আদর্শিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি

প্রকৃত অবৈধ কারা?

21 May, 2015 Super Admin 641 ভিউ
প্রকৃত অবৈধ কারা?

মসীহ উর রহমান:
এ কথা সকল যুক্তির ঊর্ধ্বে যে, কোনো জিনিসের স্রষ্টাই ঐ জিনিসের ন্যায়সঙ্গত বিধাতা। কারণ যিনি সেটা সৃষ্টি করেছেন তার চেয়ে ঐ জিনিসের রক্ষণাবেক্ষণ, ব্যবহার, পরিচালনা-পদ্ধতি ইত্যাদি সম্পর্কে ভালোভাবে জানা আর কারও পক্ষে সম্ভব নয়। এই বিশাল বিশ্বজগতের স্রষ্টা আল্লাহ মানুষ জাতি সৃষ্টি করেছেন, এটা প্রশ্নাতীত। প্রথমেই বলে নেই যে, আল্লাহর অস্তিত্বে অবিশ্বাসী অর্থাৎ নাস্তিকদের আমরা এই আলোচনা থেকে বাইরে রাখছি।  কারণ সৃষ্টি আছে, নিখুঁত সৃষ্টি আছে কিন্তু তার স্রষ্টা নেই এমন কথায় বিশ্বাসী নিরেট, স্থূল, জড়বুদ্ধিদের কাছে আমার কোনো বক্তব্য নেই।
মানবজাতির স্রষ্টা কি জানতেন না তিনি যে সামাজিক জীব মানুষ সৃষ্টি করলেন তার জন্য একটি নিখুঁত জীবনব্যবস্থাও প্রয়োজন? না হলে তাঁর সৃষ্ট ঐ জীব অর্থাৎ মানুষ জাতি নৈরাজ্যের মধ্যে বাস করতে বাধ্য হবে? স্রষ্টা চান না যে তাঁর শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মানবজাতি অন্যায়, অবিচার, রক্তপাত, ক্রন্দন, ক্ষুধা, দারিদ্র্য, এক কথায় অশান্তিতে নিপতিত হোক। তিনি চান তাঁর এই প্রিয় সৃষ্টি সুখে, সমৃদ্ধিতে এক কথায় শান্তিতে থাকুক। এইজন্য তিনি একটি জীবনবিধান পাঠিয়েছেন। আল্লাহর প্রদত্ত এই জীবনব্যবস্থারই নাম হচ্ছে দীনুল হক বা সত্য দীন অর্থাৎ ইসলাম। ইসলামের সর্বশেষ সংস্করণ আল্লাহ পাঠিয়েছেন তাঁর সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ রসুল মোহাম্মদ (সা.) এর মাধ্যমে। আল্লাহ তাঁকে এই দীনটি সমগ্র পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা করার দায়িত্ব অর্পণ করেন।  তাঁকে এই দায়িত্ব অর্পণের পর ধারণাগতভাবে এই পৃথিবীতে প্রচলিত সকল জীবনব্যবস্থা, বিধি-বিধান মানবজাতির ন্যায়সঙ্গত বিধাতা আল্লাহ কর্তৃক বাজেয়াপ্ত (Banned) ঘোষিত হয় এবং রসুলাল্লাহ হয়ে গেলেন পৃথিবীতে তখন আল্লাহ’র পক্ষ থেকে একমাত্র বৈধ কর্তৃপক্ষ।  এজন্যই আল্লাহ তাঁর রসুলকে বলেছেন এই ঘোষণা দেওয়ার জন্য যে, ‘হে মানবজাতি, আমি তোমাদের সকলের জন্য আল্লাহর রসুল’ (সুরা আরাফ ১৫৮)।  যেহেতু এই সৃষ্টি জগতের স্রষ্টা ও মালিক (রাজা) আল্লাহ, কাজেই এখানে স্রষ্টা ও মালিকের বিধানই কার্যকরী থাকবে এটাই স্বাভাবিক।  সুতরাং তাঁর প্রদত্ত বিধান, হুকুম, জীবনব্যবস্থাকে যারা অস্বীকার করবে তারাই হচ্ছে প্রচলিত ভাষায় বিদ্রোহী (Rebel)।  যেমন কোন রাজার রাজত্বে থেকে তার বিরুদ্ধাচারণ কোরে পৃথক শাসন যারা কায়েম করতে চায় তাদেরকে বলা হয় রাজদ্রোহী।
