আদর্শিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি

আমার কোরবানি

11 Jul, 2022 Super Admin 1128 ভিউ
আমার কোরবানি

◆ হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
আমার সৌভাগ্য যে, আমি মিয়ানমারের কোনো রোহিঙ্গা পরিবারে জন্ম গ্রহণ করি নি, আমি ফিলিস্তিন, কাশ্মির, কাশগড়, ইউঘুর, সিনকিয়াং কিংবা বসনিয়া, চেসনিয়ার কোনো মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করি নি। আমার সৌভাগ্য যে, আমি আফগান, ইরাক, সিরিয়া, ইয়েমেনের মতো কোনো যুদ্ধকবলিত ভূমিতে কিংবা আফ্রিকার দুর্ভিক্ষ পীড়িত কোনো অঞ্চলে জন্ম গ্রহণ করি নি। আমি জন্ম গ্রহণ করেছি সবুজ, শ্যামল এই স্বাধীন বাংলার এক মুসলিম পরিবারে। আমার বাল্যকাল কেটেছে গ্রামের মেঠো পথ, হাট-মাঠ-ঘাটে ছুটোছুটি করে, গ্রামের বন্ধুদের সাথে হৈ-হুল্লোড় করে। তখন আমি বসনিয়া, চেসনিয়ার মুসলমানদের করুণ দুর্দশা সম্পর্কে জানতাম না, ফিলিস্তিনের মুসলমানদের সম্পর্কে জানতাম না, কাশ্মির কিংবা আরাকান মুসলমানদের সম্পর্কেও কিছু জানতাম না। আফ্রিকার দুর্ভিক্ষ সম্পর্কে আমার জ্ঞান ছিল না। তখন আমি কেবলই ভাবতাম- পৃথিবীর সবাই বুঝি আমাদের মতোই আনন্দ আর খুশিতে দিন পার করে, সবাই বুঝি আমাদের মতোই সুখ-স্বাচ্ছন্দের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। ভাবতাম দুনিয়াটা বুঝি খুবই সুন্দর, শান্তির জায়গা। উত্তরে-দক্ষিণে, পূর্বে-পশ্চিমে শুধুই সুখ আর সুখ। কারণ আমার বাড়ির চৌহদ্দি যেহেতু সুখময় তাই দুনিয়াটাও হয়ত সুখময়, শান্তিময়- এমনটাই ভেবেছি তখন।

