মো. মশিউর রহমান
আজকের সামাজিক ও জাতীয় পরিস্থিতি:
এই কথা সর্বজনবিদিত যে, বর্তমানে আমরা এমন একটি সময় পার করছি যখন মানুষ নৈতিক ও চারিত্রিক অধঃপতনের চূড়ান্ত পর্যায়ে উপনীত হয়েছে। ধর্ষণ, নারী নির্যাতন, মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদসহ সব ধরনের অপরাধ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। এমনকি সন্তান বাবা-মাকে, বাবা-মা সন্তানকে, স্বামী স্ত্রীকে, স্ত্রী স্বামীকে হত্যা করছে। দুই বছরের শিশু থেকে ৬০ বছরের বৃদ্ধাও ধর্ষিত হচ্ছে। মানুষের প্রতি মানুষের অবিশ্বাস, ঘৃণা, সংঘাত-সংঘর্ষ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। প্রতিদিনের সংবাদপত্র যেন ভয়াবহ দুঃসময়ের দিনলিপি। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংখ্যা, সদস্য, দক্ষতা, প্রযুক্তি বাড়ানো হচ্ছে। কিন্তু এত প্রচেষ্টা ও দিন-রাত পরিশ্রমের পরও অপরাধ বেড়েই চলেছে। এর কারণ কী?

শুধু শক্তিপ্রয়োগ নয়, প্রয়োজন নৈতিক শিক্ষা:
আমাদেরকে একটা বিষয় উপলব্ধি করতে হবে যে, মানুষ কেবল দেহসর্বস্ব প্রাণী নয়, তার একটি আত্মাও আছে। মানুষের যখন আত্মিক অধঃপতন ঘটে, যখন সামাজিক অবক্ষয় মানুষকে গ্রাস করে ফেলে তখন শুধু শাস্তির ভয় দেখিয়ে তাদেরকে অপরাধপ্রবণতা থেকে নিবৃত্ত রাখা সম্ভব হয় না, শাস্তি প্রদানের পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা প্রদান অপরিহার্য। মানুষকে ন্যায়-অন্যায়ের পার্থক্য বুঝানো, তাদেরকে ন্যায় ও সত্যের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ করা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার করে তোলার মধ্য দিয়ে অপরাধ প্রবণতা অনেকাংশেই কমিয়ে আনা সম্ভব। ধর্মের সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত একজন মানুষ নির্জন স্থানেও কোনো অপরাধ করতে গেলে তার হৃদয় তাকে বাধা দেয়। তিনি বিশ্বাস করেন, এই কাজের জন্য তাকে একদিন না একদিন ¯্রষ্টার কাছে জবাবদিহি করতেই হবে। এভাবে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা যুগে যুগে মানবসমাজে অপরাধ দমনে অদৃশ্য ঢাল হিসেবে কাজ করে এসেছে। কিন্তু আজকে একদিকে ধর্মের সেই সঠিক শিক্ষা যেমন হারিয়ে গেছে, অন্যদিকে পাশ্চাত্যের অনুকরণে মানুষের অপরাধকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কেবল শক্তি প্রয়োগের উপর নির্ভর করা হচ্ছে। মানুষের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করার মতো যথেষ্ট শক্তিশালী আদর্শ যেমন আমাদের ধর্মীয় গুরুদের কাছে নেই, তেমনি আত্মিক পরিশুদ্ধির মাধ্যমে মানুষের বিবেককে জাগ্রত করার রাষ্ট্রীয় কোনো পদক্ষেপও এখানে নেই। ফলে শুধুমাত্র শক্তি প্রয়োগের একমুখী প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।
আজকে ধর্মকে ব্যবহার করা হচ্ছে ব্যক্তি ও গোষ্ঠীস্বার্থ উদ্ধার করার কাজে। কোনো শ্রেণির কাছে ধর্ম হয়ে গেছে রুটি-রুজির হাতিয়ার, কোনো শ্রেণির কাছে রাজনৈতিক ফায়দা লাভের হাতিয়ার, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধানোর হাতিয়ার। যে ধর্ম এসেছিল মানবজাতিকে শান্তি দেওয়ার জন্য সে ধর্মই আজ হয়ে উঠেছে অশান্তির কারণ। ধর্মীয় বিকৃত ব্যাখ্যার মাধ্যমে মানুষকে জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এমতাবস্থায় একমাত্র হেযবুত তওহীদ নিঃস্বার্থভাবে ধর্মের প্রকৃত শিক্ষা প্রচার করে যাচ্ছে। মানুষকে যাবতীয় অন্যায় ও অপরাধের বিরুদ্ধে এবং সত্যের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য এ আন্দোলনের সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এ কাজ করতে গিয়ে আমরা বহু প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হচ্ছি কিন্তু থেমে থাকি নি। আমরা বিশ্বাস করি, অন্যায় অশান্তিপূর্ণ একটি সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার পূর্বশর্তই হচ্ছে ঐ সমাজের বাসিন্দাদেরকে ন্যায়ের পক্ষে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করা, তাদের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা, তাদেরকে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা।

জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে হেযবুত তওহীদের সাম্প্রতিক কার্যক্রম:
বর্তমান বিশ্বে, বিশেষ করে মুসলিম দেশগুলোর জন্য সবচেয়ে বড় বিভীষিকা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে জঙ্গিবাদী মতাদর্শ। ধর্মের বিকৃত ব্যাখ্যা থেকে জন্ম নেওয়া জঙ্গিবাদকে ইস্যু বানিয়ে একটির পর একটি দেশ ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমা অস্ত্রব্যবসায়ী সাম্রাজ্যবাদী গোষ্ঠী সুকৌশলে তাদের স্বার্থ উদ্ধারে জঙ্গিবাদকে ব্যবহার করে যাচ্ছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিমপ্রধান দেশ হিসেবে বাংলাদেশও এ পশ্চিমা ষড়যন্ত্রের বাইরে নয়। আমরা শুরু থেকেই বলে এসেছি, যেহেতু ধর্মীয় বিকৃত ব্যাখ্যা থেকে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানুষ জঙ্গিবাদী মতাদর্শে আকৃষ্ট হচ্ছে, তাই জঙ্গিবাদকে মোকাবেলা করার জন্য শক্তিপ্রয়োগের পাশাপাশি এর বিরুদ্ধে আদর্শিক মোকাবেলা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। পরবর্তীতে সকলেই আমাদের এ বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন এবং এর গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পেরেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই জঙ্গিবাদের বিপরীতে ধর্মের সঠিক আদর্শ তুলে ধরার জন্য এবং সরকারের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার জন্য দেশের আপামর জনগণের প্রতি আহ্বান জানান। গত কয়েক বছরে আমরা সারা দেশে লক্ষাধিক জনসভা, সেমিনার, পথসভা, র‌্যালি ইত্যাদি করেছি। আমরা দৈনিক পত্রিকা প্রকাশ করছি, পুস্তক-পুস্তিকা, ম্যাগাজিন, ডকুমেন্টারি ফিল্ম ইত্যাদির মাধ্যমে যাবতীয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে জাতির মধ্যে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আদর্শিক প্রেরণা জাগ্রত করে যাচ্ছি। আমরা ধর্মব্যবসায়ী উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলোর কূপম-ূকতা ও সাম্রাজ্যবাদীদের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ষোল কোটি বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যকে সামনে রেখে এখনো কাজ করে যাচ্ছি। সাম্রাজ্যবাদীরা অস্ত্রব্যবসাকে তাদের অর্থনীতির মূল উৎসে পরিণত করেছে। তারা মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতে যুদ্ধ ছড়িয়ে দিয়ে সেখানে অস্ত্রের বাজার বসাতে চায়। আমাদের দেশটাও যেন তাদের ষড়যন্ত্রের রঙ্গমঞ্চে পরিণত না হয় সেজন্য যে আদর্শ দরকার সেটা আল্লাহ দয়া করে বাংলার মাটিতে দান করেছেন। আমরা সেটাই মানুষের সামনে তুলে ধরতে চেষ্টা করছি। এ কাজে আমাদের কোনো অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার অভিসন্ধি নেই। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের যেসব কর্মকর্তাগণ ঘনিষ্ঠভাবে হেযবুত তওহীদকে দেখেছেন তারা এটা জানেন। তারা হেযবুত তওহীদের কার্যক্রম পরিচালনায় দীর্ঘদিন ধরেই সহযোগিতা করে আসছেন।