একদল বিদ্রোহীর প্রতি বৈধ শাসকের যে কথাটি বলার থাকে তা হলো, প্রথমত, তোমরা আমার আনুগত্য স্বীকার করো।  তোমাদেরকে ক্ষমা করা হবে। দ্বিতীয়ত, যদি আনুগত্য স্বীকার না করো, তোমরা আমার এলাকায় থাকতে পারবে না।  তোমরা এই ভূখণ্ড ছেড়ে অন্যত্র চোলে যাও।  আমি তোমাদেরকে আটকাবো না।  তৃতীয়ত, তাও যদি না যাও, তবে তোমাদেরকে আমি কঠিন শাস্তি দেব এবং আমার শাসনকে নিষ্কণ্টক করবো।
মানুষের প্রতি মানুষের স্রষ্টা, প্রভু ও বিধাতা আল্লাহর কথাও তাই। তিনি বলছেন, ‘তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো, তাঁর রসুলের আনুগত্য করো এবং আনুগত্য করো তোমাদের আদেশকারীর (আমীর)’ (সুরা নিসা ৫৯)।  তাহলে, “তিনি তোমাদের আমল-আচরণ সংশোধন করবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন।  যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রসুলের আনুগত্য করে, সে অবশ্যই মহাসাফল্য অর্জন করবে (সুরা আহযাব ৭১)”।
দ্বিতীয়ত আল্লাহ বলেন, “সৃষ্টি যার বিধান তার (সুরা আরাফ-৫৪)।” অতএব যারা আল্লাহর সৃষ্টি পৃথিবীতে বসবাস কোরে আল্লাহকে বিধাতা মানতে চায় না, তাদের প্রতি আল্লাহর কথা, “নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলের প্রান্ত অতিক্রম করো যদি তোমাদের সাধ্যে কুলায় (সুরা রহমান ৩৩)। প্রভুর এই ঘোষণা মোতাবেক পৃথিবীতে আল্লাহ ছাড়া আর কারও বিধান বৈধ নয়।  যেহেতু আল্লাহই সকলকে সৃষ্টি কোরে তাদের আহার, বাসস্থান, আলো, পানি, বায়ু সমস্তকিছু নিরন্তরভাবে যোগান দিয়ে যাচ্ছেন, তাই এখানে তিনি ছাড়া আর কারও বিধান বৈধ হতে পারে না।  যারা অন্য কোন বিধান দিয়ে পৃথিবী চালাতে চায় তাদের উচিত নিজেরা একটি অনুরূপ নতুন পৃথিবী সৃষ্টি করা, সেখানে মানবজাতির বিকাশ ঘটানো এবং তাদের লালন পালনের যাবতীয় বন্দোবস্ত করা, আলো, পানি, বায়ু, খাদ্য সরবরাহ করা, অতঃপর তাদের বিধাতা হিসাবে নিজেদের তৈরি গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, একনায়কতন্ত্র, রাজতন্ত্র ইত্যাদি দিয়ে তাদেরকে শাসন করা।  এখানে যারা আল্লাহর হুকুম দিয়ে শাসন করবে না তারা আল্লাহর ভাষায় কাফের জালেম ও ফাসেক অর্থাৎ হুকুম অস্বীকারকারী, অন্যায়কারী, অবাধ্য (সুরা মায়েদা ৪৪, ৪৫, ৪৭)। একজন প্রতাপশালী সম্রাট তার হুকুম অমান্যকারী, অবাধ্য প্রজাদের বেলায় যে কাজটি কোরে থাকেন আল্লাহও সেটাই করবেন, সেটা হচ্ছে তাদেরকে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া।  