বছরের বিশেষ বিশেষ দিনে আনন্দ বহুগুণ বেড়ে যেত। পহেলা বৈশাখে ছিল মেলা দেখতে যাওয়ার আনন্দ, মেলা থেকে এটা-ওটা কেনার আনন্দ আর রোজার ঈদে ছিল নতুন পোষাক পরার আনন্দ, এছাড়াও সেমাই খাওয়া, মিষ্টি খাওয়া, কোলাকুলি করা, বাঁশি বাজানো ইত্যাদি রকমের আনন্দ তো ছিলই। তবে সবচেয়ে মজা হতো কোরবানির ঈদে। ঈদের কিছুদিন আগে থেকেই আমাদের অঞ্চলের গরুর হাট বেশ জমজমাট হয়ে উঠত। হাটে যেতাম গরু দেখতে। একসাথে এত গরু, এত বড় বড় সুন্দর গরু অন্য সময় দেখা যেত না। এত বড় হাট লাগত যে একবার আমি হারিয়েই গিয়েছিলাম। ঘুরে ঘুরে হাটে গরু দেখাটা ছিল বেশ আনন্দের। এর পরের আনন্দটা ছিল গরু কেনা। আব্বা যেদিন কোরবানির গরু কিনে আনতেন তার পর থেকে সারাদিন গরুর সাথে সাথে থাকতাম। গরুকে এটা ওটা খাওয়ানো, গায়ে হাত দিয়ে আদর করা, এমনকি গরুটাকে দেখতেও যেন আনন্দ লাগত। তারপর আসত প্রতীক্ষিত সেই ঈদের দিন। বড় বড় চাকু ধার দেওয়া হতো, লম্বা জোব্বা পরা এক মৌলভি সাহেব আসতেন গরু জবাই দিতে। মৌলভি সাহেবের সেই চেহারা তখন শিশু মনে বেশ ভয়ঙ্কর লাগত। মুখে কোনো হাসি নেই, হাতে তলোয়ারের মতো মস্ত এক ধারালো ছুরি, দাত কিড়মিড় করছে আর একটার পর একটা পশু জবাই দিচ্ছে তারপর কিছু টাকা নিয়ে বিদায় নিচ্ছে। মুরুব্বীরা বলতেন কোরবানির গরু দেখলে সওয়াব হয়, তাই জবাই দেওয়া থেকে শুরু করে রান্না হওয়া পর্যন্ত সবকিছু খুব ভালোভাবেই পর্যবেক্ষণ করা হতো। প্রথমেই কলিজা বের করে এনে রান্না করা হতো, সবাই মিলে খেতাম। একে একে মগজ, গোস্ত সব খাওয়া হতো। সব শেষে পাগুলো এবং ভুড়ি রান্না করে খাওয়া হতো। বেশ কিছুদিন ধরে মহানন্দে চলত খাওয়া। তখন কোরবানি বলতে এই খাওয়ার উৎসবটাই বুঝতাম। একটু বড় হয়ে ইব্রাহীম (আ.) এর বড় ছেলেকে কোরবানি দেবার ঘটনা জানলাম মকতব থেকে। তারপর থেকে কোরবানির ঈদে আর আনন্দ করতে পারতাম না, মনমরা হয়ে শুধু ভাবতাম- আমি বাবার বড় ছেলে। যদি মহান আল্লাহ দয়া করে সেদিন ছুরির নিচ থেকে ইসমাইলকে (আ.) সরিয়ে না নিতেন তবে তো তার উম্মতরাও নিজের বড় ছেলেকে এভাবে কোরবানি দিতেন। আব্বা যদি আমাকেও কোরবানি করতেন, যদি মানুষ আমাকে জবাই করে এভাবে কলিজা বের করে নিত, যদি আমার চোখ দুটো বের করে নিত- এগুলো চিন্তা করে আমি আর আনন্দ করতে পারতাম না, মন খারাপ করে বসে থাকতাম। আরেকটু বড় হয়ে যখন মনের মধ্যে যুক্তিবোধ জন্ম নিতে থাকল তখন নানা রকম প্রশ্ন মাথায় আসতে লাগল। ভাবতে লাগলাম পশু জবাইয়ের তাৎপর্য কী? এতে আনন্দেরই বা কী আছে? হিসাব মিলাতে পারছিলাম না, কারো কাছে সন্তোষজনক উত্তরও পেলাম না।

তারপর সময় পার হতে লাগল, আমি বড় হতে থাকলাম, কলেজ জীবন পার হলো, ভার্সিটি জীবন পার হলো। এরপর একজন মহামানবের সন্ধান পেলাম। তাঁর সাথে সাক্ষাৎ হলো জীবনের সত্যিকারের অর্থ বুঝতে পারলাম, ইসলামের উদ্দেশ্য জানলাম, কোরবানির তাৎপর্য জানলাম। আমি তখন পরিষ্কার দেখতে পেলাম ইব্রাহিম (আ.) কোরবানির কী দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন, রসুলাল্লাহ (সা.) কোরবানির কী শিক্ষা আমাদের জন্য রেখে গেছেন। সেই উপলব্ধি থেকেই আজকের এই লেখা।

