এতটা উচ্চাশা কি ইংরেজদের ছিল? | হেযবুত তওহীদ

এতটা উচ্চাশা কি ইংরেজদের ছিল?

মোহাম্মদ আসাদ আলী:

অনেকে প্রশ্ন করেন ধর্মহীন শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েও পশ্চিমারা কত নৈতিক জীবনযাপন করে, তাহলে আমরা পারি না কেন? আমরাদেরকে কেন নৈতিক মূল্যবোধ অর্জন করতে ধর্মের আশ্রয় নিতে হবে? এর জবাব দেওয়ার আগে ভেবে দেখা দরকার প্রশ্নটা আদতে কতটুকু যুক্তিসঙ্গত! আসলেই কি ধর্মহীন শিক্ষা পশ্চিমাদেরকে উন্নত নৈতিক চরিত্রের অধিকারী করতে পেরেছে?
প্রথম কথা হচ্ছে, তাদের শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে যে নৈতিক শিক্ষাটা জনসাধারণকে দেওয়া হয় সেটা যার যার সীমান্তবেষ্টিত ভূখণ্ডের স্বার্থকে ঘিরে আবর্তিত হয়। যেমন ছোটবেলা থেকেই শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে কতগুলো বুনিয়াদী বিষয় তাদের চরিত্রে গেঁথে দেওয়া হয় যে, রাষ্ট্রের ক্ষতি হয় এমন কোনো কাজ করা যাবে না। খাদ্যে ভেজাল দেওয়া যাবে না, চুরি করা যাবে না, দুর্নীতি করা যাবে না, এক কথায় রাষ্ট্রীয় আইন অমান্য করা যাবে না। ফলে ঐসব দেশের মাতাল-ব্যভিচারীর মধ্যেও একটি বিষয়ে খুব সচেতনতা লক্ষ করা যায় এবং তা হচ্ছে দেশের স্বার্থকে ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া। বলার অপেক্ষা রাখে না- এই নৈতিকতা পূর্ণাঙ্গ নৈতিকতা নয়, এ থেকে ঐ সীমান্তবেষ্টিত ভূখণ্ডে বসবাসকারী কয়েক লাখ বা কয়েক কোটি মানুষ উপকৃত হলেও সার্বিকভাবে মানবজাতির কোনো লাভ হয় না। বরং ভৌগোলিক সীমানাপ্রাচীরের শাসনে বন্দী ঐ নৈতিকতাটুকু আন্তর্জাতিক বিবেচনায় অনেকক্ষেত্রেই ঘোর অনৈকতার জন্ম দিয়ে ফেলে। ‘পৃথিবীর সবাই ধ্বংস হয়ে যাক আমার দেশ ভালো থাকলেই হলো’ ‘আমার দেশের জন্য যা কিছু কল্যাণকর তাই নৈতিক, যা কিছু অকল্যাণকর তাই অনৈতিক’ এই আত্মকেন্দ্রিক স্বার্থপর ধারণাকে আর যাই হোক নৈতিকতার মর্যাদা দেওয়া যায় না। এটা নৈতিক হলে হিটলারও খুব নীতিবান নেতা ছিলেন! কারণ তিনি স্বদেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে যান নি এবং যা কিছু করেছেন জার্মানির ভালো হবে ভেবেই করেছেন!

দ্বিতীয় কথা হচ্ছে, বস্তুতান্ত্রিক ও প্রযুক্তি বিজ্ঞানে উন্নত হলেও একপেশে ভারসাম্যহীন জীবনব্যবস্থার অবশ্যম্ভাবী পরিণতিতে মানবজীবনের অপর দিকটায়, মানবতার দিকটায়, আত্মার দিকটায় তারা ভয়াবহ রকম অন্ধ। তারা আজ এমন ভয়াবহ অস্ত্র তৈরি করেছে যা দিয়ে সমস্ত মানবজাতিকে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলা যায় এবং তার ব্যবহারও ইতোমধ্যেই শুরু করেছে। তারাই পুঁজিবাদী অর্থনীতি চালু করে পৃথিবীর অর্ধেক মানুষের সম্পদ মাত্র আটজনের হাতে জড়ো করেছে, অন্যদিকে লাখে লাখে মানুষ না খেয়ে মারা যাচ্ছে। পারিবারিক ও ব্যক্তিগত নৈতিক অবস্থা আরও মর্মান্তিক। জাতীয় জীবন থেকে ধর্মকে নির্বাসন দেবার পর থেকে যে নৈতিক পতন আরম্ভ হয়েছে তা এমন পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে যে, আজ পাশ্চাত্যে পারিবারিক বন্ধন প্রায় অনুপস্থিত, যৌন নৈতিকতা ধরতে গেলে কিছুই নেই। সমকামিতা কেবল বৈধই নয়, খুবই জনপ্রিয়। চৌদ্দ পনের বছরের অবিবাহিতা মেয়েদের মধ্যে শতকরা ৬০ থেকে ৭০ জনের সতীত্ব নেই। প্রতি তিনটি সদ্যপ্রসূত শিশুর মধ্যে একটা জারজ।

