লালমনিরহাট, এজচ থানার জিডি- ৫৪৮ | হেযবুত তওহীদ

লালমনিরহাট, এজচ থানার জিডি- ৫৪৮

সারকথা
লালমনিরহাট, এজচ থানার জিডি- ৫৪৮, তারিখ- ১৯/০৮/২০১২ ইং, ধারা- ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৫৪।
সন্দিগ্ধ আসামী ১. মোঃ রুমানুল ইসলাম রুবেল (১৮),
২. মোঃ রফিকুল ইসলাম (৩৫),
৩. মোঃ সুজন আলী (২১) এবং
৪. মোঃ মিজানুর রহমান (২৮)

প্রকৃত ঘটনাঃ এ যামানার এমামের অনুসারী মোঃ রুমানুল ইসলাম রুবেল (১৮), মোঃ রফিকুল ইসলাম (৩৫), মোঃ সুজন আলী (২১) এবং মোঃ মিজানুর রহমান (২৮) লালমনিরহাট রেলস্টেশন থেকে ট্রেনে হকারী মাধ্যম সর্বশ্রেণীর মাঝে “আল্লাহর মোজে’জা হেযবুত তওহীদের বিজয় ঘোষণা” শিরোনামের লিফলেট ও মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী রচিত ধর্মীয় বই নিয়ে বালাগ (এসলামের দাওয়াত) করতে করতে তিস্তা রেল স্টেশনে নামলে সেখানে পূর্ব থেকেই অবস্থান করা লেবাসধারী কতক মোল্লা পরিকল্পিতভাবে সেখানকার কয়েকজন সন্ত্রাসী প্রকৃতির যুবককে সাথে নিয়ে হেযবুত তওহীদ সদস্যদের আটক করে জি.আর.পি পুলিশের কাছে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের সদস্যদের আটক করে রেখেছি বলে সংবাদ দিলে জিআরপি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আটককৃতদের হেফাজতে নিয়ে জিআরপি থানায় এনে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করাসহ আন্দোলন ও প্রকাশনার বৈধতা সংক্রান্ত সকল কাগজাদি দেখে বেআইনী কিছু না পেয়েও এসলাম বিদ্বেষী মিডিয়ার যোগসাজসে ও/সি, জিআরপি থানার নির্দেশে এস.আই মোঃ আবু হাসান সরকার আটককৃতদের সন্দিগ্ধ আসামী হিসাবে আদালতে সোপর্দ করে।

পুলিশ ফরোয়ার্ডি-এ আনিত অভিযোগঃ আসামী মোঃ রুমানুল ইসলাম রুবেল (১৮), মোঃ রফিকুল ইসলাম (৩৫), মোঃ সুজন আলী (২১) এবং মোঃ মিজানুর রহমান (২৮)-গণ আসন্ন ঈদুর ফিতর উপলক্ষে বিভিন্ন ট্রেনে ও রেলওয়ে স্টেশনে লিফলেট ও বই বিক্রি করার নামে যে কোন ধরনের নাশকতামূলক ঘটনাসহ ধর্তব্য অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে লিফলেট ও বই বিক্রি করিতেছিল।

তদন্ত প্রতিবেদনঃ সার্বিক তদন্তে জানা যায় যে, তাহারা হেযবুত তওহীদ সংগঠনের সদস্য এবং তাহারা মোহাম্মদ বায়াজীদ খাঁন পন্নী রচিত ইসলামী ধর্মীয় বই পুস্তক বিভিন্ন স্থানে বিক্রয় করিয়া থাকে। উক্ত লেখকের বৈধ বই পুস্তক বহুল আলোচিত ও প্রচারের নিমিত্তে বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে। এতদসংক্রান্তে সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ তদন্তে সন্দেহভাজন আসামীদের বিরুদ্ধে অন্যায়/অপরাধজনক কোন কার্য্যক্রম পরিলক্ষিত হয় নাই এবং কোন উপযুক্ত স্বাক্ষ্য প্রমাণ তাহাদের বিরুদ্ধে পাওয়া যায় নাই। তাহা ছাড়া তাহাদের বর্ণিত সংগঠন (হেযবুত তওহীদ) ও কার্যক্রম বৈধ বলিয়া প্রতীয়মান হয়।
তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৮/০১/২০১৩ ইং।