষ্ঠা করা হয়, কিছু রাষ্ট্র দুনিয়ার তাবত সম্পদের মালিকানা পেয়ে যাবে, আর বাকি দুনিয়া তাদের দিকে ভি¶ার হাত বাড়িয়ে থাকবে। আজ ঠিক তাই ঘটেছে। উন্নত বিশ্বের একেকজন ধনকুবেরের ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণ অনেক রাষ্ট্রের সমুদয় সম্পদের চেয়েও বেশি। বলা হয় মানুষ এখন সভ্যতার চরম শিখরে অবস্থান করছে। অথচ পরিসংখ্যান বলে প্রায় ১ বিলিয়ন মানুষ প্রতিদিন না খেয়ে থাকছে। ইতিহাসে কোনদিন এমন অর্থনৈতিক শোষণ ও ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি হয় নি। এই অবস্থা যেন না সৃষ্টি হয় সেজন্যই আল্লাহ সুদকে হারাম করেছেন।

মানুষের অর্থনীতির সঙ্গে লোক সংখ্যার ঘনিষ্ঠ সম্বন্ধ রয়েছে, যেমন রয়েছে অর্থনীতির সঙ্গে রাজনীতির সম্বন্ধ। সবগুলিই অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত এবং একটা অপরটার উপর নির্ভরশীল। এর কোনটারই একক কোন সমাধান সম্ভব নয়। ইসলামের বেলাতেও তাই; এবং যেহেতু এটা সমস্ত পৃথিবী এবং সম্পূর্ণ মানবজাতির জন্য এসেছে, তাই এর সমস্ত বিধান, সমস্ত সমাধানেরই পটভূমি গোটা পৃথিবী। কোন সীমিত পরিধির মধ্যে এর প্রয়োগ সম্পূর্ণভাবে ফলদায়ক হবে না। শুধু আংশিক ভাবে হবে। উদাহরণস্বরূপ যদি কোন ভৌগোলিক রাষ্ট্রে (Nation State) এর শুধু অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রয়োগ ও প্রতিষ্ঠা করা হয় তবে ঐ রাষ্ট্রে প্রভূত অর্থনৈতিক উন্নতি হবে সম্পদের যথেষ্ট সুষম বণ্টন হবে। কিন্তু পৃথিবীর সমস্ত প্রকার বিভক্তি মিটিয়ে দিয়ে সমস্ত মানব জাতিকে এক মহা জাতিতে পরিণত করে দিলে যতখানি উন্নতি হবে, যত সুষম সম্পদ বণ্টন হয়ে সমস্ত বৈষম্য মিটে যাবে তেমন হবে না। এইজন্য শেষ ইসলামে সম্পদ কোথাও পুঞ্জীভূত করা যেমন নিষিদ্ধ তেমনি নিষিদ্ধ পৃথিবীর বুকের উপর কাল্পনিক দাগ টেনে টেনে এক মানব জাতিকে বহু ভৌগোলিক রাষ্ট্রে বিভক্ত করে কোথাও অতিরিক্ত জনসংখ্যার জন্য শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থার সৃষ্টি করা, আর কোথাও জনবিরল করে রাখা। স্রষ্টার দেয়া বিধান অস্বীকার করে আজ পৃথিবীময় দু’টোই করা হচ্ছে এবং তার পরিণামে কোন ভৌগোলিক রাষ্ট্র অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপে চরম দারিদ্র্যে নিস্পেষিত হচ্ছে আর কোন ভৌগোলিক রাষ্ট্র অতি অল্প জনসংখ্যা এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সমৃদ্ধ বিরাট রাষ্ট্রে বিপুল সম্পদের মধ্যে মহানন্দে বাস করছে। অর্থাৎ পৃথিবীর সম্পদের সুষম-বণ্টন হচ্ছে না। এই মহা-অন্যায় রোধ করার জন্য আল্লাহ যে বিধান মানুষকে দিয়েছেন সেটার অর্থনৈতিক নীতি যেমন সম্পদকে কোথাও একত্রিভূত না করে সেটাকে অবিশ্রান্তুভাবে সমস্ত পৃথিবীময় ঘূর্ণায়মান রাখা (Fast circulating) তেমনি রাজনৈতিক নীতি হচ্ছে জনসংখ্যা বেড়ে যেয়ে মানুষ যেন কোথাও পুঞ্জীভূত না হয় সেজন্য ভৌগোলিক ও জাতীয় সর্বপ্রকার বিভাজন নিষিদ্ধ করা। এক বালতি পানি মাটিতে (পৃথিবীতে) ঢেলে দিলে ঐ পানি চারদিকে ছড়িয়ে যাবে এবং স্বাভাবিক নিয়মেই যেখানে গর্ত (দারিদ্র) থাকবে সেটা ভরে দেবে, যেখানে উঁচু (সমৃদ্ধি) থাকবে সেখানে যাবে না এবং ঐ পানি নিজে থেকেই তার সমতল খুঁজে নেবে। ঐ বালতির পানিকে জনসংখ্যা ও সম্পদ বলে ধরে নিলেই শেষ ইসলামের অর্থনৈতিক ও জনসংখ্যার ব্যাপারে নীতি পরিষ্কার বোঝা যাবে। যতদিন মানুষ আল্লাহর দেয়া অর্থনৈতিক নীতি গ্রহণ ও প্রয়োগ না করবে ততদিন দারিদ্র ও প্রাচুর্যের ব্যবধান ঘুচবে না, আর যতদিন মানুষ ‘এক জাতি’- এই নীতি গ্রহণ করে সমস্ত ভৌগোলিক সীমান্ত মিটিয়ে না দেবে ততদিন পৃথিবীতে জাতিতে জাতিতে সংঘর্ষ-যুদ্ধ ও রক্তপাত (ফাসাদ ও সাফাকুদ্দিমা) বন্ধ হয়ে শান্তিু (ইসলাম) আসবে না। এই হচ্ছে কঠিন সত্য।