আত্মাহীনতার এখানেই শেষ নয়। সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন চালিয়ে বিশ্বের দুর্বল রাষ্ট্রগুলো ধ্বংস করে দিতে, আকাশ থেকে বোমাবৃষ্টি বর্ষণ করে অসহায় নিরীহ মানুষগুলোকে কাতারে কাতারে হত্যা করতে তাদের নৈতিকতায় সামান্যও বাধে না। বাধে না কারণ যারা মারছে তারা আমেরিকান, জার্মান, ব্রিটিশ, ফরাসী জাতি কিন্তু যাদেরকে মারা হচ্ছে তারা আমেরিকান বা ব্রিটিশ বা জার্মান নয়! কাজেই তাদের মারাটা পাপ বা অনৈতিক কিছু নয়। পাশ্চাত্যের ধর্মহীন সভ্যতার এই নৈতিক স্খলন, এই আত্মাহীনতার বিরুদ্ধে সারাদিন বললেও শেষ হবে না। যাদের দৃষ্টিশক্তি আছে তাদের জন্য শুধু এইটুকু বলে রাখি যে, আজ সারা পৃথিবীর শাসনকর্তৃত্ব কার্যত পশ্চিমাদের হাতে রয়েছে, তারাই এখন পৃথিবীর সর্বেসর্বা পৃথিবীর নিয়ন্ত্রক ও পরিচালকের ভূমিকা পালন করছে এতে আশা করি কারো দ্বিমত নেই। তারা যে ব্যবস্থাকে ভালো বলছে সেই ব্যবস্থাকে সারা পৃথিবী ভালো আখ্যা দিয়ে গ্রহণ করে নিচ্ছে, তারা যেটা খারাপ বলছে সেটাকে সবাই খারাপ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করছে। তারা মিডিয়ার মাধ্যমে বিশ্ববাসীকে যা ভাবাচ্ছে মানুষ তাই ভাবছে, যা ভাবাতে চাচ্ছে না মানুষ তা ভাবছেও না। মানুষের সামনে যে লক্ষ্য স্থির করে দিচ্ছে মানুষ সেই লক্ষ্যের পানেই পড়ি কি মরি হয়ে ছুটছে, যেদিকে তাদের আপত্তি সেদিকে কেউ দৃষ্টিও দিচ্ছে না। এক কথায় সারা পৃথিবীর উপর একচ্ছত্র কর্তৃত্ব, প্রভুত্ব করছে ঐ কথিত ধর্মহীন নৈতিকতার ধারক বাহকরা, তাহলে ঐ প্রভুজাতিগুলো কতটা নৈতিক শক্তির অধিকারী হতে পেরেছে তা তো পৃথিবীর দিকে তাকালেই বোঝা যাবার কথা, তাই নয় কি? কথায় আছে বৃক্ষ তোমার নাম কী- ফলে পরিচয়! ধর্মহীন নৈতিকতার ফল এই যে, আজ দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচারে, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনায়, শাসিতের উপর শাসকের অবিচারে, সরলের উপর ধূর্তের বঞ্চনায় পৃথিবী পরিপূর্ণ হয়ে আছে। এত দুঃখ, এত ক্রন্দন, এত ক্ষুধা, এত নিষ্ঠুরতা, এত স্বজন হারানোর আর্তনাদ পৃথিবীর ইতিহাসে অতীতে কখনও ছিল বলে মনে হয় না। এক কথায় ধর্মহীনতার ফল হয়েছে ‘অশান্তি’। কাজেই আজকে যারা আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের দেশে পাশ্চাত্যের ধর্মহীন নৈতিকতা আমদানি করে শান্তি প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখছেন তাদের স্বপ্ন কোনোদিনই বাস্তব হবার নয়, তা দুঃস্বপ্ন হতে বাধ্য।

