দিকে দিকে বাজে রেনেসাঁর তুর্যধ্বনি (শেষ পর্ব) | হেযবুত তওহীদ

দিকে দিকে বাজে রেনেসাঁর তুর্যধ্বনি (শেষ পর্ব)

রিয়াদুল হাসান:

ইউরোপের রেনেসাঁর আগের রেনেসাঁটি ঘটিয়েছিলেন আল্লাহর শেষ রসুল মোহাম্মদ (সা.)। তিনি আরব জাতিকে জাহেলিয়াতের বন্দীদশা, কূপম-ূকতা থেকে এমন এক হ্যাঁচকা টানে বের করে আনলেন যে সেই অশিক্ষিত মূর্খ আরবরা জ্ঞানের প্রতিটি শাখায় সকল জাতির শিক্ষকের আসনে অধিষ্ঠিত হল। তাদের চিন্তাশক্তি এতটাই গতিশীল হলো যে, তারা রসায়ন, ভূগোল, জ্যোতির্বিদ্যা, প্রযুক্তি, জীববিজ্ঞান, ভূতত্ত্ব, চিকিৎসা বিজ্ঞান, সঙ্গীত, শিল্পকলা, স্থাপত্যবিদ্যা ইত্যাদি বিষয়ে বিশাল ভূমিকা রাখলেন, হাজার হাজার মহামূল্যবান বই রচনা করলেন। বহু নতুন ভূখ- তারা আবিষ্কার করলেন। সামরিক শক্তিতে তারা ছিলেন অপরাজেয়, রোমান পারস্যের মতো হাজার বছরের পুরনো শক্তিও তাদের সামনে শুকনো পাতার মতো উড়ে গিয়েছিল। উরাল পর্বত, কারাকোরাম, কিরঘিজ পর্বতের শিখরে তাদের পতাকা উড়ল। সেই আরবজাতি যারা কিছুদিন আগেও ছিল চিন্তাহীন, অথর্ব, চুরি-ডাকাতি আর কামড়া-কামড়িতে ব্যস্ত, ছিল অন্যায়কারী, অন্যায়ের সাথে আপসকারী ভীরু কাপুরুষ, তাদেরকে আল্লাহর রসুল দুঃসাহসী যোদ্ধা ও অর্ধ দুনিয়ার শাসক জাতিতে পরিণত করলেন, তারাই বিশ্বের বুকে সবচেয়ে আলোকিত, মহিমান্বিত, সমৃদ্ধ জাতিরূপে আবির্ভূত হলো। ইতোপূর্বে তারা ধর্ম বলতে বুঝত কাঠ পাথরের মূর্তি পূজা আর মন্ত্রপাঠ অর্থাৎ সংকীর্ণ গ-িতে, স্থবির জড়বস্তুর মধ্যে মানুষের অপার চিন্তাশক্তিকে আড়ষ্ট, আবদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। মানবজীবন প্রচ- গতিময়, ধর্মও যদি তদ্রƒপ গতিময় না হয় তাহলে তা পরিত্যক্ত হবেই, মানুষ তা বেশিদিন বহন করতে পারবে না, এটা প্রাকৃতিক। রসুলাল্লাহ (সা.) তাদেরকে কী ধর্ম শেখালেন? না, স্থবির উপাসনা নয় বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা, নির্যাতিত নিপীড়িত মানুষকে অত্যাচারী শাসকের জুলুম থেকে রক্ষা করা, ন্যায়ের স্থাপনা করা, এটাই তোমাদের ধর্ম, এটাই তোমাদের এবাদত। শেখালেন দৃষ্টিকে প্রসারিত করতে। তাঁর দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে সেই আরবরা নিজেদের সুপ্তসত্তাকে জাগ্রত করলেন, অনুভব করলেন তাদের মধ্যে অপার সম্ভাবনা লুকায়িত আছে। তারা নিজেদেরকে নতুনরূপে আবিষ্কার করলেন, বিশ্বের ইতিহাসকে পাল্টে দিলেন। আরবজাতির এ নবজাগরণ সম্বন্ধে, স্থবিরতার পরিবর্তে আলোড়ন সৃষ্টির নেপথ্য কারণ বলতে গিয়ে ইতিহাসবেত্তা খড়ঃযৎড়ঢ় লিখেছেন- ঋড়ৎমবঃঃরহম ঃযব পযৎড়হরপ ৎরাধষৎরবং ধহফ নষড়ড়ফ ভবঁফং যিরপয যধফ পড়হংঁসবফ ঃযবরৎ বহবৎমরবং রং রহঃবৎহবপরহব ংঃৎরভব, ধহফ বিষফবফ রহঃড় ধ মষড়রিহম