কোর’আন ও হাদিসে সুদ

আসুন আমরা পবিত্র কোরআন থেকে সুদ সম্পর্কিত আল্লাহর নির্দেশটি জেনে নেই। আল্লাহর কোর’আনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো এতে আল্লাহ যে কোন বিষয় হারাম করলে সে বিষয়ে যুক্তিসমূহও বর্ণনা করেছেন। সুদ হারাম করার বিষয়টিও এমন। আল্লাহ বলেন:

(১) যারা সুদ খায় তারা সেই ব্যক্তিরই ন্যায় দাঁড়াবে যাকে শয়তান স্পর্শ দ্বারা পাগল করে। এ জন্য যে, তারা বলে, ‘ক্রয় বিক্রয় তো সুদের মত।’ অথচ আল্লাহ ক্রয়-বিক্রয়কে হালাল ও সুদকে হারাম করেছেন। যার নিকট তার প্রতিপালকের উপদেশ এসেছে, তবে অতীতে যা হয়েছে তা তারই; এবং তার ব্যাপার আল্লাহর ইখতিয়ারে। আর যারা পুনরায় আরম্ভ করবে তারাই অগ্নি অধিবাসী, সেখানে তারা স্থায়ী হবে। (সুরা বাকারা- ২৭৫)।
(২) আল্লাহ সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন এবং দানকে বর্ধিত করেন। আল্লাহ কোন অকৃতজ্ঞ পাপীকে ভালবাসেন না (বাকারা- ২৭৬)।
(৩) হে মো’মেনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সুদের বকেয়া যা আছে তা ছেড়ে দাও যদি তোমরা মো’মেন হও (সুরা বাকারা- ২৭৮)।
(৪) যদি তোমরা না ছাড় তবে আল্লাহ ও তাঁহার রসুলের সাথে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হও। কিন্তু যদি তোমরা তওবা কর তবে তোমাদের মূলধন তোমাদেরই। এতে তোমরা অন্যায়, জুলুম করবে না এবং নিজেরাও অন্যায়ের শিকার হবে না (সুরা বাকারা- ২৭৯)।

