মানবতন্ত্র বাদ দিয়ে আল্লাহর বিধান মেনে নিন : সরকার ও সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি হেযবুত তওহীদ

শাহাদৎ হোসেন:
চলমান চরম অস্থিতিশীল পরিস্থিতি, ধ্বংসাত্মক রাজনৈতিক অরাজকতা ও অর্থনৈতিক সংকট নিরসনে ব্যর্থ মানবরচিত ব্যবস্থা পরিহারের আহ্বান জানিয়েছে হেযবুত তওহীদ। এ সময় মানবরচিত জীবন ব্যবস্থার পরিবর্তে আল্লাহর দেওয়া সত্যদীন প্রতিষ্ঠার জন্য সরকার ও সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানান হেযবুত তওহীদের এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) দিনব্যাপি কুষ্টিয়ায় আয়োজিত ‘দীন প্রতিষ্ঠায় জাতীয় ঐক্যের আহ্বান’ শীর্ষক দিনব্যাপী এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানানো হয়।

এর আগে শীতের সকালের তীব্র কুয়াশা উপেক্ষা করে কুষ্টিয়া ও এর আশেপাশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে সমবেত হতে থাকেন হাজারো নেতাকর্মী ও ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষ। সকাল গড়াতেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে বিশাল সভাস্থল। এ সময় আগত জনতার কণ্ঠে- ‘কুষ্টিয়ার মাটি, হেযবুত তওহীদের ঘাঁটি’, ‘বিপ্লব বিপ্লব, মুক্তির বিপ্লব’, ‘এক জাতি একদেশ, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ’ -স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। চারদিকে তৈরি হয় এক উৎসবমুখর ও ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশ।

সকাল সাড়ে ৯টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের গম্ভীর সুরের মূর্ছনায় অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটে। দেশের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিদের সারগর্ভ ও যুক্তিপূর্ণ আলোচনার মধ্য দিয়ে বেলা ১২টা পর্যন্ত চলে প্রথম অধিবেশন।

দিনব্যাপী এই বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হেযবুত তওহীদের সর্বোচ্চ নেতা এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম। দ্বিতীয় অধিবেশনে পিনপতন নীরবতার মধ্যে হাজারো জনতার উদ্দেশ্যে তিনি তাঁর দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি দেশের বর্তমান সংকট ও অরাজকতার জন্য মানবরচিত ‘সিস্টেম’ বা জীবনব্যবস্থাকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, প্রচলিত ব্যবস্থা মানুষকে শান্তি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। তাই সরকার ও সকল রাজনৈতিক দলের উচিত মানবতন্ত্র বাদ দিয়ে আল্লাহর বিধান মেনে নেওয়া। তিনি চলমান এই দুঃসহ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে মানুষ আল্লাহর দেওয়া জীবনব্যবস্থা চায় কি না, সেই প্রশ্নে গণভোটের আয়োজনের দাবি জানান।

এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম যখন প্রচলিত ব্যবস্থার অসারতা তুলে ধরে সত্যদীন প্রতিষ্ঠার উদাত্ত আহ্বান জানান, তখন পুরো সভাস্থল জুড়ে এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা হয়। উপস্থিত জনতা কখনও মুহুর্মুহু করতালিতে, আবার কখনও তওহীদের দীপ্ত স্লোগানে- ‘তোমার নেতা, আমার নেতা, বিশ্ব নেতা মাননীয় এমাম’, ‘শুনে নাও ইন্টেরিম, আমরা চাই আল্লার দীন’, ‘দিকে দিকে খবর দে, মানবতন্ত্র কবর দে’ -প্রধান অতিথির বক্তব্যের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানান। এ সময় হাজারো মানুষ দুই হাত তুলে আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠায় নিজেদের জীবন ও সম্পদ উৎসর্গ করার দীপ্ত অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন, যা পুরো অনুষ্ঠানে এক নতুন মাত্রা যোগ করে।

প্রথম অধিবেশনে হেযবুত তওহীদের খুলনা বিভাগের আমির ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তানভীর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- হেযবুত তওহীদের প্রধান উপদেষ্টা খাদিজা খাতুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা বিভাগের আমির ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় নারী বিভাগের সম্পাদক রুফায়দাহ পন্নী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় তথ্য সম্পাদক এস এম সামসুল হুদা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় সাহিত্য-বিভাগের সম্পাদক রিয়াদুল হাসান, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক উম্মত তিজান মাখদুমা পন্নী এবং নারী ও শিশু স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক সুলতানা রাজিয়া কণিকা।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় আমির শফিকুল আলম উখবাহ, কেন্দ্রীয় শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, রাজশাহী অঞ্চলের আঞ্চলিক আমির আশেক মাহমুদ, রংপুর বিভাগের বিভাগীয় আমির আব্দুল কুদ্দুস শামীম, কুষ্টিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক আমির মো. জসেব উদ্দীন, কুষ্টিয়া জেলা সভাপতি মো. আক্কাস আলী, ভেড়ামারা থানা সভাপতি মিজানুর রহমান মজনু, মেহেরপুর জেলা সভাপতি শাহারুল ইসলাম, খুলনা বিভাগীয় নারী সম্পাদক জেরিন সাইয়ারা, পাবনা জেলা সভাপতি মাহাতাব উদ্দিন প্রমুখ।