ঁহরঃু নু ঃযব ভরৎব ড়ভ ঃযবরৎ হবি ভড়ঁহফ ভধরঃয, ঃযব অৎধনং ঢ়ড়ঁৎবফ ভড়ৎঃয ভৎড়স ঃযবরৎ ফবংবৎঃং ঃড় পড়হয়ঁবৎ ঃযব বধৎঃয ভড়ৎ অষষধয ঃযব ঙহব ঃৎঁব এড়ফ (ঞযব ঘবি ডড়ৎষফ ড়ভ ওংষধস- খড়ঃযৎড়ঢ়). অর্থাৎ “যে পুরাতন প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও পুরুষাণুক্রমিক রক্তাক্ত বিবাদের দরুন ও আত্মকলহে তাদের শক্তি নিঃশেষ হচ্ছিল তা ভুলে যেয়ে এবং নতুন বিশ্বাসের আগুনে উজ্জ্বল ঐক্যে দৃঢ় সংবদ্ধ হয়ে আরবরা তাদের মরুভূমি থেকে বানের ঢলের মত নির্গত হলো- এক এবং সত্য অল্লাহর জন্য পৃথিবী জয় করতে।” কথা হলো, রসুলাল্লাহর সৃষ্ট এই রেনেসাঁ কিন্তু ইউরোপীয় রেনেসাঁর মতো আত্মাহীন, ভারসাম্যহীন, কেবল বস্তুতান্ত্রিক ছিল না। সেটা ছিল শরিয়াহ ও মারেফাত তথা দেহ-আত্মা, দুনিয়া-আখেরাতের ধারণার সমন্বয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ (ইধষধহপবফ) সভ্যতা। যে সভ্যতা মানুষে মানুষে ভেদাভেদ দূর করে সম্প্রীতি সৃষ্টি করেছিল, সমাজকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করেছিল, কিন্তু পুঁজিবাদের শোষণ সেখানে ছিল না, অধিকাংশ মানুষ নৈতিক মূল্যবোধে, আত্মিক মানবিক গুণাবলীতে আলোকিত মানুষে পরিণত হয়েছিল। কালেভদ্রে কেউ অপরাধ করলে নিজে গিয়ে আদালতে নিজের প্রায়শ্চিত্যের জন্য শাস্তি কামনা করত, তাকে ধরে আনার জন্য পুলিশ গোয়েন্দাবাহিনী কিছুই প্রয়োজন পড়ত না। অর্থাৎ মানুষের ভেতরে বাইরে আমূল পরিবর্তন করল। এটাই হলো প্রকৃত বিপ্লব, প্রকৃত রেনেসাঁ। সেই যে রেনেসাঁ সৃষ্টি করে দিলেন রসুলাল্লাহ সেটার ধাক্কা কয়েক শতাব্দী চলল। আবার যখন এই উম্মাহতে ভারসাম্য নষ্ট হলো, রাজা বাদশাহরা ভোগবিলাসে মত্ত হয়ে গেল, একদিকে ভারসাম্যহীন সুফিবাদ জাতির সংগ্রামী বহির্মুখী চরিত্রকে অন্তর্মুখী করে দিল, গতিশীল জাতিকে স্থবির করে দিল; অপরদিকে আলেম মুজতাহিদ, মোফাসসেররা দীনের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে লক্ষ লক্ষ মাসলা মাসায়েল উদ্ভাবন করে জাতিকে বহু ফেরকা, মাজহাবে বিভক্ত করে ফেলল এবং সহজ সরল দীনকে এমনভাবে মাকড়সার জালের ন্যায় জটিল ও দুর্বোধ্য করে ফেলল যে তা সাধারণের বোধগম্যতার বাইরে চলে গেল। দীনের ভারসাম্য নষ্ট হল। এভাবে জাতিকে পঙ্গুত্ব পেয়ে বসল, তারা অন্তর্মুখী জড় হয়ে গেল। তারপর থেকে তাদের উপর আবার গজব শুরু হলো যা এখনও চলছে।