এই ইতিহাসবিস্মৃত হীনম্মন্য শিক্ষিত সমাজ নিজেদের ইতিহাস একটু তলিয়ে দেখলেই বুঝতেন নৈতিক গুণাবলী সম্পন্ন জাতি গঠন করার জন্য পশ্চিমাদের মতো ধর্মহীন হবার দরকার পড়ে না। আমাদের মতো তৃতীয় বিশ্বের গরীব দেশগুলো এক সময় ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রভাবে নৈতিক গুণসম্পন্ন জাতিই ছিল এবং বর্তমানে যে অন্যায়, অবিচার, অনৈতিকতার বিস্তার ঘটেছে তার জন্য প্রধানত দায়ী পশ্চিমারাই। একটা সময় প্রাচ্যের জাতিগুলোকে সামরিক শক্তিবলে দখল করার পর পাশ্চাত্য তাদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য প্রাচ্যে যে শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছিল তাতে তারা কোনো নৈতিক শিক্ষার ব্যবস্থা রেখেছিলনা, আর ধর্মীয় শিক্ষা তো নয়-ই। উদ্দেশ্য ছিল এমন একটি শ্রেণি তৈরি করা যারা নিজেদের ইতিহাস ঐতিহ্য সম্পর্কে হীনম্মন্যতায় আপ্লুত থাকবে এবং শাসক প্রভুদের সবকিছুকেই উৎকৃষ্ট জ্ঞান করবে। ঐ শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষিত হয়ে যে দাসমনোবৃত্তির শিক্ষিত শ্রেণি গড়ে উঠল স্বভাবতই তাদের মাঝে না ছিল ধর্মীয় মুল্যবোধ, না ছিল ব্যক্তিগত ভালো হয়ে চলার শিক্ষা। জাতির লোককে বঞ্চিত করে বিদেশী প্রভুদের মনোরঞ্জন করাটাই তাদের কর্তব্য হয়ে দাঁড়িয়েছিল। একটা সময় প্রভু শাসকরা মুক্তি দিয়ে চলে গেলেও এই শিক্ষিত শ্রেণিটি মুক্তি নিল না। যেহেতু তারা শিখেছে প্রভুদের সবকিছুই উৎকৃষ্ট আর নিজেদের যা কিছু সব নিকৃষ্ট, অখাদ্য, কাজেই তারা শাসনক্ষমতা লাভ করে প্রতিটি বিষয়ে পশ্চিমা প্রভুদেরই অনুকরণ করে যেতে লাগল এবং তাদের সব কিছুই গ্রহণ করার সঙ্গে সঙ্গে তাদের রাজনৈতিক সিস্টেমও গ্রহণ করল। ঐ সিস্টেম মানুষের মস্তিষ্কপ্রসূত এবং ইউরোপের সামাজিক, ধর্মীয়, অর্থনৈতিক, মানসিক ও চারিত্রিক পরিবেশে ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছে অর্থাৎ বিবর্তনের মধ্য দিয়ে বর্তমানের রূপ পেয়েছে। ঐ সিস্টেম প্রাচ্যের নেতৃত্ব তাদের অন্ধ হীনম্মন্যতায় অপরিবর্তিত রূপে তাদের নিজ নিজ দেশ ও জাতিগুলির উপর চাপাল। এদের মানসিক দাসত্ব এতো গভীর যে, অশিক্ষিত নিরক্ষর মানুষেরও যে সাধারণ জ্ঞান আক্কেল থাকে সেটুকু ব্যবহার করলেও তারা দেখতে পেত যে, সম্পূর্ণ ভিন্ন, প্রধানত বিপরীত পরিবেশে যে সিস্টেম ঘাত প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে পাশ্চাত্য জগতে গড়ে উঠেছে তা হঠাৎ করে প্রাচ্যের জাতিগুলির উপর চাপালে তা চলবে না, অবশ্যম্ভাবী পরিণতি হবে বিশৃঙ্খলা, হতাশা। ঠিক তাই হয়েছে এবং আজ পর্যন্ত সেই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিই চলে আসছে। দিনকে দিন অবস্থা আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। পরিহাসের বিষয় হচ্ছে, পশ্চিমাদের অন্ধ অনুকরণ করতে করতে এই হীনম্মন্য ইতিহাসবিস্মৃত শিক্ষিত শ্রেণিটি এতটাই অভ্যস্ত হয়ে গেছে যে, চলমান অশান্তিময় পরিস্থিতি দেখে কোথায় তারা নিজেদের অতীত কৃতকার্যের ব্যাপারে অনুতপ্ত হয়ে ঘুরে দাঁড়াবেন তা নয়, তারা আরও জোর দিয়ে যে কথাটা বলতে চাইছেন তা হচ্ছে, আমাদের ধর্মহীনতা ঠিক পশ্চিমাদের ধর্মহীনতার মত হয় নি। হলে অবশ্যই আমরা পশ্চিমাদের মত উন্নত হতে পারতাম। কাজেই আরও বেশি ধর্মহীন হতে হবে, কেবল রাষ্ট্র সমাজ ও শিক্ষাজীবন থেকে ধর্মকে বাদ দিলেই হবে না, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক চর্চা থেকেও ধর্ম বাদ দিতে হবে। ছেলে মেয়েদেরকে ছোটবেলা থেকেই ধর্ম থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে হবে এবং বেশি বেশি বিজ্ঞান শেখাতে হবে ইত্যাদি! অর্থাৎ সেই দাস মনোবৃত্তি আবারও! এই আত্মবিস্মৃত মানসিক দাসদের কে বলে দেবে যে, ধর্মহীনতা আমদানি করার আগে পর্যন্ত আমাদের ভারতবর্ষের মানুষের নৈতিক অবস্থা কী ছিল তা তারা কল্পনাও করতে পারবেন না। আমি বললে হয়ত তাদের বিশ্বাস হবে না, যারা তিনশ’ বছর আমাদেরকে শাসন ও শোষণ করে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও নৈতিকভাবে ভিখিরির জাতি বানিয়ে গেছে সেই শাসক প্রভুদের মন্তব্যই তুলে ধরছি, তারা আমাদেরকে কী দৃষ্টিতে দেখত খেয়াল করুন। লর্ড মেকলে ১৮৩৫ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বলেন, ‘আমি ভারতের এ মাথা থেকে ও মাথা ঘুরে বেড়িয়েছি কিন্তু একটি ভিক্ষুকও আমার চোখে পড়ে নি, একটি চোরও আমি দেখতে পাই নি। এদেশে সম্পদের এত প্রাচুর্য এবং এদেশের মানুষগুলো এতটাই যোগ্যতাসম্পন্ন ও উন্নত নৈতিক চরিত্রের অধিকারী যে, এ দেশেকে আমরা কখনই পদানত করতে পারব না যদি তাদের মেরুদণ্ডটি ভেঙ্গে ফেলতে না পারি।’