পবিত্র কোর’আনের নির্দেশনার আলোকে রসুলাল্লাহ লানত করেছেন যে সুদ খায় তার প্রতি, যে সুদ দেয় তার প্রতি, যে সুদের দলিল লেখে তার প্রতি, যে দুইজন সুদের সাক্ষী হয় তার প্রতি। রসুলাল্লাহ এও বলেছেন যে, তারা সকলেই সমান [জাবের রাঃ থেকে মুসলিম, মেশকাত]।

মেরাজের রাত্রে রসুলাল্লাহ (সা.) কতগুলো লোককে দেখেন যে, তাদের পেট বড় বড় ঘরের মত। তিনি জিজ্ঞেস করেন: এই লোকগুলো কারা? বলা হয়- এরা সুদখোর।’ রসুলাল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: যখন আমি লাল রং বিশিষ্ট একটি নদীতে পৌঁছি যার পানি রক্তের মত লাল ছিল, তখন আমি দেখি যে, কয়েকটি লোক অতি কষ্টে নদীর তীরে আসছে। কিন্তু তীরে একজন মালায়েক অনেক পাথর জমা করে বসে আছেন এবং তাদের মুখ ফেড়ে এক একটি পাথর ভরে দিচ্ছেন। তারপর লোকগুলো দূরে সরে যাচ্ছে। অতঃপর পুনরায় এই রূপই হচ্ছে। আমি জিজ্ঞেস করে জানতে পারি যে, তারা সুদখোরের দল। তাদের এই শাস্তির কারণ এই যে, তারা বলতো সুদ ব্যবসায়ের মতই। তাদের এই প্রতিবাদ ছিল শরিয়তের ওপর এবং আল্লাহ তা’আলার নির্দেশের ওপর। তারা সুদকে ক্রয় বিক্রয়ের মত হালাল মনে করতো (বোখারি)।

তারপর বলা হচ্ছে- আল্লাহ তা’আলার উপদেশ শ্রবণের পর যে ব্যক্তি সুদ গ্রহণ হতে বিরত থাকে তার পূর্বের সব পাপ মার্জনা করে দেয়া হবে। যেমন অন্য আয়াতে আল্লাহ তা’আলা বলেন, অর্থাৎ সে পূর্বে যা করেছে আল্লাহ তা ক্ষমা করেছেন (সুরা আল মায়েদা ৯৫)।

অতঃপর আল্লাহ তা’আলা বলেন- ‘সুদের নিষিদ্ধতা তার কর্ণকুহরে প্রবেশ করার পরেও যদি সে সুদ গ্রহণ পরিত্যাগ না করে তবে সে শাস্তি পাওয়ার যোগ্য। চিরকাল সে জাহান্নামে অবস্থান করবে।’ এই আয়াতটি অবতীর্ণ হলে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেন: ‘যে ব্যক্তি এখন সুদ পরিত্যাগ করলো না, সে যেন আল্লাহ ও তাঁর রসুলের (সাঃ) সাথে যুদ্ধ করার জন্য প্রস্তুত হয়ে যায়। হে জনমণ্ডলী! তোমরা সুদ গ্রহণ পরিত্যাগ কর এবং প্রত্যেকে ঐ জিনিস পরিত্যাগ কর যার মধ্যে সামান্যতম সন্দেহ রয়েছে (মুসনাদ-ই-আহমাদ)।