বর্তমানে কোরবানির নামে যে ভোগের নির্লজ্জ মহড়া চলছে সেটা যে আসলে কোরবানি নয় তা আমার কাছে পরিষ্কার হয়ে গেল। আমার প্রিয় ও শ্রদ্ধেয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর “শহীদী ঈদ” কবিতায় খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন বর্তমানের এই লোকদেখানো কোরবানির অর্থহীনতা এবং সত্যিকারের কোরবানি কী সেটাও তুলে ধরেছেন। আরও পরিষ্কার হলো- মুসলিম নামক এই জাতির বর্তমান অবস্থা দেখে। আমি বুঝলাম কোরবানি মানে হলো ত্যাগ। জীবন এবং সম্পদ আল্লাহর রাস্তায় অর্থাৎ মানুষের কল্যাণে ব্যয় করাই হলো আসল কোরবানি। আর এই কোরবানি কেবল মো’মেনদের জন্য। মহান আল্লাহ পবিত্র কোর’আনে পরিষ্কারভাবে বলেই দিয়েছেন যে, “আমি মো’মেনদের জীবন ও সম্পদ কিনে নিয়েছি জান্নাতের বিনিময়ে।” (সুরা তওবা-১১১)। এক সময় প্রশ্ন আসত যে, মো’মেনের জীবন ও সম্পদ নিয়ে আল্লাহ কী করবেন, তিনি তো বে’নেয়াজ, তাঁর তো কোনো কিছুর প্রয়োজন নেই। আল্লাহই আমার জান দিয়েছেন করুণা করে, দয়া করে। তিনি আবার এটা কেন নিবেন? আমি আমার শিক্ষাগুরু, সেই মহামানব এমামুয্যামান জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নীর কাছ থেকে জানতে পারলাম আল্লাহর রাস্তায় জান-মাল দেওয়ার অর্থ, কোরবানি করার অর্থ। আল্লাহর চাওয়া হচ্ছে- তাঁর প্রিয় এই সৃষ্টি মানুষকে ন্যায়, সুবিচার ও শান্তিতে রাখা। তাই মানবসমাজে ন্যায়, সুবিচার ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করাই হলো আল্লাহর সেই চাওয়া পূর্ণ করা, এটাই মানুষের প্রধান ইবাদত। এজন্য মানুষের কল্যাণে জীবন ও সম্পদ ব্যয় করাই হলো কোরবানি। অর্থাৎ আল্লাহর রাস্তায় তথা সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায়, মানুষের মুক্তির জন্য, মানুষের কল্যাণের জন্য যে যত বেশি জীবন ও সম্পদ কোরবানি করবে সে জান্নাতে তত বেশি নিয়ামত প্রাপ্ত হবে- এটাই হলো প্রকৃত কোরবানি। এটা বোঝার পর আমি আমার জীবনকে, আমার সম্পদকে সত্যিকারের কোরবানি করতে মনস্থির করলাম। কোরবানি শব্দটি এসেছে ‘র্কুব’ থেকে যার অর্থ ‘নৈকট্য’। সত্যিকারের কোরবানি আল্লাহর নৈকট্য এনে দেয়, আল্লাহর নিকটে যাওয়া যায়। যে আল্লাহর নৈকট্য পাবে তার কোনো হতাশা, বেদনা, দুঃখ, যন্ত্রণা, না পাওয়ার কষ্ট কিছুই থাকবে না। আল্লাহ হলেন সন্তুষ্টির উৎস, সমস্ত রেদোয়ানের উৎস। যিনি তার সবচেয়ে নৈকট্য পাবেন তিনি সমস্ত ক্লেদ থেকে মুক্ত হবেন। আমি সেই কোরবানি দেয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নিলাম।

সর্বপ্রথম আমি ভাবলাম আমার শিক্ষাকে মানুষের কল্যাণে কোরবানি দেব। আর দশজন মানুষ যেমন শিক্ষা অর্জন করে ভালো চাকরি করার জন্য, ভালো টাকা উপার্জন করার জন্য ঠিক তেমনি আমার বাবাও আমাকে লেখা-পড়া শিখিয়েছেন বড় আমলা বানানোর জন্য। ছোটবেলা থেকেই পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য যেমন সকলের ভালোবাসা পেয়েছি, তেমনি পরিবারের লোকজন, পাড়া-প্রতিবেশী সকলেই আমাকে নিয়ে বড় বড় স্বপ্ন দেখেছেন। শিক্ষকরা আমাকে অনেক ভালোবাসতেন। কলেজে হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রীরা আমাকে সম্মান করেছে, ভালোবেসেছে। কলেজের স্মরণকালে সর্বশ্রেষ্ঠ ফলাফল এনে দিয়েছিলাম, তাই সকলের ভালোবাসা, দোয়া পেয়েছি। যারাই ভালো রেজাল্ট করতো তারাই তো বড় বড় চাকুরি করত, বড় বড় আমলা হতো। সেটা দেখে এক প্রতিবেশি মুরুব্বি বলতেন- তুই বড় হয়ে সচিবালয়ের বড় সচিব হবি, গাড়ি হাঁকিয়ে গ্রামে আসবি, সবার মুখ উজ্জ্বল হবে, তোকে নিয়ে সবাই গর্ব করবে। কিন্তু লেখাপড়া শেষে আমি সিদ্ধান্ত নিলাম আমার এই শিক্ষা দিয়ে আমি উপার্জন করব না বরং মানুষের মুক্তির জন্য সংগ্রাম করব, দেশ ও জাতির কল্যাণে এই শিক্ষাকে উৎসর্গ করব, সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য আমার জ্ঞানকে আমি কোরবানি করব। সত্য প্রতিষ্ঠার এই কণ্টকাকীর্ণ, বন্ধুর পথে তো এখন বড় বড় শিক্ষিত মানুষজন খুব একটা আসতে চান না, অধিকাংশ মানুষ তাদের জ্ঞানকে কেবল ভোগ-বিলাসের জোগান দিতে কাজে লাগান। আমি বেছে নিলাম কাঁটা বিছানো এই কঠিন পথ।

