নড়াইলের লোহাগড়ায় দেশেরপত্রের অফিস উদ্বোধন

গতকাল নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় দৈনিক দেশেরপত্রের অফিস উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মঞ্চে উপবিষ্ট (বাম থেকে) দেশেরপত্রের উপদেষ্টা মসীহ উর রহমান, লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. দৌলত খান, নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. শেখ হাফিজুর রহমান, নড়াইল-১ আসনের সাবেক সাংসদ ও নড়াইল জেলা কৃষকলীগ সভাপতি অধ্যক্ষ এস.এম.আবু সাইদ এবং নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অব: লে: কর্নেল সৈয়দ হাসান ইকবাল।
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় দৈনিক দেশেরপত্রের অফিস উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মঞ্চে উপবিষ্ট (বাম থেকে) দেশেরপত্রের উপদেষ্টা মসীহ উর রহমান, লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. দৌলত খান, নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. শেখ হাফিজুর রহমান, নড়াইল-১ আসনের সাবেক সাংসদ ও নড়াইল জেলা কৃষকলীগ সভাপতি অধ্যক্ষ এস.এম.আবু সাইদ এবং নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অব: লে: কর্নেল সৈয়দ হাসান ইকবাল।

দেশের ষোল কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার অভিপ্রায় ও মানবতার কল্যাণে সত্য প্রকাশের দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়ে দুরন্ত গতিতে এগিয়ে চলছে দৈনিক দেশেরপত্র। সেই সাথে দেশের প্রতিটি অঞ্চলের মানুষের সাথে আরো গভীরভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার অভিপ্রায় নিয়ে দেশেরপত্র নতুন নতুন এলাকায় বি¯তৃত করছে তার কার্যক্রম। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল শুক্রবার উদ্বোধন করা হলো নড়াইল জেলা ব্যুরো কার্যালয়। কার্যালয় উদ্বোধন উপলক্ষে এদিন সকালে একটি মনোমুগ্ধকর র‌্যালির আয়োজন করা হয়। পরে এ উপলক্ষে লক্ষ্মীপাশা আদর্শ মহিলা ডিগ্রি কলেজে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল ২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আ্যড. শেখ হাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশেরপত্রের উপদেষ্টা জনাব মসীহ উর রহমান, সাবেক সংসদ সদস্য, নড়াইল জেলা কৃষক লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ এস এম আবু সাইদ, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য লে. কর্নেল (অব.) সৈয়দ হাসান ইকবাল, লোড়াগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. দৌলত আহমেদ খান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দৈনিক দেশেরপত্রের নড়াইল-যশোর অঞ্চলের ব্যুরো প্রধান আরিফুল এসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন দেশেরপত্রের বিশেষ প্রতিনিধি মাহমুদা কফিল দীপা। মাহমুদুল হাসানের কণ্ঠে কোর’আন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়।
প্রধান আলোচকের ভূমিকায় দেশেরপত্রের উপদেষ্টা মসীহ উর রহমান বলেন, ‘অন্যায় ও অসত্য যখন আজ চারিদিকে বিস্তার লাভ করেছে, সত্য যখন ক্রমাগত হারিয়ে যাচ্ছে, তখন সেই সত্যকে দেশেরপত্রের মাধ্যমে তুলে ধরার মত দুরন্ত সাহস ও প্রেরণা আমরা লাভ করেছি একজন মহামানবের মাধ্যমে। তিনি হচ্ছেন আমাদের প্রাণপ্রিয় এমাম, টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী পন্নী পরিবারের সন্তান জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী। তাঁরই গড়া আদর্শকে ভিত্তি করে আমরা সামনে এগিয়ে চলেছি। আল্লাহ তাঁকে তাঁর সত্য জীবনব্যবস্থা, প্রকৃত এসলামের জ্ঞান দান করেছেন। এ সত্য যখন আমরা প্রচার করতে নেমেছি তখন দেখতে পেলাম সত্য প্রচারের সবচেয়ে বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে এই ধর্মেরই ধারক-বাহক একশ্রেণির আলেম-মোল্লারাই। আমরা এ কাজে নেমে আরো দেখলাম, এদেশের সাধারণ মানুষ অত্যন্ত ধর্মভীরু এবং সহজ সরল। তারা ইসলাম সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখেনা। তাই ধর্মীয় ব্যাপারে ধর্মের আলেম, মোল্লাদের কাছে তারা একপ্রকারে জিম্মি হয়ে আছে। তারা যা বলে তাই তারা অন্ধভাবে মেনে নেয়, বিশ্বাস করে। সাধারণ মানুষের এই বিশ্বাস এবং সরলতাকে কাজে লাগিয়ে এরাও তাদের ব্যক্তি স্বার্থ হাসিল করে নেয়। রাজনীতিতে সাধারণ মানুষের আবেগ অনুভূতি কাজে লাগিয়ে নিজেদের ক্ষমতার জানান দেয়। ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে তারা মানুষকে জঙ্গিবাদি কার্যক্রমের দিকে ধাবিত করে। রাজনীতির নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি, হরতাল-অবরোধ, গণপরিবহনে অগ্নি-সংযোগ, জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মারা, গাছ উপড়ে ফেলা ইত্যাদি ইসলাম বিরোধী কাজ করতে তারা নির্দেশ ও ইন্ধন যুগিয়ে যায়।’ তিনি বলেন, ‘এদের মুখোশ উন্মোচন করে সত্য ধর্মের প্রকাশ ঘটিয়ে মানবতার কল্যাণ করাই আমাদের একমাত্র কাজ এবং এটি আমরা যামানার এমামের কাছ থেকে শিখেছি এবং কোন ধরনের পার্থিব বিনিময় ছাড়াই করে যাচ্ছি মানবতার কল্যাণের লক্ষ্যে।’ এ সময় তিনি তার বক্তব্যে বর্তমানে ক্ষমতাসীন দলটির আভ্যন্তরীণ নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে লোড়াগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড. দৌলত আহমেদ খান বলেন, ‘জঙ্গিবাদ সমস্যা পাক-ভারত উপমহাদেশে নতুন নয়। বহুদিন থেকেই ধর্মব্যবসায়ীদের দ্বারা এ অঞ্চল জঙ্গিবাদের কালো থাবায় আক্রান্ত হচ্ছিলো। কিন্তু আমরা যদি ইতিহাসের দিকে তাকাই তাহলে দেখতে পাবো যে, মাত্র পাঁচশত বছর আগেও এ এলাকাগুলো শাসন করেছেন মুসলিম শাসকগণ। সে সময় এ এলাকার হিন্দু-মুসলমান উভয় ধর্মের লোকজন মিলে মিশে বসবাস করতো। কোন ধরনের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা কিংবা জঙ্গিবাদী কার্যক্রমের সৃষ্টি হোত না। কিন্তু ব্রিটিশরা এদেশকে দখল করে নেওয়ার পর তাদের চক্রান্তমূলক ‘ডিভাইড এন্ড রুল’ নীতি কার্যকরী করে এদেশের মানুষের মধ্যে বিভক্তির সূচনা করে এবং প্রথম সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সূচনা ঘটায়। তাদের দালালরা এ কাজে তাদেরকে সহযোগিতা করে।’ তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালে আমরা দেশকে স্বাধীন করেছিলাম পাকিস্তানিদের হাত থেকে। সে সময় আমাদের লক্ষ্য ছিল একটি সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত দেশ গড়া। ১৯৪৭ সালে যখন আমরা ভারত থেকে আলাদা হয়ে ধর্মের ভিত্তিতে পাকিস্তান পাই তখন সেটি আমাদের কাক্সিক্ষত মুক্তি দেয়নি। আজও বাংলাদেশ আবার ধর্মাশ্রয়ী, ধর্মব্যবসায়ীরা দ্বারা জ্বালাও-পোড়াও, দাঙ্গা-হাঙ্গামা ইত্যাদির মাধ্যমে দেশকে একটি সংকটের মুখে ফেলে দিয়েছে। আশঙ্কার সৃষ্টি হচ্ছে এদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব তাদের হাতে লুণ্ঠিত হয়ে যাওয়ার।’ তিনি বলেন, ’৭১ সালে আমরা রক্তের বিনিময়ে দেশকে স্বাধীন করেছি। সুতরাং আমাদের রক্ত থাকা পর্যন্ত তাদের হাতে এদেশ ছেড়ে দেব না। পরিশেষে তিনি দেশেরপত্রের কার্যক্রমকে সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য লে. কর্নেল (অব) সৈয়দ হাসান ইকবাল দেশেরপত্রের উপদেষ্টা বক্তব্যের প্রতি সমর্থন করে বলেন, ‘আমাদের দলের নিজেদের মধ্যে দুর্বলতা রয়েছে। আমাদের মধ্যে ঐক্যের অভাব রয়েছে।’ এক্ষেত্রে তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ করে বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমাদেরকে সর্তক হতে হবে এবং আমাদেরকে অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে, দলের ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে পথ চলতে হবে।’
