ঢাকা, বংশাল থানার জিডি- ১০৫৮ | হেযবুত তওহীদ

ঢাকা, বংশাল থানার জিডি- ১০৫৮

সারকথা
ঢাকা, বংশাল থানার জিডি- ১০৫৮, তারিখ- ২১/০৫/২০১২ ইং, ধারা- ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৫৪।
সন্দিগ্ধ আসামী ১. মোঃ আব্দুস সালাম (৩০),
২. মোঃ চাঁন মিয়া (৫০)

প্রকৃত ঘটনাঃ এ যামানার এমাম, এমামুয্যামান জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খাঁন পন্নী’র অনুসারী মোঃ আব্দুস সালাম (৩০) ও মোঃ চাঁন মিয়া (৫০)-দ্বয় ঢাকা, বংশাল থানাধীন নাজিম উদ্দীন রোডস্থ এলাকায় প্রকাশ্যে সর্বশ্রেণীর মাঝে “আল্লাহর মোজে’জা, হেয্বুত তওহীদের বিজয় ঘোষণা” এবং দাজ্জালের প্রকৃত পরিচয়, ক্ষমতা, প্রতিপত্তি ইত্যাদি বর্ণনা পূর্বক “আল্লাহর মোজে’জা হেযবুত তওহীদের বিজয় ঘোষণা” শিরোনামের লিফলেট ও মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী রচিত ধর্মীয় বই নিয়ে বালাগ (এসলামের দাওয়াত) করতে করতে “ইত্যাদি বেকারী”-র সামনে পৌছালে সেখানে লেবাসধারী কতক মোল্লা হেযবুত তওহীদ সদস্যদের আটক করে নিষিদ্ধ সংগঠনের জঙ্গি সদস্যরা ইসলাম ধর্মের অপব্যাখ্যা করে নাশকতা সৃষ্টির জন্য সদস্য সংগ্রহের কাজ করছে বলে টহলরত র‌্যাব-১০ সদস্যদের জানালে র‌্যাব-১০ সদস্যরা হেযবুত তওহীদ সদস্যদ্বয়কে হেফাজতে নিয়ে প্রকৃত ঘটনা শুনে এবং হেযবুত তওহীদ আন্দোলন ও প্রকাশনাসমুহের বৈধতার কাগজাদি দেখে অপরাধ জনক কোন কিছু না পেয়েও আটককৃতদের গ্রেফতার করে বংশাল থানায় হস্তান্তর করলে থানা কর্তৃপক্ষ তাদের সন্দিগ্ধ আসামী হিসাবে আদালতে সোপর্দ করে।

পুলিশ ফরোয়ার্ডি-এর বক্তব্যঃ র‌্যাব-১০, ধলপুর, যাত্রাবাড়ি, ঢাকা-এর পিসি-২৪১৩৬ মোঃ সামছুল হক আসামীদের ধর্তব্য অপরাধের সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে কাঃবিঃ ৫৪ ধারায় আটক করিয়া বংশাল থানায় সেপির্দ করেন। ও/সি, বংশাল থানার নির্দেশে বিষয়টি তদন্তকালে আসামীদের ব্যাপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করি। আসামীরা জব্দ তালিকায় বর্ণিত বই, লিফলেট, সিডি ইত্যাদি বিক্রয় করিয়া কি করিতে চায় উহার কোন জবাব দিতে পারে নাই। তাহারা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সদস্য হইতে পারে। এমতাবস্থায় আসামীরা কোন ধর্তব্য অপরাধের সাথে জড়িত থাকিতে পারে সন্দেহে কাঃবিঃ ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করিয়া বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হইল।

তদন্ত প্রতিবেদনঃ হেযবুত তওহীদ কোন নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন কি-না উহা যাচাই করার জন্য স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এস/বি) ঢাকায় যোগাযোগ করিলে পুলিশ পরিদর্শক মোঃ জুবাইর হোসেন জানান যে, সরকার ঘোষিত নিষিদ্ধ সংগঠনের তালিকায় হেযবুত তওহীদের নাম নাই। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে ও গোপনে ও প্রকাশ্যে তদন্ত করা হইয়াছে। জানা যায় জনগণ ও র‌্যাব হেযবুত তাহরীর মনে করিয়া হেযবুত তওহীদের ঐ দুইজন সদস্যকে আটক করিয়াছিলেন।
তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৪/০৬/২০১২ ইং।