হেযবুত তওহীদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক বজ্রশক্তি পত্রিকার সম্পাদক এস এম সামসুল হুদা বলেন, “বর্তমান সমাজের চিত্র কোনোভাবেই মুসলমানের সমাজের সঙ্গে মেলে না। আজ ৬ মাসের শিশু ধর্ষিত হচ্ছে, মসজিদ-মাদ্রাসায় বলাৎকার, চুরি-ডাকাতি ও দুর্নীতিতে দেশ ছেয়ে গেছে। এই অন্ধকারাচ্ছন্ন সমাজকে আলোকিত করতে হলে মানবতন্ত্র ও অপরাজনীতি বাদ দিয়ে আল্লাহর বিধান ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আমাদের দাবি একটাই- আমরা মানুষের বিধান চাই না, আল্লাহর বিধানের শাসন চাই।”

ঢাকা বিভাগীয় সভাপতি ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ বলেন, “কেবল ওয়াজ-মাহফিল বা নসিহত করে সমাজ থেকে অপরাধ দূর করা সম্ভব নয়। অপরাধ নির্মূলের একমাত্র পথ আল্লাহর বিধান গ্রহণ করা। নিজেদের সংশোধন করে আল্লাহর পথে না ফেরা পর্যন্ত ভিন্ন কোনো পথে মুক্তি মিলবে না।”

বরিশাল বিভাগীয় সভাপতি শফিকুল আলম উখবা দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, “আমরা হেযবুত তওহীদ শপথ নিয়েছি যে, বিশ্বব্যাপী আল্লাহর সত্যদীন প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম থামবে না। জীবন ও সম্পদ দিয়ে হলেও এই দীন প্রতিষ্ঠায় আমরা অবিচল থাকব।”

রংপুর বিভাগীয় সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস শামীম বলেন, “শান্তির পূর্বশর্তই হলো আল্লাহর দীন। মানবরচিত দীন ত্যাগ করে জাতীয় জীবনে আল্লাহর বিধান গ্রহণ না করা পর্যন্ত মানুষের ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তি মিলবে না।”

প্রথম অধিবেশন শেষে জুমার সালাহ ও দুপুরের খাবারের বিরতি দেওয়া হয়। বিরতি শেষে দ্বিতীয় অধিবেশনের শুরুতে মাটি সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর আয়োজনে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। এতে জাগরণী সংগীত ও হামদ-নাত পরিবেশন করেন মাটির নিয়মিত শিল্পী শাহিন আলম ও পাগড়ি সাকিব। দুপুর ২টায় শুরু হয় অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ- দ্বিতীয় অধিবেশন।

দ্বিতীয় অধিবেশনের সূচনা বক্তব্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা পেশ করেন অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হেযবুত তওহীদের সাধারণ সম্পাদক মো. নিজাম উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী বিভাগের আমির মো. মশিউর রহমান, হেযবুত তওহীদের কেন্দ্রীয় নারী বিভাগের সম্পাদক রুফায়দাহ পন্নী।

হেযবুত তওহীদের সাধারণ সম্পাদক মো. নিজাম উদ্দিন তাঁর বক্তব্যে মোমেনের প্রকৃত সংজ্ঞা তুলে ধরে বলেন, “একজন প্রকৃত মোমেনের শিক্ষা হলো- বেঁচে থাকার জন্য যতটুকু খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ও চিকিৎসার প্রয়োজন, তার বাইরে আল্লাহ যা দিয়েছেন, তার সবই আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠার কাজে ব্যয় করা। আমাদের এমামুয্যামান তাঁর সমস্ত সম্পদ মানবতার কল্যাণে ও দীন প্রতিষ্ঠার জন্য দান করে আমাদের এই শিক্ষাই দিয়ে গেছেন। আমরা যদি প্রকৃত মোমেন হতে পারি এবং আমাদের জীবন ও সম্পদ আল্লাহর রাস্তায় কোরবানি করতে পারি, তবে আল্লাহ তাঁর ওয়াদা অনুযায়ী দীনকে অবশ্যই বিজয়ী করবেন। আমরা এই গ্যারান্টি দিচ্ছি যে, তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম হলে জাতির একটি মানুষও না খেয়ে থাকবে না।”