নড়াইল জেলা কৃষক লীগের সভাপতি, সাবেক সাংসদ ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ এস এম আবু সাইদ বাংলাদেশের ইতিহাস বিকৃতি এবং বঙ্গবন্ধুকে অবৈধ রাষ্ট্রপতি আখ্যা দেওয়ার জবাবে বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ তুলে ধরেন। তিনি ধর্মব্যবসায়ী ও ধর্মের অপব্যাখ্যার বিরুদ্ধে দেশেরপত্রের ভূমিকার প্রশংসা করেন। একই সাথে তার বক্তব্যে আওয়ামী সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।
সংসদ সদস্য আ্যড শেখ হাফিজুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে তার বক্তব্যে বলেন, ‘আমি একটি পত্রিকার আঞ্চলিক কার্যালয় উদ্বোধন নিয়ে এত বড় এবং এত মনোমুগ্ধকর অনুষ্ঠান আয়োজন করতে ইতোপূর্বে দেখিনি। পত্রিকার পেছনে যারা কাজ করছেন তাদের কার্যক্রম এবং উদ্দীপনা দেখে মনে হয় তারা কোন নতুন চেতনা, নতুন আঙ্গিকে এগিয়ে চলেছে। আমি আগের বক্তাদের বক্তব্য থেকে যা বুঝলাম তাতে মনে হচ্ছে এটা কোন গতানুগতিক এজেন্ডা নয়। জাতীয় দুর্যোগের এই মুহূর্তে জাতিকে একটি বিকল্প পথ দেখাতেই তাদের পথচলা। দেশের ঐক্য, দেশের স্বাধীনতা থাকবে কি না, আমাদের পতাকাকে আমরা রক্ষা করতে পারব কি না, যে অশুভ শক্তির কারণে এই আশংকার সৃষ্টি হয়েছে তার বিরুদ্ধে দেশেরপত্রের অবস্থান বলে আমার কাছে প্রতিয়মান হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, “কোন দলকে যদি ক্ষমতায় আসতে হয় তবে তাদেরকে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়েই আসতে হবে। কিন্তু আমরা দেখলাম গত পাঁচই জানুয়ারির নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলগুলো যে তাণ্ডব শুরু করেছিল তাতে মনে হয়েছিলো তারা নির্বাচিত আওয়ামী লীগ সরকারকে দাঙ্গা-হাঙ্গামা, জ্বালাও-পোড়াও করে উৎখাত করবে। তারা এ সময় যে নারকীয় অবস্থার জন্ম দিয়েছিল তা দেশকে একটি হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছিল।’ তিনি তার বক্তব্যে ধর্মের নামে উন্মাদনা সৃষ্টি করে সে সময় যে সকল অপকর্ম ঘটায় তার বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “দেশের সেই নাজুক পরিস্থিতিতে দেশনেত্রী শেখ হাসিনা শক্ত হাতে যে পদক্ষেপ নিয়েছিলেন তা ছিল যথার্থ।” তারেক জিয়ার সৃষ্টি করা বিতর্ক প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য বলেন ‘তারেক জিয়ার কথায় কান দেওয়া ঠিক নয়। তারেক জিয়া একজন অল্পবয়সী বাচ্চা ছেলে। তার কথায় গুরুত্ব দেওয়া মানে তাকে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলা।’ তিনি বলেন, ‘দেশেরপত্র তার কার্যালয় উদ্বোধন উপলক্ষে আমাদেরকে আমন্ত্রণ জানিয়ে যে সুযোগ করে দিয়েছে তার জন্য অনেক ধন্যবাদ জানাই। সেই সাথে আমরা আমাদের নিজেদের মধ্যকার সব ধরনের দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ভুলে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমাদের স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে রক্ষ করতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘দলের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা সুযোগ সন্ধানী শ্রেণির মায়াকান্না ভুলে আমাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে। দেশের প্রতি আমাদের যে দায়িত্ব রয়েছে তা আমাদেরকেই পালন করতে হবে। নতুবা আমাদের শত্র“রা আমাদের অর্জিত সাফল্যকে ম্লান করে দেবে।’
কার্যালয় উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক হাসান বিশ্বাস, লোহাগড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি বাবু ক্ষিয়ত চন্দ্র, মল্লিকপুর আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল হালিম, শালনগর ইউ.পি সাধারণ সম্পাদক রেজোয়ান কবীর মিঠু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাধারণ সম্পাদক শাহ মইনুল ইসলাম বিপ্লব ও দেশেরপত্রের অন্যান্য কর্মকর্তাসহ ও বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত সাধারণ মানুষ। অনুষ্ঠানের শুরুতে ধর্মব্যবসায়ীদের মুখোশ উন্মোচনে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এছাড়াও দেশেরপত্রের প্রকাশিত বিভিন্ন সাময়িকী ও অন্যান্য প্রকাশনা নিয়ে একটি স্টল খোলা হয়।