এখন কথা হলো, আমরা বর্তমানে যে ধর্মটি পালন করে যাচ্ছি তা ব্যক্তিগত ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা ও উপাসনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। পক্ষান্তরে সুদ বর্তমানে রাষ্ট্রীয়ভাবে, আন্তর্জাতিকভাবে প্রচিলিত ও বৈধ; কেবল বৈধই নয়, ইচ্ছায় হোক অনিচ্ছায় হোক সুদের সঙ্গে জড়িত না হয়ে কারও কোন উপায় নেই। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, পানির ট্যাংকে যদি দুষিত পানি থাকে, তাহলে সেই দুষিত পানির সরবরাহ আপনার ঘরেও আসবে। আপনি যে রাস্তা দিয়ে হাঁটছেন, যে গাড়িতে চড়ছেন সেখানে সুদ মিশে আছে, যে পোশাক পরছেন তার মূল্য পরিশোধের সময় গার্মেন্টস মালিকের সুদের ভাগিদার আপনিও হয়েছেন, বিভিন্ন সরকারি বিল দিতে গিয়ে শতকরা হারে সুদ না দিয়ে কি পারছেন? এজন্যই ছোট বেলায় আমাদেরকে শেখানো হয়েছে সুদের অঙ্ক। যারা মাদ্রাসায় পড়াশুনা করে নিজেদেরকে ইসলামের ধ্বজাধারী বলে ভাবছেন, তারাও সুদ-আসল না শিখে আলেম হতে পারেন না। যাকাতসহ ইসলামের অর্থনৈতিক নানাবিধ খাতের হিসাব নিকাশ আমাদের কাছে অপরিচিত। কারণ অর্থনীতি একটি সামষ্টিক ব্যবস্থা। জাতীয়ভাবে যদি ইসলামের বিধান না থাকে ব্যক্তিগতভাবে সেগুলি মানা সম্ভব নয়। অথচ ইসলামের মূলবাণী তওহীদে আমরা আল্লাহর সঙ্গে অঙ্গীকারাবদ্ধ যে, আমরা আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে হুকুমদাতা, ইলাহ হিসাবে মানবো না। এই অঙ্গীকার জীবনের ব্যক্তি ও সমষ্টিগত সর্ব অঙ্গনের জন্য প্রযোজ্য। আমাদের ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয়, বিচার-ব্যবস্থা, দণ্ডবিধি, অর্থনীতি, শিক্ষা, প্রশাসন অর্থাৎ জীবনের সর্বস্তরে যেখানে আল্লাহর ও তাঁর রসুলের কোন বক্তব্য আছে সেখানে আর কারও কোন বক্তব্য গ্রহণ কোরব না, এটাই হচ্ছে তওহীদের ভাষ্য। এর যে কোন একটি স্থানে আল্লাহর হুকুমকে প্রত্যাখ্যান করে মানুষের তৈরি কোন বিধানকে গ্রহণ করে নিলে সেটাই হচ্ছে আল্লাহর সঙ্গে অংশীবাদ বা শেরক করা হলো, আল্লাহর পাশাপাশি অন্য একজন ইলাহ বা বিধাতাকে মেনে নেওয়া হলো। যারা এটা মেনে নেয় তারা মোশরেক এবং কাফের হয়ে যায়, তাদের অন্যান্য সব আমলের, নামাজ, রোযা, হজ্ব, যাকাতের আর কোন অর্থ থাকে না, কোন তাকওয়ার অর্থ থাকে না।

সুতরাং জীবন থেকে সুদকে পরিহার করতে হোলে আমাদের জাতীয় জীবনে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার কোন বিকল্প নেই। নতুবা ওয়াজ-নসিহত, ঘৃণার চোখে দেখা, সামাজিকভাবে বয়কট করা ইত্যাদি কোনভাবেই সুদ থেকে নিস্তার পাওয়া যাবে না। আল্লাহর রসুল (সা.) বলে গেছেন, “এমন একটা সময় আসবে যখন সুদ সর্বব্যাপী হবে যে একটি লোকও সুদ খাওয়া থেকে রক্ষা পাবে না। কেউ সুদকে এড়িয়ে চলতে চাইলেও সুদের ধূলা বা ধোঁয়া উড়ে এসে তাকে স্পর্শ করবে (আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, আবু দাউদ, মেশকাত)।”

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