পবিত্র কোর’আনে অবতীর্ণ প্রথম শব্দটিই হলো একটি আদেশ- ইক্রা। অর্থাৎ পড়ো, জানো। সেই অজ্ঞতার অন্ধকারে নিমজ্জিত আরবদেরকে বলা হচ্ছে জানতে, বলা হচ্ছে চিন্তা করতে, গবেষণা করতে, অন্ধত্ব থেকে মুক্ত হয়ে তাদের মস্তিষ্ককে ব্যবহার করতে তাগিদ করা হচ্ছে। আল্লাহর রসুল তাদের চিন্তাজগতে জাগরণ, রেনেসাঁ সৃষ্টি করে দিলেন। তার ফলাফল তো ইতিহাস, সকলেই জানেন। তারা যখন জানল, বুঝল, পড়ল, শিখল জ্ঞানে-বিজ্ঞানে সামরিক শক্তিতে পৃথিবীর সকল জাতির শীর্ষে উন্নীত হয়েছিল, সকলের শিক্ষকের আসন অধিকার করেছিল, হয়েছি প্রধান পরাশক্তিধর সভ্যতা। নতুন নতুন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারে, শিল্পে, সাহিত্যে রেনেসাঁ সৃষ্টি হয়েছিল। সেই রেনেসাঁর ঢেউ সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছিল।
এ যুগের ধর্মান্ধ, কূপম-ূকদের বুঝতে হবে তাদের ধারণ করে রাখা অযৌক্তিক, পরকালনির্ভর, সওয়াবনির্ভর, সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষে পূর্ণ, বিজ্ঞানবিদ্বেষী, প্রগতিবিমুখ, জবরদস্তিকর, পুরুষতান্ত্রিক ও নারী নিগ্রহকারী ধ্যান-ধারণা আর মানবজাতির কাছে গৃহীত হবে না। সেটা বহু শত বছর আগেই আবেদন হারিয়ে ফেলেছে। কখন আবেদন হারিয়েছে সেটাও সকলের জানার প্রয়োজন আছে। যখন মানবজাতি দুর্ভোগে নিমজ্জিত হয়েছিল, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকায় চলছিল দাসত্ব ব্যবস্থার নিষ্পেষণ, ইউরোপে চলছিল মধ্যযুগীয় বর্বরতা ও ইনকুইজিশান, রাশিয়ায় চলছিল জারতন্ত্রের দুঃশাসন তখন ধর্মগুলো কী করছিল, মুসলিমরা কী করছিল? তারা তো সেই অন্যায় অবিচারের হাত থেকে মানুষকে মুক্ত করতে ছুটে যায় নি। তাদের কাছে সেই মহান আদর্শ ছিল যা দিয়ে তারা তখন পৃথিবীতে শ্রেষ্ঠত্বের আসন অধিকার করেছিল। কিন্তু তাদের শাসকরা ছিল ভোগবিলাসে নিমগ্ন, তাদের আলেমরা ছিল ফেকাহ আর তাফসির নিয়ে ফতোয়বাজির গবেষণায় নিবিষ্ট, তাদের সুফিবাদীরা ছিলেন আরো উত্তম পরহেজগার বান্দা হওয়ার সাধনায় আত্মার বিরুদ্ধে সংগ্রামে রত। ধার্মিকরা নিজেদেরকে মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডার আর খানকার চার দেওয়ালে বন্দী করে রেখেছিল, সেখানে বসে বসে তসবিহ টিপছিল। তারা একটিবার মাথা তুলে করে মানুষের দুঃখ দুর্দশা দেখে নি। তারা মানুষের মধ্যে অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য, সামাজিক মুক্তির, সামগ্রিক সমস্যার সমাধানের জন্য কোনো ছুটে যায় নি। অথচ মানুষ মুক্তির নেশায় পাগল হয়ে গিয়েছিল, তারা বিক্ষিপ্তভাবে জীবন দিয়ে যাচ্ছিল মুক্তির সংগ্রামে।
তাদের জন্য এগিয়ে এসেছেন ডেকার্ট, স্পিনোজা, আব্রাহাম লিঙ্কন, কার্ল মার্কস, লেনিন, চে গুয়েভারা। তারা মানুষকে সংগঠিত করেছেন, তাদেরকে জাগিয়ে তুলেছেন বিপ্লবের মন্ত্রে। বক্তব্য দিয়েছেন, মানুষকে পথ দেখিয়েছেন। হ্যাঁ, সেই পথের মধ্যে ভ্রান্তি ছিল যা পরবর্তীতে প্রমাণিত হয়েছে কিন্তু সেটা অন্য জিনিস। তাদের উদ্দেশ্য তো ঠিক ছিল, মানুষ একটি বিকল্প খুঁজেছিল, সেটা তারা পেয়ে গিয়েছিল ঐ দার্শনিক ও বিপ্লবীদের