বলার অপেক্ষা রাখে না যে, আমাদের মেরুদণ্ড ভাঙার ব্রিটিশ ষড়যন্ত্র বিফল হয় নি এবং একাজে এতটাই সফল হয়েছে, এত সুন্দরভাবে আমাদের মগজ ধোলাই করতে পেরেছে যে, ইংরেজরা আমাদের মুক্তি দিয়ে চলে গেলেও আমরা নিজেরা মুক্তি নিই নি। আমরা ধরেই নিয়েছি যা কিছু আমাদের তা নিকৃষ্ট, আর যা কিছু প্রভু পশ্চিমাদের তা-ই উৎকৃষ্ট। পশ্চিমাদের রাষ্ট্রব্যবস্থা উৎকৃষ্ট, অর্থব্যবস্থা উৎকৃষ্ট, সমাজব্যবস্থা উৎকৃষ্ট, শিক্ষাব্যবস্থা উৎকৃষ্ট এবং পশ্চিমাদের শেখানো এই ধারণা ‘ভালো মানুষ হতে ধর্মের প্রয়োজন নেই’ এটাও উৎকৃষ্ট! একটি প্রশ্ন করতে ইচ্ছা হয়- মানসিকভাবে, চিন্তা চেতনায় তো বটেই, আত্মিকভাবেও আমরা যে পাশ্চাত্যের বংশানুক্রমিক দাসানুদাস হয়ে যাব- এতটা উচ্চাশা কি ইংরেজদের ছিল?

লেখক: সহকারী সাহিত্য সম্পাদক, হেযবুত তওহীদ।

Search Here

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ধর্মবিশ্বাসে জোর জবরদস্তি চলে না

April 15, 2019

মোহাম্মদ আসাদ আলী ইসলামের বিরুদ্ধে বহুল উত্থাপিত একটি অভিযোগ হচ্ছে- ‘ইসলাম বিকশিত হয়েছে তলোয়ারের জোরে’। পশ্চিমা ইসলামবিদ্বেষী মিডিয়া, লেখক, সাহিত্যিক এবং তাদের দ্বারা প্রভাবিত ও পশ্চিমা শিক্ষায় শিক্ষিত গোষ্ঠী এই অভিযোগটিকে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার প্রচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। তাদের প্রচারণায় অনেকে বিভ্রান্তও হচ্ছে, ফলে স্বাভাবিকভাবেই ইসলামের প্রতি অনেকের নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি হচ্ছে। কিন্তু আসলেই কি […]

আরও→

সময়ের দুয়ারে কড়া নাড়ছে নতুন রেনেসাঁ

April 14, 2019

হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম অন্যায়ের দুর্গ যতই মজবুত হোক সত্যের আঘাতে তার পতন অবশ্যম্ভাবী। আল্লাহ ইব্রাহিম (আ.) কে দিয়ে মহাশক্তিধর বাদশাহ নমরুদের জুলুমবাজির শাসনব্যবস্থার পতন ঘটালেন। সেটা ছিল প্রাচীন ব্যবিলনীয় সভ্যতা যার নিদর্শন আজও হারিয়ে যায়নি। তৎকালে সেটাই ছিল বিশ্বের শীর্ষ সভ্যতা। তারা অহঙ্কারে এতটাই স্ফীত হয়েছিল যে উঁচু মিনার তৈরি করে তারা আল্লাহর আরশ দেখতে […]

আরও→

Categories