এরপর সিদ্ধান্ত নিলাম আমার যৌবনকালকে কোরবানি করার। মানুষের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সময় তার যৌবনকাল, আমি সেই শ্রেষ্ঠ সময়কে কোরবানি করে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করবার জন্য মনস্থির করলাম। আব্বা প্রায়ই আমাকে বলতেন, যৌবনকাল শেষ হয়ে গেলে আর রুজি করতে পারবি না, এখনই রুজি কর, তাহলে বৃদ্ধ বয়সে স্বস্তি পাবি। কিন্তু আমি সেই ভাবনা দূরে সরিয়ে দিলাম, বৃদ্ধ বয়সে কী হবে সেই চিন্তা বাদ দিয়ে বরং চিন্তা করলাম আজ আমার জাতির কী অবস্থা, মানুষের আজ কী অবস্থা, সমাজের আজ কী অবস্থা! চিন্তা করলাম- এই সমাজ, এই দেশ, এই মানুষগুলো আমার যৌবনকালকে চায়, আমার স্রষ্টা আমার যৌবনকালকে চান, কাজেই আমি আমার যৌবনকে কোরবান করলাম স্রষ্টার নৈকট্য পেতে। হাদিসে আছে- সাত শ্রেণির মানুষ হাশরের দিন আরশের নিচে ছায়া পাবে। তাদের মধ্যে একটা শ্রেণি হলো- যারা আল্লাহর রাস্তায় (সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায়, মানুষের কল্যাণে) নিজের যৌবনকালকে ব্যয় করবে।

আমি আমার সংসার, সন্তান-সন্তুতি নিয়ে যে দুনিয়ামুখি ভোগ-বিলাসী জীবনযাপন করতে পারতাম তার কোরবানি দিলাম। আমি বেছে নিলাম অতি সাধারণ জীবন। স্ত্রী-পুত্রকে সেভাবে সময় দিতে পারলাম না, নামি-দামি স্কুলে সন্তানকে পড়ানোর চিন্তা বাদ দিলাম, তাদেরকে দামি দামি পোশাক পরানোর চিন্তা বাদ দিলাম, আরাম-আয়েশের চিন্তা বাদ দিলাম। কোনোমতে সাধারণ স্কুলে পড়তে দিলাম, একেবারে অশিক্ষিত তো আর রাখতে পারি না।

তারপর কোরবানি দিলাম বন্ধু-বান্ধব আর আত্মীয়-স্বজনদেরকে নিয়ে যে প্রচলিত সামাজিকতা আছে সেটার। আমি চিন্তা করলাম আমার সমস্ত সময় ব্যয় করব মানুষকে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ করার কাজে। মানুষকে সত্য বোঝাতে হবে, প্রকৃত ধর্ম বোঝাতে হবে। সেই সমস্ত বন্ধু-বান্ধব আর আত্মীয়-স্বজনকে ত্যাগ করলাম যারা স্বার্থের পক্ষে, যারা মানবতার বিপক্ষে। অথচ একসময় এই বন্ধুদের সাথেই অনেক সময় ব্যয় করেছি আড্ডা দিয়ে।