কাছে। সময় তো আর থেকে থাকে না। ধর্ম যখন মানুষের সমাধান দিতে পারল না তখন ঐ নতুন নতুন দর্শনগুলোকেই মানুষ আলিঙ্গন করে নিল, সাম্যবাদ, গণতন্ত্রকেই তারা গ্রহণ করে নিল। তারা সাড়ে ছয় হাজার মাইল দুর্গম পথ মাও সেতুং- এর সাথে পাড়ি দিল, লেনিনের নেতৃত্বে বলশেভিক বিপ্লব ঘটালো। বর্ণবাদ বিলোপের পর নিগৃহীত কালো মানুষেরা আব্রাহাম লিংকনকেই ত্রাতা-দেবতা হিসাবে গ্রহণ করে নিল। সেই দিনই ধর্ম মানুষের কাছে আবেদন হারিয়ে ফেলেছে। এখন ধর্ম ব্যক্তিগত উপাসনালয়ের জন্য, পরকালের জন্য। সওয়াবের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্মগুলো এখন উপাসনালয়ের গ-িতে কোনোমতে টিকে আছে। সেখান থেকেই বিস্তার করে যাচ্ছে বিদ্বেষ, সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প। সুতরাং সেটাও টিকে থাকতে পারবে না বেশিদিন। কারণ চূড়ান্ত বিচারে মানুষ যুক্তিশীল প্রাণী, তারা সাময়িক হুজুগে চালিত হলেও সেটা স্থায়ী হতে পারে না। যুক্তির বাহিরে মানুষ কোনো কাজ বেশি দিন করে না। প্রকৃত ইসলাম এই জন্য যুক্তির কথা বলে, আর বর্তমানের বিকৃত ইসলাম এই যুক্তির বিরুদ্ধে কট্টর অবস্থান নিয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে আবারো প্রয়োজন হয়ে পড়েছে একটা মানবিক সভ্যতার অভ্যূত্থানের যেখানে শক্তির রাজত্ব থাকবে না, থাকবে সত্যের রাজত্ব, ন্যায়ের রাজত্ব। যেখানে মানুষ কথা বলতে পারবে মুক্তভাবে, ভাবতে পারবে মুক্তভাবে। প্রতিটি মানুষ অবাধে পৃথিবীর সর্বত্র বিচরণ করতে পারবে, যেখানে ইচ্ছা বসবাস করতে পারবে। অধিকারের জন্য কাউকে আর রক্ত দিতে হবে না। এখন এই অচলায়তনকে প্রচ- আঘাতে ভেঙে ফেলা সাধারণ মানুষেরই কাজ নয়, এবং বিশেষ করে এ যুগের সকল শিল্পি, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, চিন্তাশীল, সৃষ্টিশীল ব্যক্তিদের কাজ। তারাই সাধারণ মানুষের চিন্তার দুয়ারে এই বজ্রাঘাতটি করবেন যেন তারা মাথা ঝাড়া দিয়ে উঠে দাঁড়ায়। এই কাজটি করার জন্য যে আদর্শটি প্রয়োজন তা আল্লাহ দয়া করে হেযবুত তওহীদকে দান করেছেন। যারা আল্লাহর দান বলে একে মানতে আপত্তি করবেন তারা এটা ধরে নিতে পারেন যে আমরাই চিন্তাভাবনা করে এই আদর্শটি লাভ করেছি। যেভাবেই বলা হোক না কেন, বাস্তবতা হলো আমাদের কাছে সেই আদর্শ আছে এবং সেটা নিয়ে আমরা মাঠে নেমেছি। আমরা চেষ্টা করছি আবারও একটি রেনেসাঁ, নবজাগরণের সূচনা করতে, মানুষের চিন্তার জগতে বিপ্লব ঘটাতে। বুদ্ধি, চিন্তা, আত্মা, দৃষ্টি, বিবেক খুলে দিতে। মানুষকে তার সংকটের গভীরতা উপলব্ধি করানোর চেষ্টা করছি যেন সে জেগে ওঠে, যেন সে এই গোলকধাঁধা থেকে বের হওয়ার পথ সন্ধান করে। এই সন্ধানের মধ্যেই নিহিত আছে রেনেসাঁর নিশ্চয়তা। (সমাপ্ত)

