গাজীপুর, কালিয়াকৈর থানার জিডি- ৪৮২ | হেযবুত তওহীদ

গাজীপুর, কালিয়াকৈর থানার জিডি- ৪৮২

সারকথা
গাজীপুর, কালিয়াকৈর থানার জিডি- ৪৮২, তারিখ- ১৮/১২/২০০৮ ইং, ধারা- ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৫৪।
সন্দিগ্ধ আসামী     ১. মোঃ হানিফ মিয়া (৪৮),
২. মোঃ হযরত আলী (৪৮),
৩. মোঃ চাঁন্দু মিয়া (৫০),
৪. মোসাঃ শিরিন সুলতানা পারুল (১৮) এবং
৫. মোসাঃ সালমা আক্তার (১৮)

প্রকৃত ঘটনাঃ এ যামানার এমামের অনুসারী হেযবুত তওহীদ সদস্য-সদস্যাগণ গাজীপুর, কালিয়াকৈর থানাধীন সমগ্র এলাকায় প্রকাশ্যে সর্বশ্রেণির মাঝে শান্তিপূর্ণউপায়ে প্রকৃত এসলাম প্রচার করায় স্থানীয় লেবাসধারী ধর্মজীবী মোল্লাশ্রেণি, স্কুল শিক্ষক মোয়াজ্জেম আলী (মুরতাদ) এবং ইউ/পি সদস্য আইয়ূব আলী ষড়যন্ত্র করে নিষিদ্ধ সংগঠনের জঙ্গি সদস্যরা এলাকায় নাশকতা সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত আছে বলে র‌্যাব-১ সদস্যদের মিথ্যা তথ্য দিলে র‌্যাব সদস্যরা সাদা পোশাকে উক্ত থানাধীন শিমুলিয়া গ্রামে যেয়ে হেযবুত তওহীদ সদস্যদের নিজ নিজ বসতবাড়ি থেকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-১, উত্তরা কার্যালয়ে এনে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদসহ অনুসন্ধান করে হেযবুত তওহীদ নিষিদ্ধ নয়, এ আন্দোলনের সদস্য-সদস্যারা কোন নাশকতা সৃষ্টির কাজে জড়িত নয় এবং আন্দোলনের প্রকাশনা সমূহ বৈধ মর্মে নিশ্চিত হয়েও সন্দিগ্ধ আসামী হিসাবে কালিয়াকৈর থানায় হস্তান্তর করলে ও/সি, কালিয়াকৈর থানা আটককৃত মোজাহেদ-মোজাহেদাদের ফৌঃকাঃবিঃ আইনের ৫৪ ধারা মতে আদালতে সোপর্দ করে। উক্ত ঘটনায় র‌্যাব অধীনায়ক, উত্তরা’র দেয়া প্রতিশ্রুতি মোতাবেক ষড়যন্ত্রকারী মিথ্যা সংবাদদাতাদের বিরুদ্ধে র‌্যাব অধীনায়ক, র‌্যাব-১, উত্তরা বরাবর লিখিত আবেদন করা হলেও হেযবুত তওহীদ সদস্য-সদস্যাগণ এসলামের পক্ষে কাজ করে বিধায় মিথ্যা অভিযোগে হয়রানীর শিকার হওয়া হেযবুত তওহীদ সদস্য-সদস্যাগণ কোন প্রতিকার পায় নাই।

পুলিশ ফরোয়ার্ডি-এর বক্তব্যঃ র‌্যাব-১, উত্তরা, ঢাকা’র অফিসার মোঃ আব্দুল হান্নান আসামীদেরকে নিয়া তানায় হাজির হইয়া লিখিতভাবে জানান যে, কালিয়াকৈর থানা এলাকায় সাদা পোষাকে বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে গোপন সূত্রে সংবাদ পান যে, শিমুলিয়া গ্রামে উগ্র মৌলবাদী সংগঠন গোপনে এলাকার সাধারণ লোকজনদেরকে উগ্র মৌলবাদী সংগঠনে সংগঠিত করার জন্য কিছু বই, সিডি এবং লিফলেট বিতরণ করিয়া আসিতেছে। উল্লেখিত র‌্যাব এর অফিসার ও ফোর্স উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে শিমুলিয়া গ্রামের আসামী চান্দু মিয়ার ঘর হইতে তাহাদের আলোচনা সভা চলাকালীন ধৃত করিয়া তাহাদের নিকট হইতে কিছু উগ্র মৌলবাদী বই সিডি এবং লিফলেট উদ্ধার করিয়া ফৌঃকাঃবিঃ ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করে।

প্রাথমিক তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, উপরোক্ত আসামীরা আসন্ন ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে উগ্র মৌলবাদী সংগঠনকে তরান্বিত করিয়া নির্বাচনে সহিংস ঘটনা সংঘটিত করার নিমিত্তে উল্লেখিত স্থানে জমায়েত হয়। উল্লেখিত আসামীরা আসন্ন ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার নিমিত্তে এবং কোন সহিংস ঘটনা সংঘটিত করিতে পারে বলিয়া প্রাথমিক তদন্তে প্রকাশ পাইতেছে।

তদন্ত প্রতিবেদনঃ তদন্তকালে আসামীরা উগ্র জঙ্গিবাদ সংঘটনসহ ইসলাম বিরোধী কর্মকান্ড এবং রাষ্ট্র বিরোধী সহিংস ঘটনা সংঘটন করার ব্যাপারে কোন স্বাক্ষী প্রমাণ পাওয়া যায় নাই। তদন্ত কালে তাহাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যক্তি বা সংস্থা থানায় কোন অভিযোগ করে নাই।
তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৪/০১/২০০৯ ইং