সুতরাং এই আল্লাহদ্রোহীরা যদি এই পৃথিবী থেকে বিদায় না হয়, তবে তাদেরকে অবৈধ দখলদারিত্ব থেকে উৎখাত করা এবং তাদের প্রতি আল্লাহর শাস্তি প্রদান সম্পূর্ণ ন্যায়সঙ্গত হয়ে যায়।  এটাই আল্লাহ বলেছেন, ‘আমি যখন কোন জনপদ ধ্বংস করতে চাই তখন তার সমৃদ্ধশালী ব্যক্তিদেরকে সৎকর্ম (আল্লাহর বিধান মানা) করতে আদেশ করি, কিন্তু তারা সেখানে অসৎকর্ম (আল্লাহর বিধান অমান্য করা) করে; অতঃপর ঐ জনপদের প্রতি দণ্ডাজ্ঞা ন্যায়সঙ্গত হয়ে যায় এবং আমি সেটা সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত করি (সুরা বনী এসরাঈল ১৬)।
আল্লাহর রসুল বিদায় নেওয়ার ৬০/৭০ বছর পর থেকে আল্লাহর নাজিলকৃত দীন বিকৃত হতে আরম্ভ করে এবং উম্মতে মোহাম্মদী তাদের উপরে অর্পিত দায়িত্ব অর্থাৎ সারা পৃথিবীকে আল্লাহর সার্বভৌমত্বের অধীনে এনে শান্তি (ইসলাম) প্রতিষ্ঠা করার জিহাদ (সর্বাত্মক সংগ্রাম) ত্যাগ করে।  যতদিন এই উম্মাহ সঠিক পথে ছিল, তারাই ছিল পৃথিবীতে আল্লাহর নিয়োগকৃত প্রতিনিধি অর্থাৎ খলিফা। যখন তাদের আকিদা, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে সম্যক ধারণা (Comprehensive Concept) বিকৃত হয়ে গেলো, তাদেরকে আল্লাহ ত্যাগ করলেন।  গত ১৩শ’ বছর পৃথিবীতে আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন বৈধ কর্তৃপক্ষ ছিল না, সুতরাং আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন ঘোষণা প্রদান করার অধিকারীও কেউ ছিল না। সারা পৃথিবীতে ধর্মব্যবসায়ীদের কুক্ষিগত যে ধর্মটি আছে এটা আল্লাহ ও তাঁর রসুলের প্রকৃত ইসলাম নয়, কাজেই সেটা প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে আল্লাহর কোন সাহায্য নেই। যদি কেউ কোথাও সেই বিকৃত ধর্মটি রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কায়েম কোরেও থাকে, সেটা মানুষকে শান্তি দিতে পারে নি, কারণ বিকৃত ইসলাম মানুষকে শান্তি দিতে পারবে না এটাই স্বাভাবিক।
যারা বলে যে, ‘না।  আমরা স্রষ্টার বিধান মানবো না’, স্রষ্টার ঘোষণা (সুরা রহমান ৩৩) মোতাবেক তাদের উচিত হবে এই পৃথিবীর অনুরূপ আরেকটি গ্রহ এবং আরেকটি মানবজাতি সৃষ্টি কোরে সেখানে গিয়ে তাদের তৈরি সব জীবনব্যবস্থা, আইন-কানুন, তন্ত্রমন্ত্র, মতবাদ (Ism, Cracy) ইত্যাদি কায়েম করা।  এই সব তন্ত্রমন্ত্রের ধারকদের এই পৃথিবী শাসনের অধিকার নেই। কারণ:
(১) যেহেতু তারা মানুষের স্রষ্টা নয়, একটি অনু পরমাণুরও স্রষ্টা নয়। [তারা কি এমন কাউকে শরীক সাব্যস্ত করে, যে একটি বস্তুও সৃষ্টি করেনি, বরং তাদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে (সুরা আরাফ ১৯১)।  তারা একটি খেজুর বিচীর খোসারও মালিক নয় (সুরা ফাতির ১৩)]
(২) যেহেতু তারা এই সৃষ্টিকে লালন পালন করে না। [আমি তোমাদের জন্যে জীবিকার উপকরণ সৃষ্টি করছি এবং তাদের জন্যেও যাদের অন্নদাতা তোমরা নও।…আমিই জীবনদান করি, মৃত্যুদান করি এবং আমিই চূড়ান্ত মালিকানার অধিকারী। (সুরা হেজর ২১-২৪)]
(৩) যেহেতু তারা তাদের তৈরি হুকুম ও বিধান দ্বারা মানবসমাজে আজ পর্যন্ত শান্তি আনতে পারে নি। বরং তাদের তৈরি বিধানগুলিই সকল অন্যায় ও অশান্তির কারণ। [তাদেরকে যখন বলা হয় তোমরা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করো না, তারা বলে, আমরা সংস্কারক মাত্র। সাবধান! তারাই হল বিপর্যয় সৃষ্টিকারী অথচ তারা তা বুঝছে না।” – সুরা বাকারা (১১-১২), “জলে স্থলে যতো বিপর্যয়, এ সবই মানুষের নিজেদের কর্মের ফল” (সুরা রুম; আয়াত-৪১)।]
তাই বিধান দেওয়ার এখতিয়ার কেবলমাত্র আল্লাহরই (সুরা আহযাব ৪০)।  কাজেই যারা স্রষ্টার তৈরি পৃথিবীতে স্রষ্টার বিধান দিয়ে মানবজাতিকে পরিচালনা করে না তারা সকলেই অবৈধ কর্তৃপক্ষ।

মন্তব্য সমূহ (0)

বর্তমানে কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!

আপনার মতামত দিন

জনপ্রিয় ট্যাগ
#মামলার অব্যাহতি #গোলটেবিল বৈঠক #হাইকোর্টের রায় #অপপ্রচার #muchleka #কোরবানি কখন কবুল হবে? #হেযবà§�ত তওহীদ #ইসলামি ইতিহাস #উগ্রবাদ #গুজব #নারী #পর্দা #প্রকৃত ইসলাম #প্রকৃত ইসলামের নারী #হেযবুত তওহীদ #হেযবুত তওহীদের নারী #ইসলাম #নোয়াখালীত #বকধার্মিকতা #মন্তব্য কলাম #মন্তব্য কলাম বাড়ছে বকধার্মিকতা #কারা সেই জান্নাতি ফেরকা? #জান্নাতি #জান্নাতি ফেরকা #মুস্তাফিজ শিহাব #চলমান সঙ্কট #মুখলেছুর রহমান সুমন #রাজনৈতিক ইসলাম #ধর্ম নিয়ে ঘৃণার রাজনীতি #রামমন্দির ও থার্ড টেম্পল #ইসলামের অপব্যাখ্যা #জাতি ভেঙে খানখান #দীন নিয়ে বাড়াবাড়ি #দীন নিয়ে বাড়াবাড়ির #ধর্ম #পরিণাম জাতি ভেঙে খানখান #ফেরেশতা #মানুষ সৃষ্টির #মো’জেজা: কী কেন কীভাবে? #পহেলা বৈশাখ #সংস্কৃতির #সাংস্কৃতিক অঙ্গন #আমল #ঈমান #আদিবা ইসলাম #এমামুযযামান #রিয়াদুল হাসান #লা’নত নাকি পরীক্ষা #লানত #কাঁটাতারে ব্যর্থ #বিশ্বভ্রাতৃত্বের #মুসলিম #রোড টু ফিলিস্তিন #নামাজ #নামাজ কেন পড়ছেন? #মোহাম্মদ আসাদ আলী #ধর্মজীবিকা #ধর্মবিশ্বাসী #শিক্ষাব্যবস্থা #অশান্তি সৃষ্টির কারণ #এম আর হাসান #চরিত্রহীন