প্রচলিত সমাজব্যবস্থায় আমার যে সম্মান ছিল সেটা কোরবানি দিয়ে কোনো রকমে চলার জন্য সাধারণ ব্যবসা বেছে নিলাম। সেই ব্যবসা থেকেও উপার্জিত অর্থ আল্লাহর রাস্তায় কোরবানি করার সিদ্ধান্ত নিলাম। যখন যাবতীয় অন্যায়কে প্রত্যাখ্যান করলাম, অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলাম, সমাজে প্রচলিত অন্যায়গুলোর স্বরূপ তুলে মানুষকে সচেতন করতে লাগলাম তখন হুমকি আসলো জীবনের উপর। আমি প্রস্তুতি নিলাম জীবনকে কোরবানি দেবার জন্য। আমার বাড়িতে চার চারবার হামলা করা হলো, বাড়ি-ঘর লুট করে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হলো, দু’জন ভাইকে হত্যা করা হলো। আমাকে হত্যা করার জন্য তারা বারবার ষড়যন্ত্র করেও ব্যর্থ হয়েছে কিন্তু আমি আমার জীবনকে সত্য প্রতিষ্ঠায় কোরবানি দেবার জন্য সর্বদা প্রস্তুত আছি। এটাই আমার কোরবানি, এটাই আমার আনন্দ, এটাই আমার ঈদ। এখন আল্লাহর নিকট আমার চাওয়া- তিনি যেন আমার এই জীবন-যৌবন-সম্পদ সমস্ত কিছু কবুল করেন, বিনিময়ে মানবজাতিকে একটা সত্য, ন্যায়, সুবিচার ও শান্তিপূর্ণ সমাজ উপহার দেন এবং আমাকে তাঁর নৈকট্য দান করেন। হাশরের দিন মিল্লাতের বাবা ইব্রাহিম (আ.) এর সামনে গিয়ে নতমস্তকে দণ্ডায়মান হয়ে যেন বলতে পারি আপনার পবিত্র পুত্রকে কোরবানি দিয়ে যে শিক্ষা রেখে গিয়েছিলেন সে শিক্ষা আমি ধারণ করেছি। আমার প্রিয় নবীজীর সম্মুখে যেন লাব্বায়েক ইয়া রসুলাল্লাহ বলে দণ্ডায়মান হয়ে বলতে পারি, আপনি সমস্ত সাহাবিদের যে কোরবানি শিখিয়েছেন সেই কোরবানি দেওয়ার জন্য আপনার নগন্য গুনাহগার উম্মত চেষ্টা করেছি। তবেই আমার জীবন সার্থক হবে। আমীন।

লেখক: এমাম, হেযবুত তওহীদ

মন্তব্য সমূহ (0)

বর্তমানে কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!

