সাতক্ষীরা, কালিগঞ্জ থানার জিডি- ১৭৪ | হেযবুত তওহীদ

সাতক্ষীরা, কালিগঞ্জ থানার জিডি- ১৭৪

সারকথা
সাতক্ষীরা, কালিগঞ্জ থানার জিডি- ১৭৪, তারিখ- ০৬/০১/২০০৯ ইং, ধারা- ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৫৪।
সন্দিগ্ধ আসামী     ১. মোসাঃ মাসুদা খাতুন (৩৩),
২. মোঃ মোস্তফা হোসাইন (৩০)

প্রকৃত ঘটনাঃ এ যামানার এমামের অনুসারীনী মোসাঃ মাসুদা খাতুন (৩৩) ও মোস্তফা হোসাইন (৩০)-দ্বয় আপন ভাই-বোন। তারা তাদের নিজ গ্রাম অত্র থানাধীন মথুরেশপুর ইউ/পি’র অন্তর্গত বসন্তপুরসহ অত্র থানাধীন সমগ্র গ্রামে যেয়ে স্থানীয় মালিকদের অনুমতি স্বাপেক্ষে প্রকাশ্যে বাড়িতে বাড়িতে যেয়ে সর্বসাধারণের মাঝে শান্তিপূর্ণউপায়ে নিয়মিতভাবে প্রকৃত এসলাম প্রচার করে। উক্ত কারণাধীণে স্থানীয় লেবাসধারী কতক নামধারী মোল্লাসহ গ্রামের কতিপয় স্বাথান্বেষী ষড়যন্ত্রমূলক নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের জঙ্গি সদস্য-সদস্যারা অত্র থানা এলাকায় নিয়মিতভাবে সদস্যা সংগ্রহের তৎপরতা চালাচ্ছে বলে থানায় মিথ্যা সংবাদ দিলে থানা পুলিশ হেযবুত তওহীদ সদস্যদের নিজ বসত বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আন্দোলন ও প্রকাশনাসমূহের বৈধতা সংক্রান্তের কাগজাদি দেখে বে-আইনী কোন কিছু না পেয়েও নিষিদ্ধ সংগঠনের জঙ্গি সদস্য-সদস্যারা এসলাম ধর্মের নামে অপ-প্রচার করে নাশকতা সৃষ্টির জন্য সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করছে বলে মিথ্যা অভিযোগে তাদেরকে সন্দিগ্ধ আসামী হিসাবে আদালতে সোপর্দ করে।

পুলিশ ফরোয়ার্ডি-এর বক্তব্যঃ অত্র থানাধীন বসন্তপুর সাকিনস্থ জনৈক মনসুর আলী সরদারের বসত বাড়িতে বিতর্কীত ইসলামী সংগঠন হেযবুত তওহীদের কালীগঞ্জ থানা প্রতিনিধির নেতৃত্বে সংগঠনের অসংখ্য সদস্যদের উপস্থিতিতে গোপন সভার কার্যক্রম চলিতেছে মর্মে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সঙ্গিয় অফিসার ও ফোর্সসহ উক্ত বাড়িতে তল্লাশী চালাইলে হেযবুত তওহীদের সংগঠন সদস্য উক্ত আসামীদ্বকে গ্রেফতার করা হয়। আসামীদের কথোপকথোনে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত আসামীগণ তাদের কেন্দ্রীয় ইমাম মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নীর ও সাতক্ষীরা জেলা আমীর মোফাজ্জল হোসাইন-এর নির্দেশে বিভিন্ন গোপন আস্তানায় সভা আহ্বান করিয়া দলীয়করণ এবং সাধারণ লোকদের প্রচলিত ধর্মীয় রীতির বিরুদ্ধে হিংসাত্মক মনোভাব গঠন পূর্বক জিহাদের ডাক দিতেছিল।

তদন্ত প্রতিবেদনঃ গ্রেফতার পূর্বক আদালতে প্রেরণের পর হইতে এখন পর্যন্ত স্থানিয়ভাবে সরেজমিনে প্রকাশ্য ও গোপনে তদন্ত পরিচালনা করিয়া তাহাদের কারোর বিরুদ্ধে নাশকতামূলক জঙ্গি তৎপরতা, অসামাজিক কোন কর্মকান্ডের প্রমাণ পওয়া যায় নাই। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ চেয়ারম্যান মেম্বরদের সাথে কথা জানা যায় যে, তাদের উভয়ের স্বভাব চরিত্র ভাল এবং পূর্ববর্তী অসামাজিক কর্মকান্ডের কোন সামাজিক বা থানা রেকর্ড নাই। হিযবুত তওহীদের ধর্মীয় দর্শনে বিশ্বাসী হয়েই তারা উক্ত সংগঠনের সাথে যুক্ত হয় এবং সেভাবেই তাদের জীবনযাত্রা পরিচালিত।
তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৬/০২/২০০৯ ইং