সীমাহীন অপপ্রচারের শিকার হেযবুত তওহীদ:
ধর্মের সঠিক রূপ মানুষের সামনে তুলে ধরতে গিয়ে স্বভাবতই আমাদেরকে সমাজে প্রচলিত বিভিন্ন অধর্মের বিরুদ্ধে কথা বলতে হয়েছে। এতে যাদের কায়েমী স্বার্থে আঘাত লেগেছে তারা এতদিন আমাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অপপ্রচার চালিয়েছে এবং এখনও চালিয়ে যাচ্ছে। তারা ওয়াজে, খুৎবায় হেযবুত তওহীদকে ইহুদি-খ্রিষ্টানদের এজেন্ট, কাফের, মুরতাদ, তাদেরকে হত্যা করা বৈধ ইত্যাদি মিথ্যা ফতোয়াবাজি ও আইনবিরোধী বক্তব্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করে এসেছে। এমনকি তারা উগ্রপন্থী সন্ত্রাসীদের জড়ো করে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়েছে, হামলা করে বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে, সবকিছু লুটে নিয়েছে, পঙ্গু বানিয়ে দিয়েছে, এমন কি প্রকাশ্য দিবালোকে আমাদের নারী-পুরুষদেরকে পিটিয়ে জবাই করে হত্যাও করেছে। ধর্মবিশ্বাসী মানুষের ঈমানকে হাইজ্যাক করে এ ধরনের পাশবিক ঘটনা কারা ঘটাতে পারে তা সবারই জানা।
এদের পাশাপাশি ইসলামবিদ্বেষী গণমাধ্যকর্মীরাও আমাদের বিরুদ্ধে নিরবচ্ছিন্নভাবে অপপ্রচার চালিয়ে গেছে। হেযবুত তওহীদের নাম শুনেই তারা এ আন্দোলন সম্পর্কে একটি নেতিবাচক ধারণা তৈরি করে নিয়েছেন। এ আন্দোলনের নীতিমালা, কর্মসূচি কী তা খোঁজ নিয়ে দেখারও প্রয়োজন তারা বোধ করেন নি। যখন জঙ্গিবাদের প্রসার ঘটল তখন পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলোর অনুকরণে দেশীয় গণমাধ্যমগুলোও গড়পড়তায় সব ইসলামী নামের সংগঠনকে জঙ্গিবাদী বলে প্রচার করতে শুরু করল। প্রায়ই যে জঙ্গি দলগুলোর তালিকা প্রচার করতে লাগলেন সেখানে কোনো তথ্য-যুক্তি-প্রমাণ ছাড়াই হেযবুত তওহীদের নাম ঢুকিয়ে দিতে থাকলেন। ‘হেযব’ শব্দের অর্থ দল। যে কোনো সংগঠনের নাম যদি আরবিতে রাখা হয়, এ শব্দটি ব্যবহার করা হতেই পারে। যেমন বহু দলের নামের মধ্যেই পার্টি, লীগ ইত্যাদি বিদেশি শব্দ ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আমাদের দেশে হিজবুত তাহরীর নামে একটি সংগঠন নিষিদ্ধ হয়েছে। এ দলটির নামের সাথে আমাদের আন্দোলনের নামের আংশিক মিল থাকায় অন্ধ সংবাদকর্মীগণ হেযবুত তওহীদকেও একই কাতারে ফেলে হাজার হাজার পরিকল্পিত মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছেন, যার কাটিং আমাদের কাছে আছে।

অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হয়েছে প্রশাসন:
হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে এই অবিশ্রান্ত অপপ্রচারে প্রশাসন, আইন-আদালতসহ সর্বস্তরের মানুষের মনে ব্যাপক নেতিবাচক ধারণা গেড়ে বসেছে। যেখানেই আমাদের সদস্যরা প্রচারকাজ করতে গেছেন সেখানেই কেউ না কেউ তাদেরকে ভুল বুঝেছে। তাদেরকে প্রচণ্ড মারধর করা হয়েছে, গ্রেফতার করানো হয়েছে, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। সংবাদকর্মীরা আমাদের সদস্যদের বুকে নেমপ্লেট আর হাতকড়া পরানো ছবি পত্রিকায় ছাপিয়ে দিয়েছেন। তারা আসলে দোষী না নির্দোষ সেটা জানার সময়ও তাদের ছিল না। থানাতেও তাদের বহু নির্যাতন করা হয়েছে। তারপর তাদেরকে কোর্টে চালান দিয়ে শুরু হয় তদন্ত। তদন্তে বরাবরই তারা নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে বে-কসুর খালাস পেয়েছেন। তাদের গ্রেফতারের সংবাদ প্রচার করে তাদেরকে সংবাদকর্মীরা সামাজিকভাবে নিদারুণ অপদস্থ করলেও তাদের নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে মুক্তিলাভের সংবাদটি আর তারা প্রচার করেন নি। একটি মিথ্যা কথা যখন বারবার মিডিয়ায় আসে তখন সেটা মানুষ বিশ্বাস করতে বাধ্য হয়। এভাবে বিগত ২২ বছরে করা পাঁচ শতাধিক মামলার একটিতেও আমরা দোষী প্রমাণিত হই নি। এভাবে আমাদেরকে সীমাহীন হয়রানি করার পর প্রশাসনের কর্মকর্তারা এ আন্দোলন সম্পর্কে সত্যটি জানতে পেরেছেন। আজ আমরা সারা দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলা, গ্রামে-নগরে-বন্দরে যখন জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, ধর্মব্যবসা, অপরাজনীতি, ধর্মের নামে হুজুগের বিরুদ্ধে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষাগুলো তুলে ধরছি, দেখা যাচ্ছে পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ আমাদের অনুষ্ঠানগুলোতে সহযোগিতা করছেন।

হেযবুত তওহীদের মূলনীতি:
হেযবুত তওহীদের সূচনালগ্নে এর প্রতিষ্ঠাতা এমামুয্যামান জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী যে মূলনীতিগুলো গ্রহণ করেন সেগুলো আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জানা জরুরি, কারণ এগুলোই আন্দোলনের সকল কর্মকাণ্ডের মূলসূত্র।
হেযবুত তওহীদ তার চলার পথে রসুলাল্লাহর প্রতিটি পদক্ষেপকে অনুসরণ করতে চেষ্টা করবে।
আন্দোলনের কোন গোপন কার্যক্রম থাকবে না, সবকিছু হবে প্রকাশ্য। প্রতিটি কাজ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অবগতিক্রমে করতে হবে যেন ভুল বোঝার কোনো সুযোগ না থাকে।
হেযবুত তওহীদের কোনো সদস্য কোনো আইনভঙ্গ করবে না, অবৈধ অস্ত্রের সংস্পর্শে যাবে না। যদি যায় তাহলে আন্দোলনের কর্তৃপক্ষই তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেবেন।

  • আন্দোলনের বাইরের কারো অর্থ গ্রহণ করা হবে না।
  • হেযবুত তওহীদ কখনও প্রচলিত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হবে না।
  • কর্মক্ষম কেউ বেকার থাকতে পারবে না, প্রত্যেকে বৈধ উপায়ে রোজগারের চেষ্টা করবে।
  • ইসলামের কাজের কোনো বিনিময় কেউ গ্রহণ করতে পারবে না।

আজ পর্যন্ত আমরা এই যে নীতিমালাগুলোর একচুলও ব্যতিক্রম করি নি। আমরা আজ পর্যন্ত কোথাও দাবি আদায় বা বিক্ষোভ প্রদর্শনের নামে দেশের সম্পদ বিনষ্ট করি নি, জ্বালাও পোড়াও করি নি। সম্পূর্ণ নিজেদের অর্থায়নে, নিঃস্বার্থভাবে দেশ, জাতি, ধর্ম ও মানবতার জন্য কাজ করে যাচ্ছে এমন দ্বিতীয় কোনো সংগঠন বাংলাদেশে রয়েছে বলে আমাদের জানা নেই। (চলবে . . .)