আপনার মতামত দিন

জনপ্রিয় ট্যাগ
#মামলার অব্যাহতি #গোলটেবিল বৈঠক #হাইকোর্টের রায় #অপপ্রচার #muchleka #কোরবানি কখন কবুল হবে? #হেযবà§�ত তওহীদ #ইসলামি ইতিহাস #উগ্রবাদ #গুজব #নারী #পর্দা #প্রকৃত ইসলাম #প্রকৃত ইসলামের নারী #হেযবুত তওহীদ #হেযবুত তওহীদের নারী #ইসলাম #নোয়াখালীত #বকধার্মিকতা #মন্তব্য কলাম #মন্তব্য কলাম বাড়ছে বকধার্মিকতা #কারা সেই জান্নাতি ফেরকা? #জান্নাতি #জান্নাতি ফেরকা #মুস্তাফিজ শিহাব #চলমান সঙ্কট #মুখলেছুর রহমান সুমন #রাজনৈতিক ইসলাম #ধর্ম নিয়ে ঘৃণার রাজনীতি #রামমন্দির ও থার্ড টেম্পল #ইসলামের অপব্যাখ্যা #জাতি ভেঙে খানখান #দীন নিয়ে বাড়াবাড়ি #দীন নিয়ে বাড়াবাড়ির #ধর্ম #পরিণাম জাতি ভেঙে খানখান #ফেরেশতা #মানুষ সৃষ্টির #মো’জেজা: কী কেন কীভাবে? #পহেলা বৈশাখ #সংস্কৃতির #সাংস্কৃতিক অঙ্গন #আমল #ঈমান #আদিবা ইসলাম #এমামুযযামান #রিয়াদুল হাসান #লা’নত নাকি পরীক্ষা #লানত #কাঁটাতারে ব্যর্থ #বিশ্বভ্রাতৃত্বের #মুসলিম #রোড টু ফিলিস্তিন #নামাজ #নামাজ কেন পড়ছেন? #মোহাম্মদ আসাদ আলী #ধর্মজীবিকা #ধর্মবিশ্বাসী #শিক্ষাব্যবস্থা #অশান্তি সৃষ্টির কারণ #এম আর হাসান #চরিত্রহীন নেতৃত্ব #বস্তুবাদী সভ্যতা #বাস্তব সমস্যা #মহানবীর (সা.) #দেশকে রক্ষা #বিশ্ব মুসলমান #মদিনার #রাকীব আল হাসান #মাননীয় এমাম #হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম #ইসলামের ইতিহাস #মো’মেনদের #দাজ্জাল #দাজ্জালকে চিনতে হবে #ধর্মব্যবসা #উম্মতে মোহাম্মাদি #তওহীদ #মো’জেজা: #মুসলিমরা আজ সংকটের সম্মুখীন #খলিফা #দীন প্রতিষ্ঠা #দীনের মূল ভিত্তি #লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ #সেরাতুল মোস্তাকিম #২৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী #civilized’ #deterrent #islam world #world #জীবনব্যবস্থা #প্রশ্ন উত্তর #প্রশ্নোত্তর #হেযবুত তওহীদের #hezbuttawheed #hossain mohammad salim #Resolving the Global Crisis #Students #ঐক্য ##MarathonHT #Marathon #lifestyle #ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যের আহ্বান #workplace #religious extremists #democratic system #economic system #politics #Allah #Aqeedah of islam #God #Haj #Jihad #Kital #Prophet Muhammad #terrorism #কোরবানি #ত্যাগ #বজ্রশক্তি #সম্পাদক এসএম সামসুল হুদা #সাক্ষাৎকার #হেযবুত তওহীদের বিজয় #রসুলুল্লাহর সুন্নাহ #দাসপ্রথার #জঙ্গিবাদ #আইয়্যামে জাহেলিয়াত #জেহাদ #দোয়া #সঠিক জীবন ব্যবস্থা #জ্ঞান #বাণী #ইমাম মাহদী #কবিতা #রাজনীতি #মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা #আশুরা #শহীদ #প্রকৃত ইসলামের মসজিদ #মসজিদে নারী #দাউদ খান পন্নী #ঔপনিবেশিক যুগ #সংগীত #স্বাধীনতা #খোলাফায়ে রাশেদীন #যোদ্ধাসুফি #স্বর্ণযুগের মোল্লাতন্ত্র #মানুষ সৃষ্টি #প্রকৃত ইসলামের বিয়ে #বাংলার সুলতানী যুগ #গণমাধ্যম #মহামান্য এমামুযযামানের জীবনবৃত্তান্ত #ইসলাম অর্থ #শান্তি #পাকিস্তান #দৈনিক বজ্রশক্তি #খেলাধুলা #আইনের উৎস #নির্বাচন #সংস্কৃতি #জ্ঞান-বিজ্ঞান #মহানবীর লড়াই #হজ #সাম্যবাদ ও ইসলাম #বাংলাদেশ #কোর’আন #শিক্ষা #নবুয়তপূর্ব জীবন #ইসলামবিদ্বেষী #ইতিহাস ও ইসলাম #চরমোনাই #ওমর (রা.) #তারেক বিন যিয়াদ #কর্মফল #পুঁজিবাদ #মার্কস #হারাম #সুফিবাদ #বাঙালি #মানবজীবন #মুসলিমদের ইতিহাস #প্রশ্ন #রাগ #আকিদা #কমিউনিজম #জান্নাত-জাহান্নাম #মণীষীদের জীবনী #মধ্যযুগীয় বর্বরতা #স্বর্ণযুগ #গণজোয়ার #গণপ্রতিরোধ #তওহীদী জনতা #কর্মজীবন #ইসলাম আবির্ভাব #ইসলামের বিস্তৃতি #অর্থনীতি #রিজিক #বিস্ময়কর আন্দোলন #নারী স্বাধীনতা #মোনাফেক #সাম্প্রদায়িকতা #তাকওয়া #৫ দফা কর্মসূচি