জামালপুর, সদর থানার জিডি- ১০৯৬ | হেযবুত তওহীদ

জামালপুর, সদর থানার জিডি- ১০৯৬

সারকথা
জামালপুর, সদর থানার জিডি- ১০৯৬, তারিখ- ২৪/০২/২০১১ ইং, ধারা- ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৫৪।

সন্দিগ্ধ আসামী ১. মোঃ রফিকুল ইসলাম (৩২), ২. মোঃ আমিনুল ইসলাম মিন্টু (৩৫), ৩. মোঃ আরজু মিয়া (৪০), ৪. মোঃ খোকন (৩৮), ৫. মোঃ আনোয়ার হোসেন বিপ্লব (২৫), ৬. মোঃ আতিকুর রহমান আতিক (২৮), ৭. শাকিল আহমেদ (২৫), ৮. নাজম আল ইসলাম (২২), ৯. মোঃ আমিনুল ইসলাম (২০), ১০. ফজলুল হক (৫০), ১১. আরিফ হোসেন (২০), ১২. মোঃ সুমন খান (২২), ১৩. মোঃ সাইফুল ইসলাম @ হামিদ (৫০) এবং ১৪. মোঃ নাজমুল হোসেন (২৬)।

প্রকৃত ঘটনাঃ হেযবুত তওহীদ সদস্যরা অত্র থানাধীন বোসপাড়া নিবাসী রফিকুল এসলামের নিজস্ব বাসা মাসিক ভাড়া নিয়ে সেখানে অবস্থান করে প্রশাসনিক ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনার মাধ্যমে অনুমতি স্বাপেক্ষে অত্র জেলা শহরে হেযবুত তওহীদ সদস্যরা পিকআপ ভ্যান নিয়ে মাইকিং করে শান্তিপূর্ণ উপায়ে দাজ্জাল চিহ্নিত, রাইগর মর্টিজ এবং প্রকৃত এসলাম প্রচার কাজ শেষে বাসায় এসে বিশ্রাম করাবস্থায় সদর থানা পুলিশ হেযবুত তওহীদের কার্যক্রম সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও উক্ত বাসায় এসে মোজাহেদদের আটক করে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদসহ আন্দোলন ও প্রকাশনাসমূহের বৈধ কাগজাদি  দেখে বেআইনী কোন কিছু না পেয়েও হেযবুত তওহীদ সদস্যদের সন্দিগ্ধ আসামী হিসাবে আদালতে সোপর্দ করে।

পুলিশ ফরোয়ার্ডি-এর বক্তব্যঃ রাত ২৩:০০ ঘটিকায় সংবাদ পাই যে, বোসপাড়া জনৈক রফিকুল ইসলামের বাড়িতে সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের কর্মতৎপরতা চলিতেছে। উক্ত সংবাদ প্রাপ্ত হইলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করিয়া উক্ত স্থানে হাজির হইয়া উপরোক্ত আসামীগণকে আলোচনায় মগ্নরত অবস্থায় পাই এবং পুরিশের উপস্থিতি টের পাইয়া ইতস্তত বোধ করে। আসামীগণ ধর্মীয় বই, ক্যাসেট, লিফলেট বিতরণ ও দাজ্জাল প্রতিরোধের আড়ালে গোপনে মিটিং করিয়া কোন নাশকতামূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করা ছাড়াও নিষিদ্ধ ঘোষিত অন্য কোন জঙ্গি সংগঠনের সাথে জড়িত সন্দেহে এবং আসামীগণ বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা হইয়া অন্য কোন হীন উদ্দেশ্য সাধনকল্পে জমায়েত হইয়াছে সন্দেহ পোষণ করিয়া আসামীদেরকে কার্যবিধি ৫৪ ধারার বিধান মতে গ্রেফতার করি।

আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে তাদের অসংলগ্ন কথাবার্তায় যথেষ্ট সন্দেহের উদ্রেক হয় যে, জেএমবি’র মত নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হিজবুত তাহরীর আদলে হেযবুত তওহীদ নামক সংগঠন সৃষ্টি করিয়া বর্ণিত আসামীগন জঙ্গি তৎপরতাসহ তাহাদের রূপরেখা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ধর্মীয় বই, সিডি, লিফলেট বিক্রয়ের মাধ্যমে এলাকার অশিক্ষিত ধর্মপ্রাণ লোকদের মনে ধর্মভীতি সৃষ্টি করিয়া নাশকতামূলক কর্মকান্ড পরিচালনার লক্ষ্যে সমবেত হইয়াছিল।

তদন্ত প্রতিবেদনঃ আমার তদন্তে গৃহীত স্বাক্ষ্য প্রমাণে আসামীদের নামঠিকানা যাচাই সম্বলিত ঝঈউ পর্যালোচনা এবং প্রাপ্ত অন্যান্য কাগজ পত্র পর্যালোচনায় গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে কোন নাশকতা বা কোন নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের সাথে সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে স্বাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যায় নাই। আমার তদন্তের ফলাফল নিয়া ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করি ……………।
তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ০১/০৪/২০১১ ইং।