চট্রগ্রাম, বাকালীয়া থানার জিডি-৯৩০ | হেযবুত তওহীদ

চট্রগ্রাম, বাকালীয়া থানার জিডি-৯৩০

সারকথা
চট্রগ্রাম, বাকালীয়া থানার জিডি-৯৩০, তারিখ- ২৪/১২/২০১২ ইং, ধারা- ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৫৪।
সন্দিগ্ধ আসামী ১. মজিবুর রহমান (৫০) ও
২. মোঃ বেলাল খান (২৮)

প্রকৃত ঘটনাঃ এ যামানার এমামের অনুসারী মোঃ মজিবুর রহমান (৫০) ও মোঃ বেলাল খান (২৮) চট্টগ্রাম, বাকলিয়া থানাধীন নতুন ব্রীজ নামক স্থানে প্রকাশ্যে সর্বসাধারণের মাঝে নতুন সভ্যতার আহ্বানসহ আল্লাহর মোজে’জা হেয্বুত তওহীদের বিজয় ঘোষনার বার্তা পৌছানোর সময় স্থানীয় অতি উৎসাহী কতক লোক র‌্যাব-৭ সদস্যদের নিষিদ্ধ সংগঠনের জঙ্গি সদস্যরা ইসলামের নামে অপপ্রচার করে সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষদের বিভ্রান্ত করছে বোলে মিথ্যা তথ্য দিলে র‌্যাব-৭ সদস্যরা উক্ত স্থানে এসে হেযবুত তওহীদ মোজাহেদদ্বয়কে “বিশ্ববাসীকে নতুন সভ্যতার আহ্বান” শিরোনামের লিফলেট ও এমামুয্যামানের লেখা ধর্মীয় বইসহ আটক করে র‌্যাব-৭ ক্যাম্পে নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করাসহ আন্দোলন ও প্রকাশনার বৈধতা সংক্রান্ত সকল কাগজাদি দেখে অপরাধমূলক কোন কিছু না পেয়েও আটককৃতদের সংশ্লিষ্ট থানায় হন্তান্তর করলে ও/সি, বাকলিয়া থানার নির্দেশে এ.এস.আই মোঃ জাকির হোসেন, বাকলিয়া থানা, চট্টগ্রাম মোজাহেদদ্বয়কে সন্দিগ্ধ আসামী হিসাবে আদালতে সোপর্দ করে।

পুলিশ ফরোয়ার্ডিং-এ আনিত অভিযোগঃ আসামীদ্বয় নাশকতা জাতীয় কোন ধর্তব্য অপরাধের সহিত জড়িত সন্দেহে ফৌঃ কাঃ বিঃ ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করা হয়।

তদন্ত প্রতিবেদনঃ আসামীদের বিরুদ্ধে মামলার ঘটনার বিষয়ে স্থানীয়ভাবে প্রকাশ্য ও গোপনে ব্যাপক তদন্ত করি। তদন্তকালে আসামী গণের হেফাজত হইতে উদ্ধারকৃত বই লিফলেট ও অন্যান্য কাগজপত্রাদি পর্যালোচনা করি। মামলাটি প্রাথমিক তদন্তকালে ও বইপত্রাদি পর্যালোচনায় আসামীদের ইসলাম বিরোধী ও জঙ্গি সংগঠনের সাথে জড়িত থাকার কোন কিছু পরিলক্ষিত হয় নাই এবং কোন অপ্রীতিকর কাজের সহিত জড়িত থাকার স্বাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া যায় নাই।
তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল- ১৮/০১/২০১৩ ইং