Search Here

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ভোলায় দৈনিক দেশেরপত্র ও বজ্রশক্তির কার্যালয় উদ্বোধন

July 31, 2014

ধর্মব্যবসা, ধর্ম নিয়ে অপরাজনীতি আর জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে ‘এক জাতি এক দেশ, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার জন্য কাজ করে যাচ্ছে দৈনিক দেশেরপত্র ও দৈনিক বজ্রশক্তি। এই কার্যক্রমকে আরো গতিময় করে তুলতে সারা দেশে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পত্রিকা দুইটির কার্যালয় উদ্বোধন করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ভোলা সদরে উদ্বোধন করা হয়েছে দৈনিক দেশেরপত্র […]

আরও→

দৈনিক দেশেরপত্রের বরিশাল বিভাগীয় ব্যুরো অফিস উদ্বোধন

July 16, 2014

(বামের ছবিতে) দৈনিক দেশেরপত্রের বরিশাল বিভাগীয় ব্যুরো অফিস উদ্বোধন করেন শফিকুল আলম উখবাহ,্ নির্বাহী সম্পাদক দৈনিক দেশেরপত্র। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান মো: রুহুল আমিন; সানাউল্লাহ নূরী, সহকারী সম্পাদক, দৈনিক দেশেরপত্র; ডি.আই.জি বরিশাল রেঞ্জ’র পক্ষে থেকে উপস্থিত এ.এস.পি ফজলুল করিম, স্টাফ অফিসার ডি.আই.জি কার্যালয়, বরিশাল; এ্যাড: মো: জামাল হোসেন, জজ কোর্ট, বরিশাল; […]

আরও→