নেতৃত্ব #বস্তুবাদী সভ্যতা #বাস্তব সমস্যা #মহানবীর (সা.) #দেশকে রক্ষা #বিশ্ব মুসলমান #মদিনার #রাকীব আল হাসান #মাননীয় এমাম #হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম #ইসলামের ইতিহাস #মো’মেনদের #দাজ্জাল #দাজ্জালকে চিনতে হবে #ধর্মব্যবসা #উম্মতে মোহাম্মাদি #তওহীদ #মো’জেজা: #মুসলিমরা আজ সংকটের সম্মুখীন #খলিফা #দীন প্রতিষ্ঠা #দীনের মূল ভিত্তি #লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ #সেরাতুল মোস্তাকিম #২৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী #civilized’ #deterrent #islam world #world #জীবনব্যবস্থা #প্রশ্ন উত্তর #প্রশ্নোত্তর #হেযবুত তওহীদের #hezbuttawheed #hossain mohammad salim #Resolving the Global Crisis #Students #ঐক্য ##MarathonHT #Marathon #lifestyle #ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যের আহ্বান #workplace #religious extremists #democratic system #economic system #politics #Allah #Aqeedah of islam #God #Haj #Jihad #Kital #Prophet Muhammad #terrorism #কোরবানি #ত্যাগ #বজ্রশক্তি #সম্পাদক এসএম সামসুল হুদা #সাক্ষাৎকার #হেযবুত তওহীদের বিজয় #রসুলুল্লাহর সুন্নাহ #দাসপ্রথার #জঙ্গিবাদ #আইয়্যামে জাহেলিয়াত #জেহাদ #দোয়া #সঠিক জীবন ব্যবস্থা #জ্ঞান #বাণী #ইমাম মাহদী #কবিতা #রাজনীতি #মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা #আশুরা #শহীদ #প্রকৃত ইসলামের মসজিদ #মসজিদে নারী #দাউদ খান পন্নী #ঔপনিবেশিক যুগ #সংগীত #স্বাধীনতা #খোলাফায়ে রাশেদীন #যোদ্ধাসুফি #স্বর্ণযুগের মোল্লাতন্ত্র #মানুষ সৃষ্টি #প্রকৃত ইসলামের বিয়ে #বাংলার সুলতানী যুগ #গণমাধ্যম #মহামান্য এমামুযযামানের জীবনবৃত্তান্ত #ইসলাম অর্থ #শান্তি #পাকিস্তান #দৈনিক বজ্রশক্তি #খেলাধুলা #আইনের উৎস #নির্বাচন #সংস্কৃতি #জ্ঞান-বিজ্ঞান #মহানবীর লড়াই #হজ #সাম্যবাদ ও ইসলাম #বাংলাদেশ #কোর’আন #শিক্ষা #নবুয়তপূর্ব জীবন #ইসলামবিদ্বেষী #ইতিহাস ও ইসলাম #চরমোনাই #ওমর (রা.) #তারেক বিন যিয়াদ #কর্মফল #পুঁজিবাদ #মার্কস #হারাম #সুফিবাদ #বাঙালি #মানবজীবন #মুসলিমদের ইতিহাস #প্রশ্ন #রাগ #আকিদা #কমিউনিজম #জান্নাত-জাহান্নাম #মণীষীদের জীবনী #মধ্যযুগীয় বর্বরতা #স্বর্ণযুগ #গণজোয়ার #গণপ্রতিরোধ #তওহীদী জনতা #কর্মজীবন #ইসলাম আবির্ভাব #ইসলামের বিস্তৃতি #অর্থনীতি #রিজিক #বিস্ময়কর আন্দোলন #নারী স্বাধীনতা #মোনাফেক #সাম্প্রদায়িকতা #তাকওয়া #৫ দফা কর্মসূচি