Search Here

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ধর্মবিশ্বাসে জোর জবরদস্তি চলে না

April 15, 2019

মোহাম্মদ আসাদ আলী ইসলামের বিরুদ্ধে বহুল উত্থাপিত একটি অভিযোগ হচ্ছে- ‘ইসলাম বিকশিত হয়েছে তলোয়ারের জোরে’। পশ্চিমা ইসলামবিদ্বেষী মিডিয়া, লেখক, সাহিত্যিক এবং তাদের দ্বারা প্রভাবিত ও পশ্চিমা শিক্ষায় শিক্ষিত গোষ্ঠী এই অভিযোগটিকে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার প্রচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। তাদের প্রচারণায় অনেকে বিভ্রান্তও হচ্ছে, ফলে স্বাভাবিকভাবেই ইসলামের প্রতি অনেকের নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি হচ্ছে। কিন্তু আসলেই কি […]

আরও→

সময়ের দুয়ারে কড়া নাড়ছে নতুন রেনেসাঁ

April 14, 2019

হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম অন্যায়ের দুর্গ যতই মজবুত হোক সত্যের আঘাতে তার পতন অবশ্যম্ভাবী। আল্লাহ ইব্রাহিম (আ.) কে দিয়ে মহাশক্তিধর বাদশাহ নমরুদের জুলুমবাজির শাসনব্যবস্থার পতন ঘটালেন। সেটা ছিল প্রাচীন ব্যবিলনীয় সভ্যতা যার নিদর্শন আজও হারিয়ে যায়নি। তৎকালে সেটাই ছিল বিশ্বের শীর্ষ সভ্যতা। তারা অহঙ্কারে এতটাই স্ফীত হয়েছিল যে উঁচু মিনার তৈরি করে তারা আল্লাহর আরশ দেখতে […]

আরও→

Categories