রাজশাহী বিভাগীয় আমির মো. মশিউর রহমান বলেন, “চৌদ্দশ বছর আগে উম্মতে মোহাম্মদীর সদস্যরা ছিলেন মৃত্যুভয়হীন দুর্র্ধষ যোদ্ধা। তাঁরা সকাল-সন্ধ্যা আল্লাহর কাছে শাহাদাতের মৃত্যু কামনা করতেন। তাঁদের কাছে দুনিয়ার বিলাসিতা নয়, বরং একমুঠো ভাত আর লজ্জাস্থান ঢাকার মতো কাপড়ই যথেষ্ট ছিল। সেই যুগের মায়েরা তাঁদের সন্তানদের হাসিমুখে যুদ্ধের ময়দানে পাঠাতেন। আজ হেযবুত তওহীদের মায়েদেরও তাঁদের সন্তানদের সেই ত্যাগের শিক্ষা দিতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “বিদ্যমান রাষ্ট্রব্যবস্থা আজ ব্যর্থ। আমরা এই ব্যর্থ ব্যবস্থার অধীনে রাজনৈতিক সহিংসতায় বা রোগে-শোকে ভুগে সাধারণ মৃত্যু চাই না; আমরা চাই শহীদি মৃত্যু। আমাদের লক্ষ্য স্থির- হয় আমরা আল্লাহর জমিনে তাঁর দীন প্রতিষ্ঠা করব, নয়তো সেই সংগ্রামে শহীদ হয়ে আল্লাহর কাছে ফিরে যাব।”

হেযবুত তওহীদের কেন্দ্রীয় নারী বিভাগের সম্পাদক রুফায়দাহ পন্নী তাঁর বক্তব্যে নারীর বর্তমান অবস্থা ও প্রকৃত ইসলামের শিক্ষার পার্থক্য তুলে ধরে বলেন, “রসুল (সা.) নারীদের যে অধিকার, মর্যাদা ও সম্মান দিয়েছিলেন, আজ তা ভুলুণ্ঠিত। অত্যন্ত দুঃখজনক যে, একজন নামাজি ভাইও তার বোনকে প্রাপ্য সম্পদ থেকে বঞ্চিত করে।” তিনি আরও বলেন, “আজ নারীদের জুমার নামাজ, ঈদের জামাত, এমনকি জানাজা থেকেও দূরে রাখা হচ্ছে। তথাকথিত ফতোয়া দিয়ে তাদের গৃহবন্দী করে রাখা হচ্ছে। নারীরা আজ পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি বৈষম্যের শিকার। বোরখা বা পর্দা করার পরও নারীরা কোথাও নিরাপদ নয়। এর মূল কারণ হলো একদিকে বিকৃত ইসলামের চর্চা এবং অন্যদিকে পাশ্চাত্যের অপসংস্কৃতি। আমরা এমন একটি তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রস্তাব করছি, যেখানে রসুল (সা.)-এর যুগের মতো নারীদের অধিকার ও সম্মান সুনিশ্চিত হবে।”

সভাপতির বক্তব্যে খুলনা বিভাগীয় সভাপতি তানভীর আহমেদ বলেন, “আমাদের এখন প্রধান দায়িত্ব হলো গ্রামে-গঞ্জে প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া। আজ সমাজে যে ইসলাম প্রচলিত, তা আল্লাহ ও তাঁর রসুলের (সা.) রেখে যাওয়া প্রকৃত ইসলাম নয়, বরং এটি ধর্মব্যবসায়ীদের স্বার্থরক্ষায় তৈরি করা ইসলাম। এ কারণেই প্রচলিত ইসলাম দিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা হচ্ছে না। হারিয়ে যাওয়া সেই সত্যদীন মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।”

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে তৈরি হয় এক আবেগঘন মুহূর্ত। হাজারো মানুষ মুষ্টিবদ্ধ হাত উঁচিয়ে সমস্বরে বজ্রকঠিন শপথ গ্রহণ করেন- ‘আমরা মানুষের তৈরি বিধান মানব না, মানুষের দাসত্ব আর করব না; আমরা একমাত্র আল্লাহর বিধান মানব এবং তাঁরই দাসত্ব করব।’ এ সময় স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পরিবেশ- ‘অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান, দিতে পারে ইসলাম’, ‘তোমার আমার কালেমা, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’। উপস্থিত জনতা পাড়া-মহল্লা, মসজিদ-মাদ্রাসা, খানকা, অফিস-আদালত এবং হাট-বাজারে আল্লাহর সার্বভৌমত্বের এই বিপ্লবী বার্তা পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয় ঘোষণা করেন।

সূর্যাস্তের রক্তিম আভার মতোই এক বিপ্লবী চেতনার স্ফুরণ ঘটিয়ে সমাপ্ত হয় দিনব্যাপী এই ঐতিহাসিক মহাসমাবেশ। অনুষ্ঠানের শেষলগ্নে ‘জান্নাতের ঠিকানা, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’সহ বিভিন্ন স্লোগানে মুখরিত হয় আকাশ-বাতাস। এরপর দেশ ও জাতির চরম সংকটকাল থেকে মুক্তি এবং বিশ্ববাসীর কল্যাণ কামনায় মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। আবেগঘন এই মোনাজাত শেষে হাজারো নেতাকর্মী বুকে এক নতুন বিশ্বাস আর চোখেমুখে দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে সভাস্থল ত্যাগ করেন। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন শামসুজ্জামান মিলন ও আয়মান আহম্মেদ কামাল।